|

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায়: আলো সাধারণত বর্ণহীন । দৃশ্যমান আলো সাধারণত সাত ধরনের। সবচেয়ে কম তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের দৃশ্যমান আলো বেগুনি এবং লাল হলো সবচেয়ে বেশি তরঙ্গদৈর্যের আলো। এর মাঝখানে রয়েছে নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা। দৃশ্যমান আলোর পূর্বে রয়েছে অতিবেগুনি এবং পরে রয়েছে অবলাল আলো। কোনো বস্তুকে আমরা কোন রং-এ দেখব তাও নির্ভর করে আলোর রং-এর উপর। এ শিখন অভিজ্ঞতায় শিক্ষার্থীরা তাদের চারপাশে প্রকৃতিতে কত রং দেখে তা পর্যবেক্ষণ করবে এবং মূল সাতটি রঙের বিভিন্ন শেড খুঁজে বের করবে।

পাল জিনিস কেন লাল, সাদা জিনিস কেন সাদা- এরকম প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমরা কীভাবে দেখি, কেন বিভিন্ন রং দেখি তা অনুসন্ধান করবে। কোনো বস্তুর রং যে বস্তুর বৈশিষ্ট্য এবং কোন আলোতে দেখছে দুয়ের সঙ্গেই সম্পর্কিত তা জেনে আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণ, শোষণ ইত্যাদি ঘটনা অনুসন্ধান করবে। সূর্যের আলো থেকে রংধনুতে সাত রং কীভাবে আলাদা হয় সে বিষয়ে ধারণা তৈরি করে রংধনু তৈরি পরীক্ষা করে দেখবে।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায় কুইজ প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। আমরা কখন বস্তু দেখতে পাই?
উত্তর: বস্তুর আলো চোখে পড়লে।

প্রশ্ন ২। সাতটি রং যখন দ্রুত ঘুরতে থাকে তখন কোন রং দেখা যায়?
উত্তর: শুধুমাত্র সাদা রং।

প্রশ্ন ৩। লাল রংয়ের মধ্য দিয়ে কোনো সবুজ পাতাকে দেখার চেষ্টা করলে কেমন দেখায়?
উত্তর: কুচকুচে কালো।

প্রশ্ন ৪। রংধনুতে কয়টি রং দেখা যায়?
উত্তর: ৭টি।

প্রশ্ন ৫। কালো ও সাদা কাপড় রোদে শুকাতে দিলে কোনটি আগে শুকাবে?
উত্তর: কালো কাপড়।

প্রশ্ন ৬। রংধনুতে বেগুনির আগের রংটির নাম কী?
উত্তর: অতিবেগুনি ।

প্রশ্ন ৭। রংধুনুতে লালের পরের রংটির নাম কী?
উত্তর: অবলাল।

প্রশ্ন ৮। পোকামাকড় ধরার জন্য কোন রং ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: অতিবেগুনি রং।

প্রশ্ন ৯। টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে কোন রং ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: অবলাল।

প্রশ্ন ১০। সকালের আকাশ কেমন দেখায়?
উত্তর: নীল দেখায়।

প্রশ্ন ১১। সন্ধ্যায় আকাশ কেমন দেখায়?
উত্তর: গোলাপি দেখায়।

প্রশ্ন ১২ । বিজ্ঞানী জন ডাল্টন কোন রং কখনোই দেখতে পারেন নি?
উত্তর: লাল ও সবুজ রঙের পার্থক্য।

প্রশ্ন ১৩। পানির রং নেই কেন?
উত্তর: কারণ পানি স্বচ্ছ।

প্রশ্ন ১৪। আলোর প্রতিসরণের সময় খুব মজার একটা ঘটনা ঘটে সেটা কী?
উত্তর: আলোর পথটা বেঁকে যায়।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। আলো কী?
উত্তর: আলো এক প্রকার শক্তি যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়।

প্রশ্ন ২। অতিবেগুনি রশ্মি কাকে বলে?
উত্তর: যে আলোক রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে ছোট এবং রঞ্জন রশ্মির চেয়ে বড় তাকে অতিবেগুনি রশ্মি বলে।

প্রশ্ন ৩। অবলাল কী?
উত্তর: অবলাল এক ধরনের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বড়। এর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার হতে ১ মিলিমিটার।

প্রশ্ন ৪। প্রতিসরণ কাকে বলে?
উত্তর: আলোক রশ্মি এক স্বচ্ছ মাধ্যম হতে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দিক পরিবর্তন করে। আলোক রশ্মির এই দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

প্রশ্ন ৫। আলোর শোষণ কী?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় আলো শোষিত হয়ে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে আলোর শোষণ বলে।

প্রশ্ন ৬। রংধনু কী?
উত্তর: রংধনু হলো ধনুকাকৃতি আলোক রেখা যা বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত জলকণায় সূর্যালোকের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণে সৃষ্টি।

প্রশ্ন ৭। মৌলিক রং কী?
উত্তর: সাধারণত লাল, নীল, সবুজ এই তিনটি রংকে মৌলিক রং বলে।

প্রশ্ন ৮। মিশ্র রং কাকে বলে?
উত্তর: যেকোনো দুটি রঙের মিশ্রণে যে নতুন রং তৈরি হয় তাকে মিশ্র রং বলে।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায় বড় প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। লাল রঙের মধ্য দিয়ে সবুজ পাতাকে কালো দেখায় কেন?
উত্তর: লাল রংয়ের মধ্যদিয়ে দেখা সবুজ পাতাকে কালো দেখানোর কারণ হলো আলোর শোষণ। গাছের সবুজ পাতার উপর সূর্যের আলো পড়লে আমরা পাতাটিকে সবুজ দেখি আলোর প্রতিফলনের জন্য। এ সময় সবুজ পাতা সবুজ রংকে প্রতিফলিত করে কিন্তু অন্যসব রংকে শোষণ করে। কিন্তু সবুজ পাতায় লাল এর আলো ফেললে পাতাটি লাল রং শোষণ করে ফলে সেখান থেকে আর কোনো রং-ই প্রতিফলিত হয় না। তাই সবুজ পাতাকে কালো দেখায়।

প্রশ্ন ৩। বেশি পাওয়ারের চশমায় চোখ লাগিয়ে দেখলে সব আঁকাবাঁকা লাগে কেন?
উত্তর: বেশি পাওয়ারের চশমায় লেন্স থাকে। লেন্সে আলোর প্রতিসরণ ঘটে। আলোর প্রতিসরণ ঘটার ফলে মাধ্যমের ঘনত্বের কারণে কখনো আলো বাইরের দিকে আবার কখনো ভেতরের দিকে বেঁকে যায়। আলোর এ ভেতরে বা বাইরে বেঁকে যাওয়ার কারণে সব বড় বড় এবং আঁকাবাঁকা লাগে।

প্রশ্ন ৪। রংধনু তৈরিতে আলোর প্রতিফলন, প্রতিসরণের মতো ঘটনাগুলোর কোনো ভূমিকা আছে কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: মাঝে মাঝে বৃষ্টির পর নানা রংয়ের ধনুক আকাশ জুড়ে দেখা যায়। নানা রংয়ের এই ধনুককে রংধনু বলে। রংধনুকে অনেক সময় রামধনু বা ইন্দ্রধনুও বলে। বৃষ্টি হওয়ার পর বাতাসে পানির কণা থাকে। এই পানির কণায় সূর্যের আলোর প্রতিফলন এবং প্রতিসরণের ফলে আকাশে সূর্যের বিপরীতে রংধনু দেখা যায়। পানির কণায় সূর্যের আলো পড়লে সেটা প্রতিফলিত হয়। সূর্যের আলো পানির কণার ভেতর দিয়ে প্রতিফলিত হওয়ার সময় সেটি সাত রংয়ে ভাগ হয়ে যায়। এ রংগুলো হলো বেগুনি, নীল, আসমানী বা আকাশি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। রংধনুতে এ সাতটি রং-ই পরপর ধনুকের মতো সাজানো থাকে।

প্রশ্ন ৫। কাগজে রং ঘষে মেশানোর চেষ্টা করলে সব রং মিলে কালো রং হয়ে যায় কেন?
উত্তর: সূর্যের সাদা আলো কোনো বস্তুর উপর পড়লে বস্তুটি যে রংটি প্রতিফলিত করে সেই রংয়েই আমরা বস্তুটিকে দেখতে পাই। বস্তুটি ঐ রং ছাড়া বাকি সব রং শোষণ করে ফেলে। আবার কোনো বস্তু যদি সকল রং ই শোষণ করে তবে তাকে কালো দেখায়। কাগজে রং ঘষে মেশানোর চেষ্টা করলে কোনো রং-ই আমাদের চোখে এসে পড়ে না। সব রংই শোষিত হয়। অর্থাৎ তাই এটি কালো দেখায়।

প্রশ্ন ৬। আয়নায় নিজের চেহারা দেখার সময় প্রতিফলিত চেহারায় ডান এবং বাম সব সময় অদল বদল হয়ে যায় কেন?
উত্তর: যে পথে চললে আলো সর্বনিম্ন সময়ে সর্বনিম্ন দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে আলো সে পথে চলতে চায়। আমার বামপাশ থেকে আলো আমার সাপেক্ষে আয়নার বামপাশে গেলে সর্বনিম্ন দূরত্ব বজায় থাকে। আমার সাপেক্ষে আয়নার বামপাশ হলো আয়নার নিজের ডানপাশ। অনুরূপভাবে আমার ডানপাশটা হবে আয়নার নিজের বামপাশ। এ কারণেই আয়নায় প্রতিফলিত চেহারায় ডান বামের অদল বদল হয়।

প্রশ্ন ৭। একটি সোজা দাঠিকে আংশিকভাবে পানিতে ডুবালে বাঁকা দেখায় কেন?
উত্তর: একটি লাঠিকে কাত করে পানিতে নিমজ্জিত করলে প্রতিসরণের কারণে লাঠিটি বাঁকা দেখা যায়। এক্ষেত্রে ঘন মাধ্যম পানি থেকে আলো প্রতিসরিত হয়ে হালকা বায়ু মাধ্যমে আমাদের চোখে প্রতিফলিত হয়। এতে লাঠিটির নিমজ্জিত অংশের প্রতিটি বিন্দু কিছুটা উপরে উঠে আসে। ফলে লাঠিটা বাঁকা দেখায়।

প্রশ্ন ৮। আলো ভিন্ন মাধ্যমে গতিপথ পরিবর্তন করে কেন?
উত্তর: আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এটি তার গতিপথের দিক পরিবর্তন করে। আলোর এই দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। আমরা জানি, আলো একটি নির্দিষ্ট স্বচ্ছ মাধ্যমে সরলরেখায় চলে। কিন্তু আলো যখন অন্য কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন সাথে সাথে এটি মাধ্যমের ঘনত্ব অনুসারে এর দিক পরিবর্তন করে। এর ফলে আলো ভিন্ন মাধ্যমে এর গতিপথ পরিবর্তন করে।

প্রশ্ন ৯। প্রকৃতপক্ষে সূর্যের আলো বর্ণহীন নয় কেন?
উত্তর: সূর্যের আলো যেটা বর্ণহীন কিংবা সাদা আলো সেটা আসলে বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল রং দিয়ে তৈরি। সবগুলো একত্রে মিশে থাকলে আমাদের চোখে সেটাকে বর্ণহীন বা সাদা রং হিসেবে দেখা যায়। সূর্যের আলোতে যে সাতটি রং আছে তা আমরা রংধনুতে দেখতে পাই। যেখানে সূর্যের আলো সাত রং-এ ভাগ হয়ে থাকে। তাই বলা যায়, প্রকৃতপক্ষে সূর্যের আলো বর্ণহীন নয়, তবে সকল বর্ণের মিশ্রণ।

প্রশ্ন ১০। জবা ফুল লাল হলেও সবুজ আলোতে কালো দেখায় কেন?
উত্তর: আমরা জবা ফুলকে লাল দেখি কারণ সবগুলো রঙের মিশ্রণে তৈরি সাদা রং যখন ফুলের উপর পড়ে তখন লাল রং ছাড়া সকল রং শোষিত হয়। কেবল লাল রং প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে এবং ফুলকে লাল দেখি। এই লাল ফুল যখন সবুজ আলোতে নিয়ে আসা হয় তখন সবুজ রংটা পাল ফুলে শোষিত হয়ে যায়। ফলে ফুস হতে কোনো রঙের আলোই বের হয় না তাই সেটা কালো দেখায়।

প্রশ্ন ১১। রংধনুতে রংগুলো খুবই নিয়মতান্ত্রিকভাবে সজ্জিত থাকে কেন?
উত্তর: রংধনুর সাতটি রঙের প্রতিটির একটি নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্য থাকে। সাতটি রঙকে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রমানুসারে সাজালে ক্রমটি হবে- বেগুনি নীল আসমানী → সবুজ হলুদ কমলা লাল। তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বেশি হলে প্রিজমের মধ্যে তাদের বেঁকে যাওয়ার পরিমাণও কম বেশি হয়। মানে বেঁকে যাওয়ার দিক থেকে সাতটি রং ও আলাদা। পদার্থবিদ্যার নিয়ম সবখানে সবসময় এক। তাই সবসময় লাল রং রংধনুর বৃত্তের বাইরে এবং বেগুনি রং বৃত্তের ভেতরের দিকে অবস্থান নেয়। অন্যান্য বর্ণগুলোও ক্রমান্বয়ে তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে বসে যায়।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ২য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১০ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১১ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৩ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৪ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।