|

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায়: যোগাযোগ হচ্ছে তথ্য আদান-প্রদানের একটি মাধ্যম বা উপায়। যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের মনের ভাব, চিন্তাধারা, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ইত্যাদি একে অপরের সাথে আদান-প্রদান করতে পারি। আমাদের যোগাযোগের ধরন মৌখিক, লিখিত ও অমৌখিক বা সাংকেতিক হতে পারে। আমরা যখন সামনা-সামনি একে অন্যের সঙ্গে কথা বলি বা মৌখিক যোগাযোগ করি, তখন শব্দের সৃষ্টি হয় এবং এই শব্দ প্রবাহিত হয় বাতাসের মাধ্যমে। তাই মৌখিক যোগাযোগের মাধ্যম হচ্ছে বাতাস।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায়
ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায়

আবার আমরা যখন ডিজিটাল মাধ্যমে যোগাযোগ করি তখন বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম যেমন- ইমেইল, – ওয়েবসাইট, ভিডিও কল, ডয়েস কল/রেকর্ড করা ভয়েস, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভার্চুয়াল মিটিং ইত্যাদি ব্যবহার করি। এই শিখন অভিজ্ঞতা থেকে আমরা যোগাযোগের আরো কিছু নিয়ম-কানুন ও শিষ্টাচার সম্পর্কে জানতে পারবো।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০১

যোগাযোগ
বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যে প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের মনের ভাব, চিন্তাধারা, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ইত্যাদি একে অপরের সাথে আদান-প্রদান করি তাকে যোগাযোগ বলে। সহজভাবে বলতে পারি যোগাযোগ হচ্ছে তথ্য আদান-প্রদানের একটি মাধ্যম বা উপায়। এটি হতে পারে মানুষ থেকে মানুষ কিংবা যন্ত্র থেকে যন্ত্র। যেমন— টেলিযোগাযোগ, ই-মেইল, মৌখিক যোগাযোগ, লিখিত যোগাযোগ ইত্যাদি।

মৌখিক যোগাযোগ
কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য শব্দের মৌখিক প্রকাশের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করা হলে তাকে মৌখিক যোগাযোগ বলে। যেমন- বিদ্যালয়ে আমরা সহপাঠিদের সাথে সরাসরি কথা বলি।

লিখিত যোগাযোগ
কোনো উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে শব্দ ও বাক্য লিখে মনের ভাব প্রকাশ ও বিনিময় করা হলে তাকে লিখিত যোগাযোগ বলে। যেমন- চিঠিপত্র, নোটিশ ইত্যাদি।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০১ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যোগাযোগ কী?
উত্তর: বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যে প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের মনের ভাব, চিন্তাধারা, অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ইত্যাদি একে অপরের সাথে আদান-প্রদান করি তাকে যোগাযোগ বলে।

প্রশ্ন-২ মৌখিক যোগাযোগ কী?
উত্তর: কোনো উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য শব্দের মৌখিক প্রকাশের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করা হলে তাকে মৌখিক যোগাযোগ বলে।

আরও পড়ুন>> ন্যানো টেকনোলজি কি: ন্যানো টেকনোলজির ব্যবহার, সুবিধা, অসুবিধা


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০২

মাধ্যম
যে প্রক্রিয়ায় তথ্যসমূহ এক স্থান হতে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় তাকে মাধ্যম বলে। যেমন— কম্পিউটার, মোবাইলফোন, টেলিফোন ইত্যাদি।

ব্লগ
ব্লগ হলো এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন।

ভার্চুয়াল ক্লাসরুম
সরাসরি ক্লাসে উপস্থিত না থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীর দূর দূরান্তে বসে ভিডিও কলে যুক্ত থেকে ক্লাসে অংশগ্রহণ করাকে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম বলে। যেমন— আমি বাংলাদেশে বসে যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হয়ে শিক্ষালাভ করতে পারি।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০২ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. মাধ্যম কী?
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় তথ্যসমূহ এক স্থান হতে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় তাকে মাধ্যম বলে।

প্রশ্ন-২. ব্লগ কী?
উত্তর: ব্লগ হলো এক ধরনের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৩

বার্তা
যে কোনো ধারণা বা চিন্তা, যা কোনো ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করে এক পক্ষ থেকে আরেক পক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয় তাকে বার্তা বলে।

ট্রাফিক নিয়মকানুন
যে সকল সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে রাস্তায় যানবাহন ও মানুষ চলাচল করে, সেই নিয়মকানুনগুলোকে ট্রাফিক নিয়মকানুন বলে। যেমন— রাস্তায় গাড়ি চলাকালীন সময়ে যদি ট্রাফিক সিগন্যাল লাল প্রদর্শন করে, সেক্ষেত্রে গাড়ি থামাতে হয়। হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে যাত্রার প্রস্তুতি এবং সবুজ বাতি জ্বলে উঠলে গাড়ি নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়।

জেব্রাক্রসিং
পথচারীর রাস্তা পার হওয়ার জন্য রাস্তার মাঝে সাদা কালো আড়াআড়ি ভাবে যে দাগ থাকে তাকে জেব্রাক্রসিং বলে। মানুষের সমাগম বা ভিড় বেশি এমন স্থানে রাস্তা পারাপারের জন্য জেব্রাক্রসিং ব্যবহার করা হয়।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৩ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১: বার্তা কী?
উত্তর: যে কোনো ধারণা বা চিন্তা, যা কোনো ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করে এক পক্ষ থেকে আরেক পক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়, তাকে বার্তা বলে।

প্রশ্ন-২. ট্রাফিক সিগন্যালে সাধারণত কয় ধরনের বাতি ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: ট্রাফিক সিগন্যালে সাধারণত তিন ধরনের বাতি ব্যবহৃত হয়। যেমন- লাল, হলুদ, সবুজ।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৪

ই-মেইলের সুবিধা
১. আমরা দ্রুত সময়ে যোগাযোগ করতে পারি।
২. একই সঙ্গে একের অধিক ব্যক্তিকে একই মেইল পাঠাতে পারি।
৩. অনেক কম খরচে যোগাযোগ করতে পারি।
৪. নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ ই-মেইলে পাঠানো তথ্য দেখতে পায় না।
৫. ই-মেইলে বড় কোনো ফাইল বা ছবি যুক্ত করে প্রেরণ করা যায়।
৬. ই-মেইলের মাধ্যমে নিজের অনলাইন সার্ভিসগুলোর ভেরিফিকেশন করা যায়।
৭. ই-মেইলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে দ্রুত সময়ে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।

ইমোজি
ইমোজি হলো একটি ভাব নির্দেশক চিহ্ন বা ছোট ছবি যা প্রেরকের মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে। সাধারণত বেশি কথা বা অনুভূতি অল্প কথায় প্রকাশ করতে ইমোজি ব্যবহার করা হয়। অনেক ধরনের ইমোজি রয়েছে যেমন- মজার ইমোজি, হাসির ইমোজি, দুঃখের ইমোজি ইত্যাদি।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৪ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. কোনটির মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তিকে ডিজিটাল চিঠি দেওয়া যায়?
উত্তর: ই-মেইলের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক ব্যক্তিকে একই ডিজিটাল চিঠি দেওয়া যায়।

প্রশ্ন-২. ইমোজি কী?
উত্তর: ইমোজি হলো একটি ভাব নির্দেশক চিহ্ন বা ছোট ছবি যা প্রেরকের মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৫

পোস্টকোড
চিঠিকে প্রয়োজনীয় ডাকঘরের ঠিকানায় পাঠানোর জন্য চিঠির খামে নির্দিষ্ট কিছু অক্ষর বা অঙ্কের ক্রম ব্যবহার করা হয়। এদেরকে পোস্টকোড বলা হয়। যেমন- ঢাকা-১২০০ একটি পোস্টকোড এবং এটির মাধ্যমে পোস্ট অফিসকে শনাক্ত করা যায়।

অ্যাটাচমেন্ট
কোনো ইলেকট্রনিক বার্তা প্রেরণের সময় তার সাথে কোনো ফাইল, যেমন- ছবি, ডকুমেন্ট, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি সংযুক্ত করাকে অ্যাটাচমেন্ট বলে। ধরো তুমি তোমার বন্ধুকে একটি শুভেচ্ছা কার্ড পাঠাবে। এক্ষেত্রে তোমার কার্ডটিকে সফট কপি আকারে নিয়ে ই- মেইলের অ্যাটাচমেন্ট বাটনে ক্লিক করে সেটিকে সংযুক্ত করতে পারবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সেশন ০৫ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. পোস্টকোড কী?
উত্তর: যেকোনো এলাকার ডাকঘর সহজে খুঁজে বের করতে যে কোড ব্যবহৃত হয়, সেটিই পোস্টকোড।

প্রশ্ন-২. ই-মেইলে কোন কোন ফাইল অ্যাটাচমেন্ট করা যায়?
উত্তর: ই-মেইলে ছবি, ডকুমেন্ট, অডিও-ভিডিও ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সত্য ও মিথ্যা যাচাই

১. অপরিচিত কারও সাথে কথা বলতে প্রথমে নিজের পরিচয় দিতে হয়।
২. দুই বন্ধুর মধ্যে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়ে থাকে।
৩. ভার্চুয়াল মিটিং হলো ইন্টারনেট ভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম।

৪. ইমেইল একটি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ মাধ্যম।
৫. ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে অনেক সময় লাগে।
৬. দাপ্তরিক বা অফিসিয়াল যোগাযোগে ইমোজি ব্যবহার করা উচিৎ নয়।

উত্তর: ১. সত্য; ২. মিথ্যা; ৩. সত্য; ৪. সত্য; ৫. মিথ্যা; ৬. সত্য;


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণমূলক প্রশ্নোত্তর

১. সোহান পড়াশোনা বিষয়ে শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলেন। আবার খেলাধুলা বিষয়ে বন্ধু রাসেলের সাথে কথা বললেন। সোহানের মধ্যে কী কী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: সোহানের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। শিক্ষক, অপরিচিত বা অল্প পরিচিত ব্যক্তি, বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি এদের সঙ্গে যে যোগাযোগ বা কথা-বার্তা হয়, তাকে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বলে। আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু বিধিবদ্ধ শিষ্টাচার বজায় রেখে উপযুক্ত আচরণের মাধ্যমে কথোপকথন বা যোগাযোগ করতে হয়।

যেহেতু, সোহান পড়াশোনা নিয়ে শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করেছেন। তাই শিক্ষকের সাথে সোহানের যোগাযোগ হচ্ছে আনুষ্ঠানিক। অপরদিকে, ভাই-বোন, বাবা-মা, কাছের আত্মীয়, বন্ধু এদের সঙ্গে যে যোগাযোগ হয় সেটিকে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ বলে। অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তেমন কোনো নিয়মকানুনের বাধ্যবাধকতা থাকে না। যেহেতু সোহান তার বন্ধুর সাথে খেলাধুলা নিয়ে কথা-বার্তা বলেছে। তাই বন্ধুর সাথে সোহানের যোগাযোগ হচ্ছে অনানুষ্ঠানিক।

২. মনে করো, তুমি একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছো। সেখানে একজন অপরিচিত ভদ্রলোক তোমার সাথে কথা বলতে চায়। এক্ষেত্রে তোমার করণীয় কি? মতামত দাও।
উত্তর: তিনি অপরিচিত হলেও, যেহেতু তিনি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় একজন দর্শক হিসেবে এসেছেন অবশ্যই তার সাথে আমার কথা বলা উচিত। এক্ষেত্রে আমার করণীয় হবে, প্রথমে আমার নিজের পরিচয় দেওয়া, তারপর কেন তিনি কথা বলতে চায় তার উদ্দেশ্য বা কারণ জানা। এরপর তিনি আমাকে বসতে বললে বসবো বা তার অনুমতি নিয়ে বসবো। আমাদের কথা বলা, কথার মধ্যে শব্দের ব্যবহার এবং শারীরিক ভাষা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা উচিৎ যাতে তিনি কোনো অস্বস্তি বা বিরক্তিবোধ না করেন।

৩. অভি একটি অঙ্কের সমস্যা নিয়ে ম্যাডামের সাথে সরাসরি কথা বলল। আবার বিদেশে বড় ভাইয়ের সাথে ভিডিও কলে কথা বলল। অভির মধ্যে কয় ধরনের যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহৃত হয়েছে? ব্যাখ্যা দাও।
উত্তর: অভির মধ্যে দুই ধরনের যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহৃত হয়েছে, প্রথমটি বাতাস এবং দ্বিতীয়টি অনলাইন মাধ্যম। আমরা যখন কারো সাথে মৌখিক যোগাযোগ করে থাকি, তখন শব্দের সৃষ্টি হয় এবং এই শব্দ প্রবাহিত হয় বাতাসের মাধ্যমে। তাই বাতাস হচ্ছে একটি মাধ্যম। যা অভি ব্যবহার করে শিক্ষকের সাথে সরাসরি কথা বলেছে।

অপরদিকে, ইন্টারনেট সুবিধা নিয়ে যে মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠে সেটিকে অনলাইন মাধ্যম বলে। অনলাইন মাধ্যমগুলো হলো ই-মেইল, ওয়েবসাইট, ভিডিও কল, ভয়েস কল/ রেকর্ড করা ভয়েস, চ্যাট মেসেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ব্লগ, ভুগ, ভার্চুয়াল মিটিং/ক্লাসরুম ইত্যাদি। তাই ভিডিও কল হলো অনলাইন মাধ্যম, যা ব্যবহার করে অভি ভাইয়ের সাথে কথা বলেছে।


ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় সঠিক উত্তর বাছাই

১. সম্পর্ক ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ- ২/৩/৪/৫ ধরনের।
২. আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ হয়ে থাকে বাবা মা/ভাই-বোন/বন্ধু/শিক্ষকের সঙ্গে।
৩. ইন্টারনেট ভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো— রেডিও/ টেলিভিশন/ টেলিফোন/ ইমেইল।

৪. গুগল/ জিমেইল/ইয়াহু/ আউটলুক— ইমেইল সেবা নয়।
5. Inbox/Sent/Spam/Draft বক্সে না পাঠানো ই-মেইল সেইড বা জমা রাখা যায়।

উত্তর: ১. ২; ২. শিক্ষকের; ৩. ইমেইল; ৪. গুগল; ৫. Draft;


যোগাযোগের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের তুলনামূলক পার্থক্য

আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ
ক. শিক্ষক, অপরিচিত বা অল্প পরিচিত ব্যক্তি, বায়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যে যোগাযোগ হয় সেটিই আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
খ. আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু বিধিবদ্ধ শিষ্টাচার বজায় রেখে উপযুক্ত আচরণের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে হয়।

অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ
ক. ভাই-বোন, বাবা-মা, কাছের আত্মীয়, বন্ধু এদের সঙ্গে যে যোগাযোগ হয় সেটিই অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
খ. অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তেমন কোনো নিয়ম- কানুনের বাধ্যবাধকতা থাকে না।


সাধারণ যোগাযোগ ও ডিজিটাল যোগাযোগ তুলনামূলক পার্থক্য

সাধারণ যোগাযোগ
ক. যে যোগাযোগে সাধারণত হাতে লেখা চিঠি, সাংকেতিক চিহ্ন ও মৌখিকভাবে সরাসরি উপস্থিত থাকার মাধ্যমে যে যোগাযোগ করা হয় সেটিই সাধারণ যোগাযোগ।
খ. সাধারণ যোগাযোগের মাধ্যম হতে পারে বাতাস, লিখিত চিঠি, মানুষ ইত্যাদি।
গ. সাধারণ যোগাযোগে মৌখিক কথা-বার্তা বলতে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হয়।
ঘ. সাধারণ যোগাযোগে চিঠিপত্র আদান-প্রদানে বেশি সময় লাগে।

ডিজিটাল যোগাযোগ
ক. যে যোগাযোগে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট ব্যবহার হয় সেটিই ডিজিটাল যোগাযোগ।
খ. ডিজিটাল যোগাযোগের মাধ্যমে হচ্ছে ই-মেইল, ওয়েবসাইট, ভিডিও কল, চ্যাট মেসেজ, সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট, ব্লগ ইত্যাদি।
গ. ডিজিটাল যোগাযোগে কথা-বার্তা বলতে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হয় না।
ঘ. ডিজিটাল যোগাযোগে চিঠিপত্র আদান-প্রদানে খুবই কম সময় লাগে।


আরও দেখুন: ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩


আশাকরি “ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।