|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায়: আমাদের চারপাশে প্রতি মুহূর্তে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে। যেমন- বরফ মেশানো পানির গ্লাসের গায়ে ফোঁটা ফোঁটা পানি জমা , লোহা বাইরে রেখে দিলে মরিচা পড়া, তাপ দিলে পানির বাষ্প হয়ে যাওয়া। এদের কোনো কোনোটি আমাদের জীবন ধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় আবার কোনো কোনোটি হয়তো নানাবিধ ক্ষতির কারণও হতে পারে । মাধ্যমে বিভিন্ন পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন সাধিত হয়।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় শূন্যস্থান পূরণ

১. লোহার টুকরাকে বাইরে ফেলে রাখলে ____ সঙ্গে বিক্রিয়া করে তাতে মরিচা ধরে।
২. মরিচা ধরা একটি ____ পরিবর্তন।
৩. ____ পরিবর্তনের ফলে পরিবর্তিত বস্তুকে এক বা একাধিক পদ্ধতি অনুসরণ করে পূর্বের অবস্থায় ফেরত আনা যায়।
৪. প্রত্যাবর্তী পরিবর্তনগুলো হচ্ছে ____ পরিবর্তন।
৫. ____ পরিবর্তনের মাধ্যমে প্লাস্টিককে রিসাইকেল করা যায়।

৬. বিশেষ প্রয়োজনে সম্ভব হলে ____ ইস্পাত ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭. লোহার তৈরি জিনিসের উপর দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে বলে ____।
৮. মরিচাহীন ইস্পাত কার্বন, নিকেল এবং _____ কে লোহার সঙ্গে মিশ্রিত করে তৈরি করা হয়।
৯. আমরা যে বিভিন্ন ধরনের খাবার খাই তা আমাদের ____ গিয়ে জমা হয়।
১০. সূর্যের তাপে পৃথিবী পৃষ্ঠে থাকা পানি ____ পরিণত হয়।

১১. পানির একটি অংশ মাটির নিচে গিয়ে জমা হয় সেটাকে ____ পানি বলে।
১২. পানিচক্রের সঙ্গে জড়িত দুইটি প্রক্রিয়া হচ্ছে বাষ্পীভবন এবং ____।
১৩. সমুদ্রের পানিতে বিপুল পরিমাণ ____ গ্যাস শোষিত অয়।
১৪. অক্সিজেন চক্র হলো অক্সিজেনের ____ চক্র।
১৫. কার্বন চক্রের প্রতিটি পরিবর্তনই ____ পরিবর্তন।

উত্তর : ১. অক্সিজেনের; ২. রাসায়নিক; ৩. প্রত্যাবর্তী; ৪. ভৌত; ৫. প্রত্যাবর্তী; ৬. মরিচাবিহীন; ৭. গ্যালভানাইজিং; ৮. ক্রোমিয়াম, ৯. পাকস্থলীতে; ১০. বাষ্পে; ১১. ভূগর্ভস্থ; ১২. ঘনীভবন; ১৩. কার্বন ডাইঅক্সাইড; ১৪. জৈব রাসায়নিক; ১৫. রাসায়নিক।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। ভৌত পরিবর্তন কাকে বলে?
উত্তর: পদার্থের ‘যে পরিবর্তনে শুধুমাত্র অবস্থা বা আকৃতির পরিবর্তন ঘটে, কিন্তু নতুন ধরনের পদার্থের সৃষ্টি হয় না এবং একই ধর্ম বিদ্যমান থাকে তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে।

প্রশ্ন-২। মরিচা কী?
উত্তর: লোহা ও পানির বিক্রিয়ায় ফেরিক অক্সাইড তৈরি হয় যা মরিচা নামে পরিচিত।

প্রশ্ন-৩। রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে?
উত্তর: এক বা একাধিক পদার্থের সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত হবার প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।

প্রশ্ন-৪। প্রত্যাবর্তী পরিবর্তন কী?
উত্তর: যে পরিবর্তন স্থায়ী নয় এবং পরিবর্তিত বস্তুকে তার ধর্ম ঠিক রেখে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়, তাই প্রত্যাবর্তী পরিবর্তন।

প্রশ্ন-৫। প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ দাও। 
উত্তর: গলন, স্ফুটন, বাষ্পীভবন, ঘনীভবন ইত্যাদি।

প্রশ্ন-৬। অপ্রত্যাবর্তী পরিবর্তন কী?
উত্তর: যে ধরনের পরিবর্তন স্থায়ী এবং পরিবর্তিত রস্তুকে কোনো ধরনের ভৌত বা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় না তাই প্রত্যারতী পরিবর্তন।

প্রশ্ন-৭ মতিচাবিহীন ইস্পাত কী?
উত্তর: যেসকল ইস্পাত পানির সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা সৃষ্টি প্রতিরোধ করে তাদের মরিচাবিহীন ইস্পাত বলে।

প্রশ্ন-৮। তড়িৎ প্রলেপন কী?
উত্তর: অধিক সক্রিয় ধাতুর উপরে তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে কম সক্রিয় ধাতুর একটি প্রলেপ সৃষ্টি করে অধিক সক্রিয় ধাতুকে মরিচা থেকে রক্ষা করার পদ্ধতিই হলো তড়িৎ প্রলেপন।

প্রশ্ন ৯। কীভাবে ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়?
উত্তর: রং করার মাধ্যমে ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়।

প্রশ্ন-১০। স্টেইনলেস স্টিল কী?
উত্তর: স্টেইনলেস স্টিল হলো কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়ামকে লোহার সাথে মিশ্রিত করে তৈরি করা একটি স্টিল বা ইস্পাত।

প্রশ্ন-১১। পানিচক্র কী?
উত্তর: পানি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে বায়ুমণ্ডলে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে ভূ-পৃষ্ঠে প্রস্বেদন, ঘনীভবন ও বাষ্পীভবনের মাধ্যমে বারবার আবর্তিত হওয়াকে পানিচক্র বলে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। একটি পত্রিকার পৃষ্ঠা কেটে কয়েকটি ছোট ছোট টুকরায় করলে কী ধরনের পরিবর্তন হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: একটি পত্রিকার পৃষ্ঠা কেটে কয়েকটি ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করলে কাগজের আকারের শুধু পরিবর্তন হয়। কাগজের টুকরাগুলোয় একই পদার্থ বিদ্যমান থাকে এবং ধর্মের কোনো পরিবর্তন হয় না। যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ফলে সংশ্লিষ্ট পদার্থের অবস্থার বা আকার-আকৃতির পরিবর্তন ঘটে কিন্তু নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় না তাদেরকে ভৌত পরিবর্তন বলা হয়। সুতরাং একটি পত্রিকার পৃষ্ঠা কেটে কয়েকটি ছোট ছোট টুকরায় পরিণত করলে এটির ভৌত পরিবর্তন হয়।

প্রশ্ন-২। লোহাতে মরিচা সৃষ্টিতে কোন ধরনের পরিবর্তন হয়? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: লোহা কিছুদিন বাইরে রেখে দিলে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা সৃষ্টি হয়। মরিচা ধরার ফলে লোহা ক্রমান্বয়ে ক্ষয় হতে থাকে। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থ সৃষ্টি হয়। তাই লোহাতে মরিচা সৃষ্টিতে রাসায়নিক পরিবর্তন হয়।’

প্রশ্ন-৩। লোহার তৈরি খাবারের কৌটাকে তড়িৎ প্রলেপন দেওয়া হয় কেন?
উত্তর: লোহার তৈরি জিনিস দীর্ঘদিন বাতাসের সংস্পর্শে থাকলে মরিচা ধরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। মরিচা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে কম সক্রিয় ধাতু যেমন: তামা, ক্রোমিয়াম, টিন বা নিকেল প্রভৃতি দিয়ে লোহার তৈরি জিনিসকে তড়িৎ প্রলেপন দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। তাই ধাতব পদার্থর স্থায়িত্ব বাড়ানোর জন্য লোহার তৈরি খাবারের কৌটাকে তড়িৎ প্রলেপন দেওয়া হয়।

প্রশ্ন-৪। তোমার বাসায় স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি জিনিসে মরিচা পড়ে না কেন?
উত্তর: স্টেইনলেস স্টিল হলো কার্বন, নিকেল এবং ক্রোমিয়ামকে লোহার সঙ্গে মিশ্রিত করে তৈরি এক ধরনের মিশ্রণ। এটি লোহার চেয়ে কয়েকগুণ মজবুত এবং শক্ত। ক্রোমিয়াম ধাতুর পরিমাণ বেশি থাকায় বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ক্রোমিয়াম অক্সাইড তৈরি করে। এই ক্রোমিয়াম অক্সাইড খুব সুস্থ স্বচ্ছ পর্দার আকারে স্টেইনলেস স্টিলের সমস্ত পৃষ্ঠতলকে ঘিরে রাখে। তাই আমার বাসায় স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি জিনিসে মরিচা পড়ে না।

প্রশ্ন-৫। আমরা যে খাবার গ্রহণ করি তা এক ধরনের দহন প্রক্রিয়া; উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: আমরা যে খাবার গ্রহণ করি তা পাকস্থলীতে জমা হয়। হজম হওয়ার পরে খাবারে পুষ্টি উপাদানগুলো আমাদের দেহে শোষিত হয়। দেহকোষে এসব উপাদান ভেঙে প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য দেহকোষে রক্ত অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার পর তাপের সঙ্গে সঙ্গে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি উৎপন্ন হয়। এই তাপ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা নানা রকম কাজ করে থাকি। যদি তাপশক্তি তৈরি না হতো আমাদের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির অভাব হতো। উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট যে, যে প্রক্রিয়ায় আমরা খাবার থেকে শক্তি পাই তা এক ধরনের দহন প্রক্রিয়া।

প্রশ্ন-৬। একটি পানির পাত্রে কয়েকটি পেরেক ডুবানো অবস্থায় কিছুদিন রাখার পর পেরেকগুলোতে মরিচা দেখতে পাওয়া গেল। পেরেকগুলো পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. মরিচা কোন ধরনের পরিবর্তনের ফলে ঘটে?
খ. রাসায়নিক পরিবর্তনের দুটি উদাহরণ দাও।
গ. মরিচা সৃষ্টি হলে লোহার কী ধরনের ক্ষতি করে।
ঘ. মরিচা সৃষ্টি হয় এমন কয়েকটি জিনিসের ঙ. কীভাবে মরিচা পড়া রোধ করা যায়, লেখ।

উত্তর:
ক. রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে।
খ. (i) লোহায় মরিচা পড়া, (ii) ক্যাল H2O বিক্রিয়া।
গ. মরিচা সৃষ্টি হলে লোহা।
ঘ. পেরেক, খন্তা, হাতুরি, চুক, দাও। মরিচা ক্যালসিয়াম ক্ষয়প্রাপ্ত
ঙ. পানি থেকে দূরে রেখে, তেল বা গ্রিজ দ্বারা আবৃত করে, গ্যালভানাইজিং করে, তড়িৎ প্রলেপন করে, রং করে লোহার মরিচা পড়া রোধ করা যায়।

প্রশ্ন-৭। প্লাস্টিকের খালি বোতল এর আকার পরিবর্তন করে পুনরায় ব্যবহার করা হলে পরিবেশের আবর্জনার পরিমাণ অনেকাংশে কমানো সন্দ্ব। উক্ত তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. প্লাস্টিকের খালি বোতলের আকার পরিবর্তন করে পুনরায় ব্যবহার করার প্রক্রিসাটির নাম কী?
খ. প্লাস্টিকের ন্যায় আর কোন কোন পদার্থ রিসাইকেল করা যায়?
গ. প্লাস্টিক রিসাইকেল করে কী তৈরি করা হয়?
ঘ. রিসাইকেল প্রক্রিয়া পরিবেশের ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখে?
ঙ. কাচ ও প্লাস্টিকের রিসাইকেল করলে এদের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয় কী?

উত্তর:
ক. রিসাইকেল বা পুনরায় ব্যবহার।
খ. কাচ, কাগজ, মোম, রাবার ইত্যাদি।
গ. প্লাস্টিক রিসাইকেল করে বিভিন্ন ফার্নিচার, খেলার সরঞ্জামাদি ইত্যাদি তৈরি করা যায়।
ঘ. রিসাইকেল প্রক্রিয়ায় অপচনশীল বস্তু যেমন- প্লাস্টিক, কাঁচ ইত্যাদি ব্যবহার করে পরিবেশের আবর্জনা হ্রাস করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা যায়।
ঙ. কাচ ও প্লাস্টিকের রিসাইকেল করলে এদের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয় না।

প্রশ্ন-৮। বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে পানি ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়ে বিভিন্ন নদ-নদী জলাশয়ে জমা হয়। আর নদ-নদীর পানি বাহিত হয়ে সমুদ্রে পতিত হয়। নদ-নদী, সমুদ্র সহ বিভিন্ন জলাশয়ের পানি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে জলীয় বাষ্পে পরিণত হয় এবং জলীয়বাষ্প ঠান্ডা হয়ে মেঘে পরিণত হয়। মেঘের কণাগুলো একত্রিত হয়ে বৃষ্টির মাধ্যমে পুনরায় ভূ-পৃষ্ঠে পতিত হয়। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. উক্ত প্রক্রিয়াটি কী নামে পরিচিত?
খ. ভূ-গর্ভস্থ পানি কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
গ. উক্ত প্রক্রিয়াটির সাথে জড়িত প্রক্রিয়া কয়টি ও কী কী?
ঘ. কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি মেঘে রূপান্তরিত হয়?
ঙ. পানি জমাট বেঁধে বরফে এবং বরফ গলে পানিতে পরিণত হয় কোন প্রক্রিয়ায়?

উত্তর:
ক. পানি চক্র।
খ. পান করা, সেচ কাজ ও গৃহস্থলির কাজে ব্যবহৃত হয়।
গ. পানি চক্রের সাথে জড়িত প্রক্রিয়া দুইটি। বাষ্পীভবন ও ঘনীভবন।
ঘ. বাষ্পীভবন প্রক্রিয়ায় পানি জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়। জলীয়বাষ্প ঘনীভবনের মাধ্যমে ছোট ছোট পানির কণায় পরিণত হয়ে মেঘে রূপান্তরিত হয়।
ঙ. কঠিনীভবন প্রক্রিয়ায় পানি জমাট বেঁধে বরফে পরিণত হয় এবং তরলীভবন প্রক্রিয়ায় বরফ গলে পানিতে পরিণত হয়।

প্রশ্ন-৯। একটি জৈব রাসায়নিক চক্র মূলত বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের সমতা বজায় রাখে। উক্ত তথ্যের আলোকে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. উক্ত জৈব রাসায়নিক চক্রটি কী নামে পরিচিত?
খ. জীবের শ্বাসকার্যে অতি প্রয়োজনীয় অক্সিঞ্জেন কীভাবে তৈরি হয়?
গ. অক্সিজেন চক্রের সমতা কীভাবে বজায় থাকে?
ঘ. কোন কোন চক্র আমাদের জীবনের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।
ঙ. অক্সিজেন চক্র না ঘটলে কী ধরনের সমস্যা দেখা দিবে?

উত্তর:
ক. অক্সিজেন চক্র নামে পরিচিত।
খ. সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি হয়।
গ. সকল জীব কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে যা উদ্ভিদ গ্রহণ করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় অক্সিজেন ত্যাগ করে। অন্যদিকে সকল জীব অক্সিজেন গ্রহণ করে কার্বন ডাইঅক্সাইড শ্বসন প্রক্রিয়ায় ত্যাগ করে। এভাবে অক্সিজেন চক্রের সমতা বজায় থাকে।
ঘ. সালোকসংশ্লেষণ, পানি চক্র, কার্বন চক্র এবং অক্সিজেন চক্র আমাদের জীবনের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।
ঙ. অক্সিজেন চক্র না ঘটলে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার ব্যাঘাত ঘটবে। ফলে অক্সিজেনের অভাবে সকল জীবের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপন্ন হবে না। ফলে জীব বাঁচতে পারে না।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৭ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।