|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায়: পৃথিবীতে আমরা আকাশে সারা বছর বিভিন্ন রকম মেঘ দেখতে পাই। বর্ষাকালে আকাশ একটু বেশি মেঘলা থাকে এবং এলাকাভেদে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মেঘ মূলত পানির অতি ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত হওয়ায় এরকম হয়ে থাকে। পৃথিবীর পৃষ্ঠ দেশের তিনভাগই পানি এবং মাত্র একভাগ স্থল।

আদি পৃথিবীর উত্তপ্ত তরল উপরিভাগ ধীরে ক্রমাগত ঠান্ডা হওয়ার ফলে সৃষ্টি হয়েছে বর্তমান কঠিন ভূ-ত্বক। কিন্তু এর উপরিভাগ কঠিন এবং শীতল হলেও ভূ-ত্বকের নিচের অর্থাৎ পৃথিবীর অভ্যন্তর এখনও উত্তপ্ত। ভূ-ত্বকের পরের স্তরটির নাম ম্যান্টল। ভূ-ত্বক এবং ম্যান্টলের উপরের কঠিন অংশ নিয়ে যে লিথোমণ্ডল গঠিত, সেটি তার নিচের ম্যান্টলের অপেক্ষাকৃত তরল বা সঞ্চালনশীল অংশের উপর অতি ধীরে গতিশীল রয়েছে। লিথোমণ্ডল অনেকগুলো মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটে বিভক্ত। এ সকল প্লেটে নানান দিকে গতিশী তাকে প্লেট টেকটোনিক বলা হয়।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সত্য/মিথ্যা নির্ণয়

১. বর্ষাকালে আকাশ পরিষ্কার থাকে এবং এলাকাভেদে বৃষ্টিপাত কম হয় ।
২. পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মেঘ মূলত পানির ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত।
৩. সূর্য একটি নক্ষত্র যা সৌরজগতে বিদ্যমান থাকে।
৪. প্রাথমিক অবস্থায় পৃথিবী অনেক ঠান্ডা ছিল।
৫. ভূতাত্ত্বিকরা সিসমিক ওয়েভের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের ধারণা লাভ করেন।

৬. পৃথিবীর সবচেয়ে উপরের স্তরকে ম্যান্টল বলে।
৭. পৃথিবীর প্রায় ৭০% ম্যান্টল দ্বারা গঠিত।
৮. টেকটোনিক প্লেটের গতিবিধির কারণে পর্বতমালা সৃষ্টি হয়।
৯. পৃথিবীর অভ্যন্তরে অন্তঃস্থ মজ্জা বিদ্যমান।
১০. লিথোমণ্ডল মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটে বিভক্ত নয়।

১১. প্রায় ২৫ কোটি বছর পূর্বে প্যাঞ্জিয়া নামক একটি বৃহৎ মহাদেশ ছিল।
১২. টেথিস সার সৃষ্টি হতে ৫০০ বছর সময় লেগেছে।
১৩. দুধের সরের গতিশীলতা বেশি কিন্তু টেকটোনিক প্লেটের গতিশীলতা কম।
১৪. পৃথিবীর বাইরের মহাকাশে কোনো মেঘ নেই।
১৫. মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু অন্য আরেকটি বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

উত্তর: ১. মিথ্যা, ২. সত্য, ৩. সত্য, ৪. মিথ্যা, ৫. সত্য, ৬. মিথ্যা, ৭. মিথ্যা, ৮. সত্য, ৯. সত্য, ১০. মিথ্যা, ১১. সত্য, ১২. মিথ্যা, ১৩. সত্য, ১৪. মিথ্যা, ১৫. সত্য।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। নেবুলা কী?
উত্তর: পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে একধরনের যে মেঘ বিদ্যমান থাকে তাই নেবুলা।

প্রশ্ন-২। নেবুলা কী দিয়ে তৈরি হয়?
উত্তর: হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে নেবুলা তৈরি হয়।

প্রশ্ন-৩। ক্লাস্ট কী?
উত্তর: ক্রাস্ট হলো পৃথিবীর সব থেকে উপরের স্তর বা ভূ-ত্বক।

প্রশ্ন-৪। ম্যান্টল কী?
উত্তর: ভূ-ত্বকের পরের স্তরটি হলো ম্যান্টল।

প্রশ্ন-৫। টেকটোনিক প্লেট কাকে বলে?
উত্তর: লিথোস্ফেয়ার স্তরটি বড় বড় কয়েকটি টুকরায় বিভক্ত হয়। এই টুকরোগুলোকে টেকটোনিক প্লেট বলে।

প্রশ্ন-৬। মহাদেশ কী?
উত্তর: পৃথিবীর সমুদ্রের পানির উপরে অবস্থিত স্থলভাগ অংশ হলো মহাদেশ।

প্রশ্ন-৭। প্যাঞ্জিয়া কী?
উত্তর: প্রায় ২৫ কোটি বছর পূর্বে পৃথিবীর সকল মহাদেশ মিলে একটি বৃহৎ মহাদেশ বিদ্যমান ছিল, যার নাম প্যাঞ্জিয়া।

প্রশ্ন-৮। টেকটোনিক প্লেটগুলো বিভিন্ন দিকে গতিশীল হয় কেন?
উত্তর: ম্যান্টলের মধ্যে যে পরিচলন স্রোত কাজ করে, তার কারণে তার উপর ভাসমান টেকটোনিক প্লেটগুলো গতিশীল হয়।

প্রশ্ন-৯। অপসারী প্লেট সীমানা কাকে বলে?
উত্তর: টেকটোনিক প্লেটগুলো যখন একটি অপরটি থেকে দূরে সরে যেতে থাকে তখন সেগুলোর সীমানাকে অপসারী প্লেট সীমানা বলে।

প্রশ্ন-১০। নিরপেক্ষ প্লেট সীমানা কাকে বলে?
উত্তর: একটি প্লেট অপরটির সাথে পাশাপাশি পিছলে যেতে পারে তখন দুটো প্লেটের সংযোগস্থলকে নিরপেক্ষ প্লেট সীমানা বলে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। প্রায় ৫০০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র সূর্য সৃষ্টি হয়েছে। সূর্যের উৎপত্তির পর ধীরে ধীরে পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহ, উপগ্রহ, উল্কা, ধূমকেতু তৈরি হয়। কীভাবে সূর্য নক্ষত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
উত্তর: পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস ছাড়াও অন্যান্য মৌল দিয়ে তৈরি নেবুলা এক ধরনের মেঘ। এটির কেন্দ্রে যেখানে গ্যাস ঘন অবস্থায় বা গ্যাসের অণু-পরমাণুগুলো কাছাকাছি ছিল। মহাবিশ্বের অন্যান্য বস্তুদ্বয়ের আকর্ষণের মাধ্যম মহাকর্ষ বলের কারণে সেখানে বাকি গ্যাস জড়ো হতে শুরু করে।

নেবুলার গ্যাস ক্রমাগত জড়ো হওয়ার কারণে কেন্দ্রে ভর বাড়তে থাকে। এ সময় সেখানে আরো বেশি গ্যাস ও মহাজাগতিক ধূলিকণা আকর্ষণ করতে থাকে। একপর্যায়ে সেখানে তাপ ও চাপের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ার ফলে ফিউশন নামক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ ও আলো সৃষ্টি হতে থাকে। এভাবে সূর্য একটি নক্ষত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

প্রশ্ন-২। পৃথিবীর গঠনের সঙ্গে ডিমের গঠনের কী ধরনের মিল খুঁজে পাওয়া যায়?
উত্তর: পৃথিবীর গঠনের সঙ্গে ডিমের গঠনে বেশকিছু মিল রয়েছে। ডিমের যে রকম বাইরে খুবই পাতলা একটি শক্ত খোসা, তেমনি পৃথিবীর বাইরে রয়েছে ভূত্বক। খোসার পরে ডিমের যে রকম রয়েছে ভেতরের সাদা অংশ পৃথিবীর অভ্যন্তরেও একই রকম ভূ-আচ্ছাদন বা ম্যান্টল রয়েছে। আবার ডিমের মাঝখানের অংশ কুসুমের মতো পৃথিবীর কেন্দ্রেও তার মজ্জা বা কোর রয়েছে। অর্থাৎ ও ডিমের গঠনের মধ্যে যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রশ্ন-৩। তাপ বাড়ালে পদার্থ গলে তরলে পরিণত হয় এবং আয়তন বাড়ে। আবার চাপ বাড়ালে পদার্থের আয়তন কমে। পৃথিবীর অভ্যন্তরে চাপ ও তাপ উভয়ই খুব বেশি। তাহলে সেখানে পদার্থ কী অবস্থায় আছে?
উত্তর: পৃথিবীর অভ্যন্তরে যত নিচে যাওয়া যায় পদার্থের চাপ তত বাড়ে। চাপ বাড়লে পদার্থের ঘনত্ব যেমন বেড়ে যায় তেমনি বেশি ঘনত্বের পদার্থ চাপ দেয় বেশি। ফলে ক্রমশ চাপ ও তাপ বেড়ে যাওয়ায় পৃথিবীর অভ্যন্তরের পদার্থগুলো কঠিন, তরল বা অর্ধতরল ভিন্নভাবে থাকে।

প্রশ্ন-৪। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে বসবাস করা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণ কী হতে পারে বলে তুমি মনে কর?
উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের ভেতর দিয়ে চলে যাওয়া সান এন্ড্রিয়াজ ফন্ট লাইন বরাবর দুটি প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে। একটি প্লেট অপরটির সঙ্গে পাশাপাশি পিছলে যাওয়ায় এদের সংযোগস্থলে প্রচুর শক্তি সঞ্চিত হয়। যখন সেই শক্তি প্লেটের সীমানার ধারণ ক্ষমতার বেশি হয় তখন ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার মাধ্যমে শক্তি নির্গত হয়। এই সীমানায় বিপুল পরিমাণ শক্তি জমা আছে বলে ধারণা করা হয় এবং যে কোনো সময়ে বড় মাত্রার একটি ভূমিকম্পের মাধ্যমে বহু মানুষ হতাহত ছাড়াও দালানকৌঠা ধ্বংসের আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে বসবাস করা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণ বলে আমি মনে করি।

প্রশ্ন-৫। বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট কীভাবে তৈরি হয়েছে?
উত্তর: পৃথিবীর সবচেয়ে উপরের স্তর ভূত্বক এবং এটির নিচের স্তর নিয়ে তৈরি কঠিন অংশটি হলো লিথোস্ফিয়ার । ভূ-অভ্যন্তরের এ অংশে বেশ কয়েকটি ছোট-বড় টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত এবং সেগুলো বিভিন্ন দিকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। একসময় এসব প্লেটগুলো একটি অপরটির দিকে এসে সংঘর্ষ ঘটে। ফলে তুলনামূলকভাবে ভারী প্লেটটি অন্য প্লেটের নিচে ঢুকে যায়। সংঘর্ষের সীমানায় যে প্লেটটি উপরে থাকে সেটি উপরের দিকে ওঠার সময় পর্বতমালা তৈরি করে। এভাবে ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্বে হিমালয় পর্বতমালার পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছে।

প্রশ্ন-৬। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মেঘ মূলত পানির অতি কণা দ্বারা গঠিত কিন্তু পৃথিবীর বাইরের মহাকাশে নেবুলা নামক এক ধরনের মেঘ বিদ্যমান। উক্ত তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. নেবুলা মূলত কী দ্বারা তৈরি হয়েছে?
খ. সৌরজগতের একমাত্র নক্ষত্র সূর্য কী নিয়ে এবং কতবছর পূর্বে সৃষ্টি হয়েছে?
গ. সূর্য বা সৌরজগৎ থেকে নেবুলার আকার কেমন হয়?
ঘ. সূর্য গঠনের পরেও নেবুলার অবশিষ্ট অংশ দ্বারা কী গঠিত হয়েছে?
ঙ. সৌরজগৎ কোথা থেকে সৃষ্টি হয়েছে?

উত্তর:
ক. নেবুলা মূলত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস পরিমাণ অন্যান্য মৌলের সমন্বয়ে গঠিত।
খ. নেবুলার অধিকাংশ অংশ নিয়ে প্রায় ৫০০ কোটি বছর পূর্বে সূর্য সৃষ্টি হয়েছে।
গ. সূর্য বা সৌরজগৎ থেকে নেবুলার আকার অনেক বড় হয়।
ঘ. পৃথিবী ও অন্যন্য গ্রহ, উপগ্রহ, উল্কা, ধূমকেতু ইত্যাদি গঠিত হয়েছে।
ঙ. নেবুলা থেকে সৌরজগৎ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশ্ন-৭। পৃথিবীর গঠনের সাথে ডিমের গঠনের মিল দেখা যায়। পৃথিবীর বহিঃগঠন খালি চোখে দেখা যায় কিন্তু অভ্যন্তরীণ গঠন সরাসরি দেখা যায় না। এ পৃথিবীর গঠন আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ভূ-তাত্ত্বিকরা কীভাবে ধারণা লাভ করেন?
খ. পৃথিবীর গঠনের সাথে কার গঠনগত মিল রয়েছে?
গ. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়?
ঘ. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের সবচেয়ে নিচের স্তরটি কী নামে পরিচিত?
ঙ. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের সবচেয়ে পুরু স্তরটি কত শতাংশ ম্যান্টেল দ্বারা গঠিত?

উত্তর:
ক. সিসমিক ওয়েভের মাধ্যমে।
খ. ডিমের গঠনগত মিল রয়েছে।
গ. তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ভূত্বক, ম্যান্টল ও মজ্জা বা কোর।
ঘ. মজ্জা বা কোর নামে পরিচিত।
ঙ. ৮৫ শতাংশ ম্যান্টল দ্বারা গঠিত।

প্রশ্ন-৮। পৃথিবী স্থলভাগ ও জলভাগ নিয়ে গঠিত। সমুদ্রের পানির অংশ হলো মহাসাগর এবং সমুদ্রের পানি ব্যতীত স্থলভাগের অংশ হলো মহাদেশ। মহাদেশ এর আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. পৃথিবীর সমুদ্রের পানির উপরে অবস্থিত স্থলভাগকে কী বলা হয়?
খ. পৃথিবীর পৃষ্ঠ দেশের মহাসাগরের কত অংশ পানি।
গ. ম্যান্টলের উপরের কঠিন অংশ নিয়ে গঠিত অংশ কী নামে পরিচিত?
ঘ. টেকটোনিক প্লেটের গতি আমরা সরাসরি দেখতে পাই না কেন?
ঙ. কত বছর পূর্বে বৃহৎ মহাদেশ প্যাঞ্জিয়া ছিল?

উত্তর:
ক. মহাদেশ
খ. তিন ভাগ পানি
গ. লিথোমন্ডল
ঘ. গতি অতি অল্প (বছরে ৩-৫ সেন্টিমিটার) হবার কারণে।
ঙ. প্রায় ২৫ কোটি বছর পূর্বে।

প্রশ্ন-৯। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনে ছোট বড় টেকটোনিক প্লেট রয়েছে যা ধীরে ধীরে একস্থান থেকে অন্যস্থানে সরে যাচ্ছে। আর এই টেকটোনিক প্লেটের স্থানান্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন মহাদেশ ও মহাসাগরের সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. টেকটোনিক প্লেটগুলো বিভিন্ন দিকে গতিশীল হয় কেন?
খ. যে সকল অঞ্চলে দুটি টেকটোনিক প্লেট পাশাপাশি অবস্থান করে সেগুলোর মধ্যে কোন ধরনের স্থানান্তর লক্ষ করা যায়?
গ. হিমালয় পর্বতমালা কীসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে?
ঘ. কোন গতির কারণে বিভিন্ন প্রকার আগ্নেয়গিরি এবং বিভিন্ন মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
ঙ. মহাদেশীয় প্লেট কীভাবে সৃষ্টি হয়?

উত্তর:
ক. পরিচলন স্রোতের কারণে।
খ. অভিসারী, অপসারী, নিরপেক্ষ এদের যেকোনো একটির স্থানান্তর লক্ষ করা যায়।
গ. ভারতীয় টেকটোনিক প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।
ঘ. অভিসারী গতির কারণে।
ঙ. একটি প্লেট অন্য আরেকটি প্লেট থেকে দূরে সরে গেলে সেই ফাঁকা স্থানে মহাদেশীয় প্লেট সৃষ্টি হয়।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।