|

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায়: এই শিখন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ এলাকায় পানির ব্যবহারের ধরন অনুসন্ধান করবে ও ভূ-গর্ভস্থ পানির অপচয় রোধে ব্যক্তিগত ব্যবহারের নীতিমালা প্রস্তাব করবে। প্রথমে চারপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে পানির উৎসের তালিকা থেকে নিরাপদ-অনিরাপদ পানির উৎসসমূহকে চিহ্নিত করবে। বাড়িতে পানির কোন উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করে, কীভাবে বিশুদ্ধ (ফিল্টার) করে, বা আদৌ বিশুদ্ধ করে কিনা সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে।

বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায়
বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায়

পানির বিভিন্ন উৎসের মধ্যে ভূ- পৃষ্ঠস্থ ও ভূ-গর্ভস্থ পানির উৎস আলাদা করবে। এবার এই বিভিন্ন উৎসের পানি কী কী উপায়ে বিশুদ্ধ করা যায় এবং ভূ- গর্ভস্থ পানির অপচয় কমাতে দৈনন্দিন কোন কোন ব্যবহারে ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি বিশুদ্ধ করে ব্যবহার করা সম্ভব সে বিষয়ে অনুসন্ধান করবে। সব শেষে পানি বিশুদ্ধকরণের একটা মডেল তৈরি করবে, যা ব্যবহার করে তারা পানির অপচয় কমাতে পারে। নিজেদের মডেল নিয়ে আলোচনা করবে এবং পানির অপচয় রোধে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করবে।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় কুইজ প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। পানির অপর নাম কী?
উত্তর: জীবন।

প্রশ্ন ২। পানির প্রধান উৎস কী?
উত্তর: বৃষ্টিপাত ।

প্রশ্ন ৩। আমরা দৈনন্দিন কাজে কোন ধরনের পানি ব্যবহার করি?
উত্তর: মিঠা পানি।

প্রশ্ন ৪। নলকূপের মাধ্যমে কোন ধরনের পানি উত্তোলন করা হয়?
উত্তর: ভূগর্ভস্থ।

প্রশ্ন ৫। মানবসৃষ্ট একটি পানির উৎসের নাম লেখ।
উত্তর: দিঘি।

প্রশ্ন ৬। নদীর পানি কোন পদ্ধতিতে বিশুদ্ধ করা যায়?
উত্তর: ফুটিয়ে ও ছাঁকন পদ্ধতিতে।

প্রশ্ন ৭। বালি ও কাদার মিশ্রণ পৃথক করার প্রক্রিয়ার নাম কী?
উত্তর: ছাঁকন।

প্রশ্ন ৯। দ্রবণের ভিতর থেকে অদ্রবণীয় কঠিন পদার্থের কণাগুলোকে আলাদা করা যায় কোন প্রক্রিয়ায়?
উত্তর: ছাঁকন।

প্রশ্ন ১০। স্যালাইন কোন ধরনের মিশ্রণ?
উত্তর: সমসত্ব।

প্রশ্ন ১১। অসমসত্ব মিশ্রণের ১টি উদাহরণ দাও।
উত্তর: খিচুড়ি।

প্রশ্ন ১২। যে মিশ্রণের উপাদানগুলো পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে পড়ে তাকে কী বলে?
উত্তর: সাসপেনশন।

প্রশ্ন ১৩। সসের বোতল কোন ধরনের মিশ্রণ?
উত্তর: সাসপেনশন।

প্রশ্ন ১৪। দুধ কোন ধরনের মিশ্রণ?
উত্তর: কলয়েড।

প্রশ্ন ১৫। সমুদ্রের পানি কোন ধরনের মিশ্রণ?
উত্তর: সমসত্ব।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। মিশ্রণ কাকে বলে?
উত্তর: দুই বা ততোধিক পদার্থ একটি অপরটির সঙ্গে মিশে থাকাকে মিশ্রণ বলে।

প্রশ্ন ২। মিশ্রণের প্রকারভেদ লিখ।
উত্তর: মিশ্রণ সাধারণত দুই (২) প্রকার। যথা: ১. সমসত্ব মিশ্রণ ও ২. অসমসত্ব মিশ্রণ।

প্রশ্ন ৩। দ্রবণ কাকে বলে?
উত্তর: যখন দুটি বস্তু পরস্পরের সঙ্গে পুরোপুরি মিশে সমসত্ব মিশ্রণ তৈরি করে তখন তাকে দ্ৰবণ বলে।

প্রশ্ন ৪। পানি চক্র কাকে বলে?
উত্তর: সাগর থেকে পানি বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে, বায়ুমণ্ডল হতে বাষ্পীভূত পানি ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিতে পরিণত হয় আবার সেই বৃষ্টির পানি নদীতে প্রবাহিত হয়ে সাগরে এসে পড়ে পানির এ চক্রকে পানি চক্র বলা হয়।

প্রশ্ন ৫। লঘু দ্ৰবণ কী?
উত্তর: যে দ্রবণে দ্রবের পরিমাণ তুলনামূলক কম তাকে লঘু দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন ৬। গাঢ় দ্রবণ কী?
উত্তর: যে দ্রবণে দ্রবের তুলনায় দ্রাবকের পরিমাণ কম থাকে তাকে গাঢ় দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন ৭। সম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?
উত্তর: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকের মধ্যে যদি দ্রাবকের ধারণ ক্ষমতার পুরোটাই দ্রব দ্বারা পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে ঐ দ্রবণকে সম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন ৮। অসম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?
উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ যদি দ্রাবকের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার চেয়ে কম হয় তাহলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন ৯। সার্বজনীন দ্রাবক কী?
উত্তর: সার্বজনীন দ্রাবক বলতে এমন একটি দ্রাবককে বোঝায় যেটি সকল প্রকার পদার্থকে দ্রবীভূত করতে পারে।

প্রশ্ন ১০। পানিবিহীন দ্রবণ কি?
উত্তর: যে দ্রবণে দ্রাবক হিসেবে পানি ব্যবহার করা হয় না, তাকে পানিবিহীন দ্রবণ বলা হয়।

প্রশ্ন ১১। তরল গ্যাস দ্রবণ কাকে বলে?
উত্তর: যে দ্রবণের দ্রাবক হচ্ছে তরল এবং দ্রব হচ্ছে গ্যাসীয় পদার্থ, তাকে তরল গ্যাস দ্রবণ বলা হয়।

প্রশ্ন ১২। সাসপেনশন কাকে বলে?
উত্তর: যেসব মিশ্রণ কিছু সময় রেখে দিলে তার উপাদানগুলো পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে পড়ে সেসব মিশ্রণকে সাসপেনশন বলে।

প্রশ্ন ১৩। অ্যারোসল কী?
উত্তর: অ্যারোসল হলো তরল কীটনাশক। এটি কলয়েডধর্মী পদার্থ যেখানে পোকামাকড় প্রতিরোধী তরল পদার্থ বাতাসে ভাসমান অবস্থায় থাকে।

প্রশ্ন ১৪। দূষক কী?
উত্তর: পরিবেশ দূষণের জন্য যে সকল উপাদান দায়ী তাদেরকে দূষক বলে। অর্থাৎ যেসব পদার্থ দূষণ ঘটায় সেগুলোই দূষক।

প্রশ্ন ১৫। পাতন কাকে বলে?
উত্তর: কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ, পাতন = বাষ্পীভবন+ঘনীভবন।

প্রশ্ন ১৬। বাষ্পীকরণ কী?
উত্তর: কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।

প্রশ্ন ১৭। ডিক্যান্টেশন কী?
উত্তর: ডিক্যাস্টেশন হলো একটি পৃথকীকরণ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে পরস্পর অমিশ্রণীয় তরল অথবা সাসপেনশনের মত তরল, কঠিন মিশ্রণ আলাদা করা হয়।

প্রশ্ন ১৮। কিশমিশ পানিতে ডুবে গেলেও মধুতে ভেসে থাকে কেন?
উত্তর: কিশমিশের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি হলেও মধুর ঘনত্বের চেয়ে কম। তাই কিশমিশ পানিতে ডুবে গেলেও মধুতে ভেসে থাকে।


বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় বড় প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। আমাদের ব্যবহৃত পানির উৎস ও তার ব্যবহার সম্পর্কে লিখ।
উত্তর: আমাদের বাসাবাড়ি বা অন্যত্র যে পানি ব্যবহার করা হয় তাহলো মিঠা পানি। এ পানি ভূগর্ভস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ উৎস থেকে পাওয়া যায়। ভূগর্ভস্থ পানি গভীর-অগভীর নলকূপ, কুয়া থেকে উত্তোলন করা হয়। অন্যদিকে ভূপৃষ্ঠস্থ পানি বৃষ্টিপাত, খাল-বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়, পুকুর, জলাশয়, করনা, হ্রদ ইত্যাদি থেকে পাওয়া যায়।

পানি মূলত দুই প্রকার মিঠা পানি ও লবণাক্ত পানি। মিঠা পানি আমরা খাবারের কাজে ব্যবহার করি, এছাড়াও গোসল করা, রান্না বান্না, কাপড় ধোয়া, হাঁড়ি-পাতিল ধোয়া, শাক-সবজি ধোয়া, ফলমূল ধোয়া, খালা-বাসন ধোয়াসহ গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজে মিঠা পানি ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষি জমিতে সেচ কাজেও মিঠা পানি ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন ২। তোমার এলাকার যেকোনো একটা জলাশয় বেছে নাও যেখানের পানি অপেক্ষাকৃত পরিষ্কার। এখন ভেবে দেখো, এখানকার পানি কীভাবে বিশুদ্ধ করে ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব? কোন কোন কাজে এই পরিষ্কার পানি ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: আমার এলাকার জলাশয় হিসেবে একটি দিঘি বেছে নিলাম। এ দিঘিটি অনেক বড় এবং এর পানি অপেক্ষাকৃত পরিষ্কার। এ দিঘির পানি বিশুদ্ধ করে খাবার ও রান্না বান্নার কাজে ব্যবহার করা সম্ভব। দিঘির পানি বিশুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে প্রথমে দিঘি থেকে পানি সংগ্রহ করব। এরপর এ পানিকে ছাঁকন পদ্ধতির মাধ্যমে বালি ও কাদার মিশ্রণ পৃথক করতে হবে। পৃথককৃত পরিষ্কার পানি ভালোভাবে ফুটানো বা পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ব্যবহার করে বিশুদ্ধ করে তা ব্যবহার করা যাবে।

খাবার ও রান্নাবান্না ছাড়া এই পরিষ্কার পানি আর যে যে কাজে ব্যবহার করা যাবে তা হলো-
১. গোসল করা।
২. থালাবাসন ধোয়া।
৩. কাপড় কাচা
৪. ঘর মোছা।
৫. গবাদি পশুর পানযোগ্য হিসেবে।

প্রশ্ন ৩। একটা কাচের গ্লাসে চিনি-পানির দ্রবণ এবং অন্য একটা কাচের গ্লাসে শুধু দুধ নিয়ে তার মধ্যে টর্চ দিয়ে আলো চালনা করলে কী ঘটবে?
উত্তর: দুধ হলো কলয়েড এর মিশ্রণ। যখন আলো একটি সত্যিকারের দ্রবণের মধ্য দিয়ে যায়, তখন আলোটি দৃশ্যমান হবে না, কিন্তু যখন কলয়েডের মধ্য দিয়ে যাবে, তখন আলোক রশ্মি কলয়েডের সূক্ষ্ম কণাগুলো থেকে বিচ্ছুরিত হবে বলে মিশ্রণের ভেতরে সেটা দেখা যাবে। তাই দুধ কলয়েড এর মিশ্রণ বলে আলোকরশ্মি দুধের সূক্ষ্ম কণাগুলো থেকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে বলে দুধের ভেতর সেটা দেখা যাবে।

প্রশ্ন ৫। চুনের পানি সাসপেনশন কেন?
উত্তর: সাসপেনশন হলো এমন এক ধরনের দ্রবণ যেখানে কঠিন দুব পদার্থটি তরল দ্রাবকে দ্রবীভূত হয় না। চুনে পানি যোগ করলে উৎপন্ন চুনের পানিতে চুন অদ্রবণীয় অবস্থায় থাকে। কিছু সময় দ্রবণটি রেখে দিলে চুনের কণা পাত্রের নিচে তলানী হিসেবে জমা হবে। তাই চুনের পানিকে সাসপেনশন বলা হয়।

প্রশ্ন ৬। কোনো ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার আগে ওষুধের বোতল ঝাঁকিয়ে নেওয়া হয় কেন?
উত্তর: কোনো ক্ষেত্রে ওষুধ খাওয়ার আগে ওষুধের বোতল ঝাকিয়ে নেওয়া হয় কারণ সেই ওষুধটি একটি সাসপেনশন। এটি এক ধরনের মিশ্রণ যা অনেকক্ষণ রেখে দিলে উপাদানসমূহ আংশিকভাবে আলাদা হয়ে যায় এবং বোতলের নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়। এ অবস্থায় ঐ বোতলের ওষুধ খেলে তা সঠিকভাবে কাজ করে না। তাই ওষুধ সেবনের পূর্বে উপাদানগুলো সুষমভাবে মিশিয়ে নেওয়ার জন্য ওষুধের বোতল ঝাকিয়ে নেওয়া হয়।

প্রশ্ন ৭। দ্রবণের বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর: দ্রবণের বৈশিষ্টা নিম্নরূপ:
১. দুই বা ততোধিক পদার্থের সমসত্ব মিশ্রণই দ্রবণ।
২. কণার আকার ০.১ ন্যানোমিটার – ২ ন্যানোমিটার।

৩. দ্রবণে দ্রাবকের মধ্যে দ্রব দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
৪. রেখে দিলে পাত্রের নিচে তলানী পড়ে না।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ২য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১০ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১১ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি বিজ্ঞান অনুশীলন বই ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১২ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।