|

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায়: শিক্ষার্থীরা এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তার স্থানীয় পরিবেশের জীববৈচিত্রের ধরন উদ্ঘাটন করবে। সেজন্য তারা শুরুতেই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের অঞ্চলে কতরকম জীব আছে তার তালিকা করবে। এরপর প্রত্যেকে জোড়ায় তাদের সবচেয়ে পছন্দের কোনো একটা নির্দিষ্ট জীব (কোনো নির্দিষ্ট পশু/পাখি/পোকা/গাছ) বেছে নেবে এবং এক সপ্তাহ তাকে পর্যবেক্ষণ করে তার শারীরিক গঠন, খাদ্যাভ্যাস, আবাস ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য/আচরণ (গাছের ক্ষেত্রে আকার, পাতা, ফুল, ফল, বীজের ধরন ইত্যাদি) সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করবে।

একই প্রাণীর মধ্যে একাধিক বৈচিত্র্য থাকলে সে সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করবে (লাল) পিঁপড়া-কালো পিঁপড়া, পাতিকাক-দাঁড়কাক ইত্যাদি)। শিক্ষার্থীরা নিজেদের পাওয়া তথ্য ক্লাসে শেয়ার করবে, সবার প্রাপ্ত তথ্য একত্র করে বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তা সকল জীবকে বিভিন্ন শ্রেণিভুক্ত করবে এবং তাদের স্থানীয় পরিবেশের জীববৈচিত্র্যের ক্যাটালগ/তথ্যচার্ট তৈরি করবে।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় কুইজ প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। পৃথিবীতে ঠিক কত সংখ্যক জীব রয়েছে?
উত্তর: প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন।

প্রশ্ন ২। জীবের শ্রেণিবিন্যাসের জনক কে?
উত্তর: ক্যারোলাস লিনিয়াস।

প্রশ্ন ৩। একটি উভচর প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: কুনোব্যাঙ।

প্রশ্ন ৪। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়?
উত্তর: ৭টি।

প্রশ্ন ৫। একটি মেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: মানুষ।

প্রশ্ন ৬। একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণীর নাম লেখ।
উত্তর: প্রজাপতি।

প্রশ্ন ৭। পিঁপড়ার খাদ্যাভ্যাস কোন ধরনের?
উত্তর: সর্বভুক।

প্রশ্ন ৮। জীবের গঠনের একককে কী বলে?
উত্তর: কোষ।

প্রশ্ন ৯। উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষের প্রধান কাঠামো কয়টি?
উত্তর: তিনটি।

প্রশ্ন ১০। সামাজিক জীব বলা হয় কোন প্রাণীকে?
উত্তর: পিঁপড়া।

প্রশ্ন ১১। পিঁপড়া কোন পর্বের প্রাণী?
উত্তর: আর্থ্রোপোডা

প্রশ্ন ১২। মরিচ গাছ কোন রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: প্লান্টি।

প্রশ্ন ১৩। পাখি কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: অ্যাডিস।

প্রশ্ন ১৪। সরীসৃপের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বুকে ভর দিয়ে চলে


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। শ্রেণিবিন্যাস কাকে বলে?
উত্তর: বিশাল এই জীবজগতকে চেনা বা জানার জন্য এদের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন স্তর বা ধাপে সাজানো বা বিনাম করার পদ্ধতিকেই বলা হয় শ্রেণিবিন্যাস।

প্রশ্ন ২। জীবজগৎ কাকে বলে?
উত্তর: আমাদের চারপাশের জীবদের (উদ্ভিদ ও প্রাণী) নিয়ে যে প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি হয় তাকে জীবজগৎ বলে।

প্রশ্ন ৩। সংবাহী উদ্ভিদ কাকে বলে?
উত্তর: যে উদ্ভিদে পরিবহন টিস্যু থাকে তাকে সংবাহী উদ্ভিদ বলে।

প্রশ্ন ৪। উদ্ভিদ কী?
উত্তর: মূল, কাণ্ড ও পাতা আছে এমন জীবই হচ্ছে উদ্ভিদ।

প্রশ্ন ৫। মূল বা শিকড় কী?
উত্তর: গাছের যে অংশ মাটির সাথে যুক্ত থেকে খাদ্য জমা রাখে এবং পানি ও খনিজ পুষ্টি সংগ্রহ করে তাই মূল বা শিকড়।

প্রশ্ন ৬। মূলরোম কী?
উত্তর: মূলরোম হলো মূলের গায়ে লেগে থাকা ছোট চুলের মতো অংশ।

প্রশ্ন ৭। মূলটুপি কী?
উত্তর: মূলটুপি হলো মূলের আগায় থাকা কোষের শক্ত আবরণ, যা মূলকে আঘাত থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্ন ৮। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়?
উত্তর: মেরুদণ্ডী প্রাণীদের সাতটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়।

প্রশ্ন ৯। সরীসৃপের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: সরীসৃপের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা বুকে ভর দিয়ে চলাফেরা

প্রশ্ন ১০। অমেরুদণ্ডী প্রাণী কাকে বলে?
উত্তর: যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই তাদের অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলে।

প্রশ্ন ১১। স্পঞ্জ কোন পর্বের প্রাণী?
উত্তর: স্পঞ্জ পরিফেরা পর্বের প্রাণী।

প্রশ্ন ১২। আর্থ্রোপডের বৃহত্তম দল কী?
উত্তর: আর্থ্রোপডের বৃহত্তম দল হলো কীটপতঙ্গ।

প্রশ্ন ১৩। অণুজীব কী?
উত্তর: খালি চোখে দেখা যায় না এমন জীবন্ত বস্তু হলো অণুজীব।

প্রশ্ন ১৪। ব্যাকটেরিয়া কয়টি রাজ্যে বিভক্ত?
উত্তর: ব্যাকটেরিয়া দুইটি রাজ্যে বিভক্ত।

প্রশ্ন ১৫। কিছু পোকা উড়তে পারলেও এদের পাখি বলা হয় না কেন?
উত্তর: পোকাদের মেরুদণ্ড থাকে না, পাখিদের মেরুদণ্ড থাকে। তাই কিছু পোকা উড়তে পারলেও এদের পাখি বলা হয় না।

প্রশ্ন ১৬। শৈবাল স্বভোজী হলেও একে উদ্ভিদ বলা হয় না কেন?
উত্তর: শৈবাল স্বভোজী হলেও এদের উদ্ভিদ বলা হয়না কারণ এদের উদ্ভিদের মতো মূল, কাণ্ড বা পাতা নেই। আবার কিছু শৈবাল দেখা যায় যারা চলাফেরা করতে সক্ষম।

প্রশ্ন ১৭। কবুতর ও কচ্ছপ উভয়ই ডিম পারলেও এরা ভিন্ন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত কেন?
উত্তর: কবুতরের হালকা অস্থিযুক্ত কঙ্কাল ও উড়ার জন্য ডানা রয়েছে যা কচ্ছপের নেই। আবার কচ্ছপ চারপায়ে বুকে ভর দিয়ে চলে। এজন্য কবুতর ও কচ্ছপ ভিন্ন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় বড় প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। কোন জীব সম্পর্কে জানতে হলে তার কোন কোন তথ্য সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে?
উত্তর: কোনো জীব সম্পর্কে জানতে হলে তার শারীরিক গঠন, খাদ্যাভ্যাস, আবাস ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য/আচরণ; গাছের ক্ষেত্রে আকার, পাতা, ফুল, ফল, বীজের ধরন ইত্যাদি তথ্য বা বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

প্রশ্ন ২। পিঁপড়ার শারীরিক গঠন ও খাদ্যাভ্যাস লিখ?
উত্তর: পিঁপড়ার শারীরিক গঠন ও খাদ্যাভ্যাস নিচে দেওয়া হলো- শারীরিক গঠন: পিঁপড়ার দেহ মস্তিষ্ক, বক্ষ এবং উদর এই তিন খণ্ডে বিভক্ত। এদের তিন জোড়া পা এদের বক্ষের সাথে যুক্ত থাকে। মাথায় একজোড়া অ্যান্টেনা থাকে। খাদ্যাভ্যাস: এরা সর্বভুক প্রাণী। মৃত কীটপতঙ্গ, শস্য দানা, ফুল- ফলের রস ইত্যাদি খায়।

প্রশ্ন ৩। দোয়েল পাখির এমন তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ যা বিশেষ ব্যতিক্রম।
উত্তর: দোয়েল পাখির ব্যতিক্রমধর্মী তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১. মাটিতে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য খোঁজে।
২. এরা খুবই চঞ্চল ও অস্থির প্রকৃতির।
৩. ফুসফুসের সাথে বায়ুথলি থাকায় এরা সহজেই উড়তে পারে।

প্রশ্ন ৪। ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয় কেন?
উত্তর: ডাইরাসের দেহ শুধুমাত্র প্রোটিন আবরণ ও নিউক্লিক এসিড নিয়ে গঠিত। ভাইরাসের দেহে কোষপ্রাচীর, প্লাজমালেমা, সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি কিছুই নেই। তাই ভাইরাসকে অকোষীয় জীব বলা হয়।

প্রশ্ন ৫। পাখিরা উড়তে সক্ষম হয় কেন?
উত্তর: হাঁস, মুরগি, কবুতর, দোয়েল ইত্যাদিসহ সব পাখি পক্ষীশ্রেণিভুক্ত প্রাণী । পাখিদের দেহ পালক দিয়ে ঢাকা। এদের দুটি ডানা আছে। দেহের ওজন হালকা করার জন্য বড় বড় হাড়গুলো ফাঁপা। বায়ু থলি আছে। তাই তারা উড়তে পারে।

প্রশ্ন ৭। কোন কোন বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে চিত্রের জীবটিকে অমেরুদণ্ডী বলা হয়?
উত্তর: চিত্রের জীবটি হলো প্রজাপতি, যা একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী। নিচের বৈশিষ্ট্যগুলোর ভিত্তিতে প্রজাপতিকে অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলা হয়।
১. মেরুদণ্ড নেই। অর্থাৎ দেহের ভেতর কঙ্কাল থাকে না।
২. চোখ সরল প্রকৃতির হয় না।
৩. এদের লেজ নেই।
৪. হূৎপিণ্ড অনুন্নত ধরনের।

প্রশ্ন ৮। সাপকে কেন সরীসৃপ বলা হয়?
উত্তর: যেসব মেরুদণ্ডী প্রাণী বুকে ভর করে চলে এবং যাদের ত্বক শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত তাদেরকে সরীসৃপ প্রাণী বলে। সাপ বুকে ভর করে চলে, এদের ত্বক শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত। তাই সাপকে সরীসৃপ প্রাণী বলা হয় ।

প্রশ্ন ৯। প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম দুই পদবিশিষ্ট হয় কেন?
উত্তর: কোনো বিশেষ প্রাণীকে চিহ্নিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক নাম ব্যবহার করা হয়। ICZN এর নীতিমালা অনুযায়ী প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম প্রদানে গণ এবং প্রজাতি দুই পদ ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ কোনো একটি প্রাণীকে চিহ্নিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক নাম দুই পদ বিশিষ্ট হয়।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ২য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।