|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায়: তাপ মানুষের জন্য অপরিহার্য একটি শক্তি। তাপ আমাদের গরমের অনুভূতি জন্মায়। আর কতটুকু পরম অনুভব করছি তা প্রকাশ করা হয় তাপমাত্রা দিয়ে। অর্থাৎ তাপমাত্রা হলো কোনো বস্তুর তাপীয় অবস্থা।

বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে তাপ তিনটি প্রক্রিয়ায় সঞ্চালিত হয়। তাপ দিলে বা সরিয়ে নিলে অর্থাৎ তাপমাত্রা পরিবর্তনের ফলে বায়ুর চাপ ও আর্দ্রতার পরিবর্তন হয়, বিভিন্ন পদার্থ সম্প্রসারিত হয়। তাপের এমন প্রভাব আমাদের নানাভাবে প্রভাবিত করে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় শূন্যস্থান পূরণ

১. কঠিন পদার্থের বেলায় তাপের অর্থ ____ কম্পন।
২. তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক একক হচ্ছে ____।
৩. জ্বর মাপার জন্য সেলসিয়াসের পাশাপাশি ____ ব্যবহার করা হয়।

৪. ফারেনহাইট স্কেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ____।
৫. কেলভিন স্কেলটি তৈরি করা হয়েছে ____ তাপমাত্রাকে শূন্য ডিগ্রি ধরে।
৬. সেলসিয়াস স্কেলে পরম শূন্য তাপমাত্রা হচ্ছে ____।

৭. ফারেনহাইট স্কেলে ফুটন্ত পানির তাপমাত্রা হলো ____।
৮. দৃশ্যমান আলোর সঙ্গে অদৃশ্য অবলাল রশ্মি এবং ____ রশি পৃথিবীতে চলে আসতে পারে।
৯. পদার্থের ____ বেশি হলে একই তাপমাত্রা নেওয়ার জন্য অনেক তাপ প্রদান করতে হয়।

১০. যে তাপমাত্রায় গলন শুরু হয় সেটাকে বলে ____।
১১. বরফের গলনাঙ্ক ____ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১২. পানির স্ফুটনাঙ্ক ____ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

১৩. বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়াকে ____ বলে।
১৪ আয়োডিন একটি ____ পদার্থ।
১৫. থার্মোমিটার তৈরির সময় ____ প্রসারণের ধর্ম ব্যবহার করা হয়।

উত্তর: ১. অণুগুলোর; ২. কেলভিন; ৩. ফারেনহাইট; ৪. 98.4°F; ৫. পরম শূন্য; ৬. – 273.15°C; ৭. 212°F; ৮. অতি বেগুনি, ৯. আপেক্ষিক তাপ; ১০. গলনাঙ্ক, ১১.০; ১২. ১০০; ১৩. ঘনীভবন; ১৪. ঊপাতিত; ১৫. পারদের।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় সত্য/মিথ্যা নির্ণয়

১. তাপ এক প্রকার শক্তি।
২. তাপ প্রয়োগে ঠান্ডা পানির অণুগুলো থেকে গরম পানির অণুগুলো কম বেগে ছোটাছুটি করে।
৩. কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে তাপের অর্থ হলো অণুগুলোর কম্পন।
৪. কেলভিন স্কেলে পানির বাষ্প হওয়ার তাপমাত্রা ২৭৩.১৫ কেলভিন।
৫. ফুটন্ত পানির তাপমাত্রা ৩২°F।

৬. তাপের সঞ্চালন তিনটি উপায়ে হয়।
৭. গ্যাসকে উত্তপ্ত করা হলে তার ঘনত্ব বাড়ে।
৮. পরম শূন্য তাপমাত্রা 273.15°C.
৯. সূর্য থেকে অতি বেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে আসতে পারে না।
১০. যে তাপমাত্রায় বরফ গলতে শুরু করে তাকে গলনাঙ্ক বলে।

১১. পানির স্ফুটনাংক 0°C
১২. ঊর্ধ্বপাতনের বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম Deposition.
১৩. আয়োডিন একটি ঊর্ধ্বপতিত পদার্থ।
১৪. তাপ অপসারণ করে বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তর হওয়াকে কঠিনীভৰন বলে।
১৫. তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক একক সেলসিয়াস।

উত্তর: ১. সত্য, ২. সত্য, ৩. সত্য, ৪. মিথ্যা, ৫. মিথ্যা, ৬. সত্য, ৭. মিথ্যা, ৮. মিথ্যা, ৯. মিথ্যা, ১০. সত্য, ১১. মিথ্যা, ১২. সত্য, ১৩. সত্য, ১৪. মিথ্যা, ১৫. মিথ্যা।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। তাপ কী?
উত্তর: তাপ এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা এবং গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

প্রশ্ন-২। তাপমাত্রা কী?
উত্তর: কোনো কিছু কতটুকু উত্তপ্ত কিংবা কতটুকু শীতল তার একটি পরিমাপ হচ্ছে তাপমাত্রা।

প্রশ্ন-৩। ফারেনহাইট স্কেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
উত্তর: ফারেনহাইট স্কেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা 98.4°F.

প্রশ্ন-৪। আমরা তাপমাত্রার জন্য কোন এককটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি?
উত্তর: সেলসিয়াস স্কেল।

প্রশ্ন-৫। পরম শূন্য তাপমাত্রা কী?
উত্তর: তাপমাত্রার একটি সর্বনিম্ন মান আছে। তার কাছাকাছি যাওয়া সম্ভব কিন্তু সেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কখনো পৌঁছানো সম্ভব না। সেই তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।

প্রশ্ন-৬। পরম শূন্য তাপমাত্রার মান কত?
উত্তর: পরম শূন্য তাপমাত্রার মান হলো -273.15°C.

প্রশ্ন-৭। ফারেনহাইট স্কেলে বরফের তাপমাত্রা কত?
উত্তর: ফারেনহাইট স্কেলে বরফের তাপমাত্রা 32°F।

প্রশ্ন-৮। তাপ সঞ্চালনের উপায় কয়টি ও কী কী?
উত্তর: তাপ সঞ্চালনের উপায় তিনটি। যথা- (i) পরিবহণ (ii) পরিচলন (iii) বিকিরণ।

প্রশ্ন-৯। একটা বস্তুতে কী পরিমাণ তাপ সজ্জিত আছে তা কীসের উপর নির্ভর করে?
উত্তর: একটি বস্তুতে কী পরিমাণ তাপ সজ্জিত আছে সেটি নির্ভর করে বস্তুটির তাপমাত্রা, তার ভর এবং তার আপেক্ষিক তাপের উপর।

প্রশ্ন-১০। গলনাঙ্ক কী?
উত্তর: যে তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থের গলন শুরু তাপমাত্রাকে গলনাঙ্ক বলে।

প্রশ্ন-১১। বরফের গলনাঙ্ক কত?
উত্তর: বরফের গলনাঙ্ক 0°C।

প্রশ্ন-১২। কঠিনীভবন কাকে বলে?
উত্তর: তাপ দিয়ে কঠিন থেকে তরল যেরকম রূপান্তর করা হয় তার উল্টো প্রক্রিয়াটিও ঘটে। তাপ সরিয়ে নিলে একটা তরল কঠিন হতে পারে। তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়াকে কঠিনীভবন বলে। যেমন- জ্বলন্ত মোমবাতি থেকে যে গলিত মোম গড়িয়ে পড়ে সেটি শীতল হয়ে আবার কঠিন হয়ে যায়। এটি কঠিনীভবনের উদাহরণ।

প্রশ্ন-১৩। ঘনীভবন কাকে বলে?
উত্তর: বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়াকে ঘনীভবন বলে।

প্রশ্ন-১৪। স্ফুটনাঙ্ক কাকে বলে?
উত্তর: তরল পদার্থকে তাপ দিলে তার তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে এবং তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে এক সময় তরল পদার্থটি গ্যাসে পরিবর্তিত এই প্রক্রিয়াটির নাম বাষ্পীভবন এবং যে তাপমাত্রায় বাষ্পীভবন ঘটে সেটাকে বলে সস্ফুটনাঙ্ক।

প্রশ্ন-১৫। পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?
উত্তর: পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C প্রশ্ন-১৬।

প্রশ্ন-১৬। ঊর্ধ্বপাতন কী?উদাহরণ দাও।
উত্তর: যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন- ন্যাপথালিন, আয়োডিন ইত্যাদি।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। এক গ্লাস ঠান্ডা পানিকে ক্রমাগত তাপ দিতে থাকলে কী ঘটবে?
উত্তর: এক গ্লাস ঠান্ডা পানিকে ক্রমাগত তাপ দিতে থাকলে পানির বাষ্পীভবন ঘটবে। ঠান্ডা গ্লাসের পানির ভেতরের পানির অণুগুলো ছোটাছুটি করতে থাকে। যখন তাপ দেওয়া হয় তখন পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পানির কণাগুলোর ছোটাছুটি অনেক বেশি বেড়ে যায়। এই তাপের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করতে থাকলে পানির অণুর গতিবেগ অনেক বেশি বেড়ে যায়। ফলে এসময় প্রানির অণুগুলো পানি থেকে মুক্ত হয়ে বের হয়ে যেতে থাকে। এ ঘটনাটি হলো পানির বাষ্পীভবন।

প্রশ্ন-২। দেশলাইয়ে কাঠি দিয়ে মোমবাতিতে আগুন ধরালে আগুনের শিখা উপরের দিকে উঠে যায় কেন?
উত্তর: দেশলাইয়ে কাঠি দিয়ে মোমবাতিতে আগুন ধরালে বাতাসের অক্সিজেনের সাথে দহন বিক্রিয়া ঘটে। এ বিক্রিয়ায় তাপ ও আলোক শক্তি উৎপন্ন হওয়ার সাথে সাথে কার্বন- ডাইঅক্সাইড এবং অন্যান্য গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎপন্ন তাপে এই গ্যাসসহ অগ্নিশিখার চারপাশের বায়ু উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে গ্যাসগুলোর ঘনত্ব কমে যায় এবং আয়তন বেড়ে যায়। অন্যদিকে উপরের দিকের শীতল বাতাস যা অধিক ঘনত্ব বা ভারী হওয়ার কারণে নিচের দিকে নেমে আসে। এসময় নিচের দিকের হালকা বাতাসকে শিখার গা বরাবর উপরের দিকে উঠিয়ে দেয়। এ কারণে আগুনের শিখা উপরের দিকে উঠে যায়।

প্রশ্ন-৩। বালতি ভর্তি গরম পানিতে উত্তপ্ত একটি সুচকে ছেড়ে দিলে কীভাবে তাপের প্রবাহ ঘটে?
উত্তর: একটি সুচকে আগুনে উত্তপ্ত করা হলে তার ভেতরে মোট তাপের পরিমাণ খুব বেশি থাকে না। সেই তুলনায় একটি বালতি ভর্তি পানিতে তাপ দিলে তাপের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। কিন্তু গরম সুচটিকে যদি পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে সুচটির তাপের পরিমাণ কম হলেও সেটি বালতির পানিতে তার তাপ প্রবাহিত করবে। অর্থাৎ ভিন্ন দুটি বস্তুর তাপমাত্রা যদি কম-বেশি হয় এবং এদেরকে সংস্পর্শে রাখা হলে বেশি তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুর দিকে তাপের প্রবাহ ঘটে।

প্রশ্ন-৪ । উচ্চ তাপমাত্রার পানি বা ধাতুর সংস্পর্শে এলে আমাদের শরীরের ত্বক তাপের যন্ত্রণা অনুভব করে কেন?
উত্তর: আমরা জানি, ভিন্ন তাপমাত্রার একাধিক বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে আনা হলে তাদের মধ্যে তাপের আদান-প্রদান ঘটে। বেশি তাপমাত্রার বস্তুগুলো তাপ হারায় এবং কম তাপমাত্রার বস্তুগুলো তাপ গ্রহণ করে। উচ্চ তাপমাত্রার পানি বা ধাতুর সংস্পর্শে এলে আমাদের শরীরের ত্বকে প্রবাহিত তাপের পরিমাণ পানি বা ধাতুতে তাপ ধারণক্ষমতার উপর নির্ভর করে। যদি পানি বা ধাতুতে তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি হয় তাহলে সেটি আমাদের শরীরে অধিক পরিমাণ তাপ সরবরাহ করবে। ফলে আমাদের শরীরের ত্বক তাপের যন্ত্রণা অনুভব করে।

প্রশ্ন-৫। থার্মোমিটার তৈরিতে পারদের প্রসারণকে কেন কাজে লাগানো হয়?
উত্তর: পারদ কম উদ্বায়ী পদার্থ। থার্মোমিটার তৈরিতে ব্যবহৃত পারদের প্রসারণ সুষম হওয়ায় আয়তন বৃদ্ধি সমান হয়। ফলে থার্মোমিটারের মধ্যে যে সামান্য পরিমাণে পারদ বাষ্প হয়ে থাকে তা পারদের উঠানামায় কোনো বিঘ্ন ঘটায় না। এছাড়া পারদের তাপধারণ ক্ষমতা খুব কম হওয়ায় বস্তুর তাপমাত্রা নির্ণয়ে নগণ্য পরিমাণে তাপ এটি শোষণ করতে পারে। ফলে সঠিক তাপমাত্রা পরিমাপে সুবিধা পাওয়া যায়। এসব সুবিধা পাওয়ার জন্য থার্মোমিটার তৈরিতে পারদের প্রসারণকে কাজে লাগানো হয়।

প্রশ্ন-৬। আমাদের চারপাশে বিরাজমান নানা ধরনের শক্তির মধ্যে তাপ এক প্রকার শক্তি। তাপ হচ্ছে শক্তির পরিমাণ আর তাপমাত্রা হচ্ছে একটি বস্তু কতটুকু উত্তপ্ত বা শীতল তার পরিমাণ। তোমার আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. তাপ কী?
খ. কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে তাপের অর্থ কী?
গ. তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের অণুগুলোর কোনটি বেড়ে যায়?
ঘ. তাপ প্রয়োগে তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয় এটাকে কী বলে?
ঙ. তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক একক কী?

উত্তর:
ক. এক প্রকার শক্তি।
খ. অণুগুলোর কম্পন।
গ. কম্পন।
ঘ. বাষ্পীভবন।
ঙ. কেলভিন (K)।

প্রশ্ন-৭। একটি লোহার রডের একপ্রান্ত হাত দিয়ে ধরে অপরপ্রান্ত আগুনের শিখায় ধরো। কিছুক্ষণ পরে তোমার হাতে গরম অনুভব করবে। এটি তাপ সঞ্চালনের একটি চমৎকার উদাহরণ। তাপ সঞ্চালন সম্পর্কে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. তাপ সঞ্চালনের উপায় কয়টি?
খ. তাপ সঞ্চালনের উপায়গুলোর নাম লেখ।
গ. লোহার রডে কোন পদ্ধতিতে তাপের সঞ্চালন হয়েছে?
ঘ. জ্বলন্ত আগুনের পাশে দাঁড়ালে আমরা তাপ অনুভব করি। এটি কোন পদ্ধতিতে সঞ্চালিত হয়?
ঙ. গ্যাসকে উত্তপ্ত করা হলে ঘনত্বের কীরূপ পরিবর্তন হয়?

উত্তর:
ক. তিনটি।
খ. পরিবহণ, পরিচলন, বিকিরণ।
গ. পরিবহণ।
ঘ. বিকিরণ।
ঙ. হালকা হয়ে যায় অর্থাৎ ঘনত্ব কমে।

প্রশ্ন-৮। আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত পদার্থের বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। তোমার আশপাশের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. কোনো পদার্থের তরল অবস্থা থেকে কঠিন অবস্থায় রূপান্তর হওয়াকে কী বলে?
খ. কঠিনীভবনের একটি উদাহরণ দাও।
গ. তাপমাত্রায় কোনো পদার্থের গলন শুরু হওয়াকে কী বলে?
ঘ. বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তর হওয়াকে কী বলে?
ঙ. ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থের দুটি উদাহরণ দাও।

উত্তর:
ক. কঠিনীভবন।
খ. জ্বলন্ত মোমবাতি থেকে গলিত মোম গড়িয়ে পড়ে সেটি আবার শীতল হয়ে যাওয়া।
গ. গলনাঙ্ক।
ঘ. ঘনীভবন।
ঙ. ন্যাপথলিন, আয়োডিন।

প্রশ্ন-৯। আমরা দৈনন্দিন জীবনে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন স্কেল ব্যবহার করি। উক্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. তাপমাত্রা পরিমাপের তিনটি স্কেলের নাম লেখ।
খ. ফারেনহাইট স্কেলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
গ. কেলভিন স্কেলে বরফের গলনাঙ্ক কত?
ঘ. ফুটন্ত পানির তাপমাত্রা কত ফারেনহাইট?
ঙ. পরম শূন্য তাপমাত্রার মান কত?

উত্তর:
ক. সেলসিয়াস, কেলভিন, ফারেনহাইট।
খ. 98.4°F
গ. 273.15K
ঘ. 212°F
ঙ. 273.15°C


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর
🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।