|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায়: পৃথিবীর উপরের অংশ মহাসাগর এবং স্থলভাগ নিয়ে গঠিত, যাকে আমরা একত্রে ভূ-পৃষ্ঠ বলি। এই ভূ-পৃষ্ঠে নানা রকম ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনা ঘটে- যা আমাদের মনে বিস্ময় জাগিয়ে তোলে। অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, সুনামি, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, টর্নেডো, বন্যা ইত্যাদি হচ্ছে এরকম কিছু ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনা। এ সকল ভূ-প্রাকৃতিক ঘটনা যেসব প্রক্রিয়ার কারণে হয়, তার কিছু আসে ভূ-পৃষ্ঠের নিচে থেকে আর কিছু আসে ভূ-পৃষ্ঠের উপরের উৎস থেকে। তাই এসব দুর্যোগের কারণ জানা থাকলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। ভূ-পৃষ্ঠ কী?
উত্তর: পৃথিবীর উপরের মহাসাগর ও স্থলভাগ নিয়ে গঠিত অংশ হলো ভূ-পৃষ্ঠ।

প্রশ্ন-২। ভূমিকম্প কী?
উত্তর: টেকটনিক প্লেটের স্থানান্তরের ফলে ভূ-পৃষ্ঠ কম্পনের সৃষ্টি হওয়ার ঘটনাই ভূমিকম্প।

প্রশ্ন-৩। সুনামি সৃষ্টি হয় কীভাবে?
উত্তর: গভীর সমুদ্র বা মহাসমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সুনামি সৃষ্টি হয় ।

প্রশ্ন-৪। ঘূর্ণিঝড় কী?
উত্তর: বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের কারণে যে ঝড়ের সৃষ্টি হয় তাই ঘূর্ণিঝড়।

প্রশ্ন-৫। টর্নেডো কীভাবে সৃষ্টি হয়?
উত্তর: স্থলভাগের তাপমাত্রার অতিরিক্ত বৃদ্ধির ফলে টর্নেডো সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন-৬। বন্যা কাকে বলে?
উত্তর: পানির অতিরিক্ত প্রবাহকে বন্যা বলে যা সাধারণত শুষ্ক স্থানকে প্লাবিত করে।

প্রশ্ন-৭ । বাংলাদেশের কোন কোন মাসে ঘূর্ণিঝড়ের প্রাদুর্ভাব ঘটে?
উত্তর: এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-নভেম্বর মাসে।

প্রশ্ন-৮। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: আন্দামান সাগরে ব্যারেন আইল্যান্ডে।

প্রশ্ন-৯। হারিকেন কী?
উত্তর: হারিকেন হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব দিকে অবস্থিত আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়।

প্রশ্ন-১০। আশ্রয়কেন্দ্র কাকে বলে?
উত্তর: বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মানুষ ও পশুপাখি যে সকল স্থান বা কেন্দ্রে নিরাপদে আশ্রয় নেয় সেসকল স্থান বা কেন্দ্রকে আশ্রয় কেন্দ্র বলে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় সত্য/মিথ্যা নির্ণয়

১. পৃথিবীর উপরের অংশ শুধু স্থলভাগ নিয়ে গঠিত।
২. অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প ঘটে ভূ-অভ্যন্তর থেকে।
৩. পৃথিবী একটি বড় ষাঁড়ের শিংয়ের উপর রাখা থাকে।
৪. শিলা বৃষ্টিতে ফসলের অনেক ক্ষতিসাধিত হয়।
৫. বাংলাদেশে আগ্নেয়গিরি রয়েছে।

৬. টেকটোনিক প্লেটের স্থানান্তরের জন্য ভূমিকম্প ঘটে।
৭. ভূমিকম্পের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
৮. চীনের পূর্ব উপকূলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলে।
৯. সমতল ভূমিতে জলোচ্ছ্বাস ঘটে?
১০. টর্নেডো হলো বায়ুমণ্ডলের একটি ঝড়।

১১. বন্যা বাংলাদেশের একটি অপরিচিত ঘটনা।
১২. ভূমিকম্পের ফলে ভূমিধস ঘটে।
১৩. টর্নেডোর স্থায়িত্ব সাইক্লোনের তুলনায় বেশি।
১৪. পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যা সৃষ্টি হয়।
১৫. বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকির বাইরে অবস্থিত।
১৬. বাংলাদেশে প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড় হয়ে থাকে।

উত্তর: ১. মিথ্যা, ২. সত্য, ৩. মিথ্যা, ৪. সত্য, ৫. মিথ্যা, ৬. সত্য, ৭. মিথ্যা, ৮. সত্য, ৯. মিথ্যা, ১০. সত্য, ১১. মিথ্যা, ১২. সত্য, ১৩. মিথ্যা, ১৪. সত্য, ১৫. মিথ্যা, ১৬. সত্য।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। বন্যা মোকাবিলায় তোমরা কী কী ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবা?
উত্তর: বন্যা মোকাবিলায় আমরা যেসব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করবো তা হলো-
i. বাড়ি তৈরির সময় বাড়ির আঙিনা স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে বেশি উঁচু করে নির্মাণ করব যেন বন্যার পানি ঘরে প্রবেশ করতে না পারে।
ii. টিউবওয়েল স্থাপনের সময় উঁচু স্থানে স্থাপন করব যাতে বন্যার পানিতে টিউবওয়েল ডুবে না যায়।
iii. বন্যা শুরু হলে গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি উঁচু স্থানে বা দূরবর্তী কোনো শুষ্ক স্থানে পাঠিয়ে দিব।

iv. বন্যা যে মাসে হয় তার পূর্বেই শুকনো খাবার, চিকিৎসার সরঞ্জামসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুদ করে রাখবো।
v. ছোট-শিশুদের বন্যার পানি থেকে নিরাপদে রাখতে সাবধানতা অবলম্বন করবো। প্রয়োজনে সাঁতার শেখাবো।
vi. বন্যার পানি ঘরে প্রবেশ করলে এবং নিরাপদ পানির সংকট দেখা দিলে নিরাপদ স্থান বা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিব। vii. বন্যার সময় সাপের উপদ্রব বেড়ে যায়। সাপের কামড় থেকে বাঁচতে বাড়িঘর এবং আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও শুষ্ক ঘরে কার্বলিক অ্যাসিড নিরাপদ স্থানে রেখে দিব।

প্রশ্ন-৩। বাংলাদেশে ভূমিকম্প হবার সম্ভাবনা আছে কি? কোন কোন এলাকা ভূমিকম্পপ্রবণ তাদের নাম উল্লেখ কর।
উত্তর: বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক গঠন, টেকটোনিক প্লেটের অবস্থান এবং ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্প হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত উপমহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ এবং বঙ্গোপসাগরের উত্তরে বাংলাদেশ এর অবস্থান। টেকটোনিক গঠনগত দিক দিয়ে ইন্ডিয়ান প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট এবং বার্মিজ মাইক্রো প্লেটের সংযোগস্থল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হলো বৃহত্তর সিলেট, ময়মনসিংহসহ ঢাকা।

প্রশ্ন-৪। বাংলাদেশে সংঘটিত পাঁচটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে কারণে সংঘটিত হয় বলে তোমাদের মনে হয় তা উল্লেখ কর।
উত্তর: বাংলাদেশে ভূ-প্রকৃতিগত অবস্থানের কারণে বেশ কিছু প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়ে থাকে। এসকল প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশ ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিভিন্ন কারণে সংঘটিত হতে পারে। বাংলাদেশে সংঘটিত পাঁচটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যে কারণে সংঘটিত হয় বলে আমাদের মনে হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো-
১. বন্যা: অতিবৃষ্টি, নদীর নাব্যতা হ্রাস, জলোচ্ছ্বাস ও পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে বন্যা সংঘটিত হয়।

২. ঘূর্ণিঝড়: বায়ুমণ্ডলীয় চাপের তারতম্যের কারণে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
৩. জলোচ্ছ্বাস: ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে জলোচ্ছ্বাস সংঘটিত হয়।
৪. টর্নেডো: স্থলভাগের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি হওয়ার ফলে বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে টর্নেডো সংঘটিত হয়।
৫. খরা: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হলে খরা সংঘটিত হয়।

প্রশ্ন-৫। ভোরবেলা হঠাৎ লক্ষ করলাম যেই খাটে শুয়ে আছি তা মৃদু কাঁপছে। এর সাথে ঘরের অন্যান্য আসবাবপত্রও কাঁপছে। এই কম্পন কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিচের প্রশ্নগুলোর দাও।
ক. কী কারণে মৃদু কম্পন সৃষ্টি হয়েছিল?
খ. ভূমিকম্প কী কারণে ঘটে থাকে?
গ. আমাদের দেশে ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা আছে কি?
ঘ. কোন যন্ত্রের মাধ্যমে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয়?
ঙ. ভূমিকম্পের সময় কী করতে হবে?

উত্তর:
ক. ভূমিকম্পের কারণে মৃদু কম্পন সৃষ্টি হয়েছিল।
খ. দুটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটলে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়।
গ. বাংলাদেশের আশপাশে এবং ভেতরে বেশকিছু ফন্ট লাইন থাকায় ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঘ. সিসমোগ্রাফ এর মাধ্যমে ভূমিকম্প পরিমাপ করা যায়।
ঙ. ভূমিকম্পের সময় এদিক-সেদিক ছোটাছুটি না করে খোলা মাঠে আশ্রয় নিতে হবে। রুমের মধ্যে থাকলে শক্ত টেবিল বা স্থাপনার নিচে আশ্রয় নিতে হবে। বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির লাইনের সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে।

প্রশ্ন-৬। কক্সবাজার বেড়াতে গিয়ে দেখলাম সাগরের বড় বড় ঢেউ। সমুদ্র সৈকতে লাল পতাকা। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও প্রচুর বাতাস বইছে। জনসচেতনতার জন্য রেডিওতে ঘূর্ণিঝড় বলে ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।
ক. বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড় কী নামে।
খ. বাংলাদেশে কোন সময়ে ঘূর্ণিঝড় হবার সম্ভাবনা থাকে?
গ. ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয় কেন?
ঘ. বাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর অন্যান্য দেশেও কি ঘূর্ণিঝড় হয়?
ঙ. ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস কীভাবে প্রদান করা হয় এবং এতে আমাদের করণীয় কী?

উত্তর:
ক. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সাইক্লোন নামে পরিচিত।
খ. বাংলাদেশের এপ্রিল ও মে এবং অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় হবার সম্ভাবনা থাকে।
গ. বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের কারণে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়।
ঘ. বাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব দিকে আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড় হারিকেন, চীনের পূর্ব উপকূলে টাইফুন নামক ঘূর্ণিঝড় হয়।
ঙ. ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস সংকেতের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পাওয়া মাত্র ঘূর্ণিঝড় প্রবণ এলাকা থেকে দ্রুত লোকজন ও গৃহস্থলীয় পশুপাখি নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হবে।

প্রশ্ন-৭ হঠাৎ করে আমাদের পাশের এলাকায় বায়ুর বৃত্তাকার কুণ্ডলী দেখা গেল। কুণ্ডলীটি যেদিক দিয়ে অতিক্রম করেছে সেদিকের ঘরবাড়ি সহ গাছপালার ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চলছে।
ক. বায়ুর বৃত্তাকার কুণ্ডলীটি কী নামে পরিচিত?
খ. টর্নেডোর স্থায়িত্ব কেমন হয়?
গ. টর্নেডোর ফলে বায়ু কত কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হয়?
ঘ. টর্নেডো সৃষ্টি হয় কীভাবে?
ঙ. টর্নেডোর ফলে কী ঘটে?

উত্তর: 
ক. বায়ুর বৃত্তাকার কুণ্ডলীটি টর্নেডো নামে পরিচিত।
খ. টর্নেডোর স্থায়িত্ব মাত্র ২-৩ মিনিট।
গ. টর্নেডোর ফলে বায়ু প্রতি ঘণ্টায় ২৫০-৩০০ কিলোমিটার গতিবেগে প্রবাহিত হয়।
ঘ. স্থলভাগের তাপমাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি হবার ফলে টর্নেডো সৃষ্টি হয়।
ঙ. টর্নেডোর সময় বাতাসের প্রচণ্ড গতিবেগ থাকার কারণে ক্ষুদ্র এলাকাতে ব্যাপক ধ্বংস সাধিত হয়।

প্রশ্ন-৮। কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় রফিকের বাড়ি। শুকনো মৌসুমে রফিকরা হাওরে ধান চাষ করেছে। ধান পাকার অল্প কয়েকদিন পূর্বে হঠাৎ এক রাত্রে পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সমস্ত ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেল। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল কী নামে পরিচিত?
খ. বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চলে বন্যা দেখা যায়?
গ. পাহাড়ি ঢল ছাড়াও আরও কোন কোন কারণে বন্যা সৃষ্টি হয় বলে তুমি মনে কর।
ঘ. বন্যা দেখা দিলে কী ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়?
ঙ. বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে কী ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন?

উত্তর: 
ক. পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল বন্যা নামে পরিচিত।
খ. বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা দেখা যায়। যেমন- সিলেট, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, সাতক্ষীরা ইত্যাদি।
গ. পাহাড়ি ঢল ছাড়াও অতিবৃষ্টি, নদীর নাব্যতা হ্রাস, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি কারণে বন্যা সৃষ্টি হয় বলে আমি মনে করি।

ঘ. বন্যার ফলে সহায়-সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়। এছাড়া খাদ্যের অভাবসহ বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগের পাদুর্ভাব ঘটে। ফসলের ব্যাপক ক্ষতিসাধন ঘটে।
ঙ. বসতবাড়ির ভিটা উঁচু করে নির্মাণ করা, বন্যা শুরুর পূর্বে শুকনো খাবার ও ফসলের বীজসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র মজুদ রাখা, টিউবয়েল উঁচু স্থানে স্থাপন করা। শিশু ও বৃদ্ধদের বন্যা কবলিত এলাকা থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া। – বন্যার সময় ছোট শিশুদের প্রতি সতর্ক দৃষ্টি রাখা ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৮ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।