|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায়: প্রাকৃতিক পরিবেশে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীবদেহ থেকে শুরু করে অতি বৃহদাকার ও উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের সাংগঠনিক এবং কার্যপ্রণালিতে প্রচুর মিল-অমিল রয়েছে। সকল জীবদেহের মধ্যে সাধারণ মিল বা সাদৃশ্যটি হলো যে, জীবদেহ মাত্রই কোষ দ্বারা গঠিত। বিগত কয়েক বছর ধরে বিজ্ঞানিগণ নিরলস প্রচেষ্টায় কোষের গঠন, আকৃতি, প্রকৃতি ও অন্যান্য বিষয়ে প্রচুর গবেষণামূলক কাজ করেছেন।

একটি জীবদেহের সব কোষের গঠন প্রকৃতি এক রকম নয় বরং ভিন্ন। প্রথম দিকে যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে জীববিজ্ঞানীরা কোষের যে ধারণা পেয়েছিলেন তা ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কারের পর আরো সুস্পষ্ট ও বিস্তারিত হয়েছে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় শূন্যস্থান পূরণ কর

১.সকল জীবই ____ নিয়ে গঠিত।
২. বাংলা কোষ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে ____।
৩. অণুবীক্ষণযন্ত্রের আবিষ্কারক হচ্ছেন ____।

৪. ____ এর নামকরণ করেছেন রবার্ট হুক।
৫. কোষকে বলা হয় ____। গঠন এবং কাজ সম্পাদনের একক।
৬. ব্যাকটেরিয়া ____ জীব।
৭. উদ্ভিদ এবং কিছু অণুজীব কোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ____।

৮. কোষ প্রাচীরের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ____।
৯. ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান হচ্ছে প্রোটিন ও ____।
১০. কোষের সমস্ত জৈব রাসায়নিক কাজ সম্পন্ন হয় ____।
১১. প্রোটোপ্লাজমকে যদি গল্পের তালপুকুর মনে করা হয় তাহলে পুকুরের মাঝখানের কৌটাটা হবে কোষের ____।

১২. নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন ____।
১৩. কোষের সব ধরনের কার্যকলাপের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র হলো ____।
১৪. সাইটোপ্লাজম প্রধানত ____ দ্বারা গঠিত।
১৫. যেকোনো জীবের দেহে সংঘটিত সকল রাসায়নিক বিক্রিয়াকে একত্রে ____ বলে।

১৬. সাইটোপ্লাজম কোষের অস্ত্রীয় বা ____ অবস্থাও নিয়ন্ত্রণ করে।
১৭. মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের ____ বলা হয়।
১৮. মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরের অর্ধতরল দানাদার পদার্থকে ____ বলা হয়।

১৯. উদ্ভিদে বর্ণহীন যেসব প্লাস্টিড থাকে সেগুলোকে বলা হয় ____।
২০. উদ্ভিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্লাস্টিড হচ্ছে ____।
২১. ক্লোরোপ্লাস্টে সবুজ বর্ণের ____ নামের অণু থাকে।
২২. ক্লোরোপ্লাস্টের উপস্থিতির কারণে উদ্ভিদের পাতা ও কচি শাখা প্রশাখা ____ দেখায়।

২৩. সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি সংঘটিত হয় ____।
২৪. মানুষের ক্ষেত্রে দেহকোষ বিভাজিত হয় যে প্রক্রিয়ায় তাকে বলা হয় ____ কোষ বিভাজন।
২৫. প্রজনন কোষ তৈরি হবার প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় ____ কোষ বিভাজন।
২৬. জননকোষে নির্দিষ্ট সংখ্যক ____ থাকা দরকার।

উত্তর: ১. কোষ; ২. Cell; ৩. রবার্ট হুক; ৪. কোষের, ৫. জীবের, ৬. এককোষী; ৭. কোষ্প্রাচীর; ৮. সেলুলোজ, ৯. লিপিড, ১০. প্রোটোপ্লাজমে; ১১. নিউক্লিয়াস; ১২. রবার্ট ব্রাউন, ১৩. নিউক্লিয়াস; ১৪. প্রোটিন; ১৫. বিপাক; ১৬. ক্ষারীয়; ১৭. শক্তিঘর, ১৮. ম্যাট্রিক্স; ১৯. লিউকোপ্লাস্ট; ২০. ক্লোরোপ্লাস্ট; ২১. ক্লোরোফিল; ২২. সবুজ, ২৩. ক্লোরোপ্লাস্টে; ২৪. মাইটোসিস; ২৫. মায়োসিস; ২৬. ক্রোমোসোম।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় সত্য/মিথ্যা নির্ণয়

১. সকল জীব কোষ দ্বারা গঠিত।
২. জীবের গঠন এবং কাজের একককে নিউক্লিয়াস বলে।
৩. সাইটোপ্লাজম প্রধানত প্রোটিন দ্বারা গঠিত।

৪. রবার্ট হুক নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।
৫. প্রোটিন ক্ষুদ্র ধরনের জৈব অণু।
৬. প্রোটোপ্লাজমে ৭৫-৯৫% পানি বিদ্যমান থাকে।
৭. রাইবোজোমকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়।

৮. সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষ হলো প্রকৃত কোষ।
৯. লিউকোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয় করে।
১০. প্রজনন কোষ তৈরি হয় মাইটোসিস কোষ বিভাজনে।
১১. জীবের স্বাভাবিক প্রজনন ও বৃদ্ধির জন্য স্বাভাবিক কোষ বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ।

১২. সবুজ বর্ণ ধারণকারী প্লাস্টিড হলো ক্রোমোপ্লাস্ট।
১৩. ম্যাট্রিক্স হলো মাইটোকন্ড্রিয়ার অর্ধতরল দানাদার পদার্থ।
১৪. কোষের সকল প্রকার কার্য নিয়ন্ত্রণ করে কোষঝিল্লি।

উত্তর : ১. সত্য, ২. মিথ্যা, ৩. সত্য, ৪. মিথ্যা, ৫. মিথ্যা, ৬. সত্য, ৭. মিথ্যা, ৮. সত্য, ৯. সত্য, ১০. মিথ্যা, ১১. সত্য, ১২. মিখা, ১৩. সত্য, ১৪. মিথ্যা।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। কোষ কী?
উত্তর: জীবের গঠন ও কার্যনির্বাহী একক হলো কোষ।

প্রশ্ন-২। সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে?
উত্তর: সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন রবার্ট হুক (Robert Hooke).

প্রশ্ন-৩। এককোষী জীব কোনগুলো?
উত্তর: এককোষী জীবগুলো হলো- ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, ইস্ট ইত্যাদি।

প্রশ্ন-৪। কোষ অঙ্গাণু কাকে বলে?
উত্তর: যেসকল ছোট ছোট অংশ নিয়ে কোষ গঠিত হয় তাদের কোষ অঙ্গাণু বলে।

প্রশ্ন-৫। কৌদ্ৰাচীৰ কী?
উত্তর: কোষের সব থেকে বাহিরের দিকে শক্ত যে আবরণ থাকে তাই কোষপ্রাচীর।

প্রশ্ন-৬। প্রাণীকোষের সব থেকে বাইরের স্তর কোনটি?
উত্তর: প্রাণীকোষের সব থেকে বাইরের স্তর কোষঝিল্লি।

প্রশ্ন-৭। প্রোটোপ্লাজম কী?
উত্তর: কোষ্প্রাচীর এবং ঝিল্লি দ্বারা আবৃত থাকা কোষের যে বহু, ঘন ও জেলির ন্যায় বস্তু দেখা যায় তাই হলো প্রোটোপ্লাজম।

প্রশ্ন-৮। প্রকৃত কোষ কাকে বলে?
উত্তর: যে সকল কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দ্বারা পরিবেষ্টিত ও সুগঠিত থাকে, তাদের প্রকৃত কোষ বলে।

প্রশ্ন-৯। নিউক্লিয়াস কে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন রবার্ট ব্রাউন।

প্রশ্ন-১০। কোষের শক্তিঘর বলা হয় কাকে?
উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়।

প্রশ্ন-১১। উদ্ভিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্লাস্টিড কোনটি?
উত্তর: উদ্ভিদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্লাস্টিড হলো ক্লোরোপ্লাস্ট।

প্রশ্ন-১২। মিওসিস কোষ বিভাজন দেহের কোথায় সংঘটিত হয়?
উত্তর: মিওসিস কোষ বিভাজন সংঘটিত হয় দেহের জনন অঙ্গের জনন মাতৃকোষে।

প্রশ্ন-১৩। ম্যাট্রিক্স কী?
উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়ার অর্ধতরল দানাদার পদার্থ হলো ম্যাট্রিক্স।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। ইটের পর ইটের গাঁথুনিতে যেমন একটি বড় বাড়ি তৈরি হতে দেখি, তেমনি আমাদের সেই কোটি কোটি কোষ দিয়ে গঠিত। কোষ জীবদেহের বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পন্নের জন্য অত্যাবশ্যক কেন?
উত্তর: সকল জীবের দেহ অসংখ্য কোষ এর সমন্বয়ে গঠিত। কোনো জীবের শারীরিক গঠনের একক হচ্ছে কোষ। আবার জীবের যেকোনো কাজ সম্পন্ন হবার প্রাথমিক স্থান হলো কোষ।

ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, ইস্ট প্রভৃতি এককোষী জীব। এদের সাধারণত অণুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখা যায় না। বহুকোষী জীব সাধারণত খালি চোখে দেখা যায়। এসকল জীব অসংখ্য কোষের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন জীব দেখতে ভিন্ন হলেও তাদের গঠন ও কার্য সম্পাদনকারী কোষগুলোর মৌলিক উপাদান একই ধরনের হয়।

সকল জীবের কোষ কার্বোহাইড্রেট, লিপিড ও প্রোটিন নামক জৈব অণু দ্বারা গঠিত। কার্বোহাইড্রেট জীবদেহের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে। লিপিড শক্তি সঞ্চয় করে রাখে। কোষ পর্দার গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রোটিন জীবদেহের অভ্যন্তরে বিভিন্ন কার্য সম্পাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সুতরাং জীবদেহের বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পন্নের জন্য কোষ অত্যাবশ্যক।

প্রশ্ন-২। মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি ঘর বলা হয় কেন?
উত্তর: কোষের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষেই মাইটোকন্ড্রিয়া বিদ্যমান থাকে। কোষে এক বা একাধিক সংখ্যায় মাইটোকন্ড্রিয়া বিদ্যমান থাকে।

জীবের শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদনের কয়েকটি ধাপ মাইটোকন্ড্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোষের ভেতরে থাকা গ্লুকোজ অণু ভেঙে জীবের ব্যবহারযোগ্য শক্তি উৎপন্ন হয়। জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ।

শ্বসন ক্রিয়ায় চারটি ধাপের মধ্যে গ্লাইকোলাইসিস ছাড়া অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র মাইটোকন্ড্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লেবস চক্রে অংশগ্রহণকারী সকল এনজাইম বা উৎসেচক মাইটোকন্ড্রিয়ায় অবস্থিত থাকে। ক্লেবস চক্রে, সব থেকে বেশি শক্তি উৎপন্ন হয়, বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিষ্কর (Power-house) বলা হয়।

প্রশ্ন-৩। গাছ যে সংবেদনশীল একটি উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: কিছু কিছু ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায় যে, গাছের অনুভূতি রয়েছে অর্থাৎ গাছ সংবেদনশীল। গাছের সংবেদনশীলতার পেছনে কোষগহ্বর (Vacoule) বিরাট ভূমিকা পালন করে। কিছু উদ্ভিদের পাতার গোড়ায় বা কাণ্ডে কোষগহ্বরে পানি জমা থাকে।

ফলে গাছের পাতা বা কাণ্ড সোজা থাকে। কিন্তু কোনো কারণে কোষগহ্বর থেকে পানি বের হয়ে গেলে কোষগুলো চুপসে যায় ফলে গাছের পাতা বা কাণ্ড নুয়ে পড়ে। উদাহরণ হিসেবে লজ্জাবতী গাছের পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। লজ্জাবতী গাছের পাতার গোড়ায় অসংখ্য কোষ বিদ্যমান থাকে। এই সকল কোষের কোষগহ্বর পানি দ্বারা ভর্তি থাকে। কোষগহ্বর পানি ভর্তি হবার কারণে লজ্জাবতী গাছের পাতার ডাঁটা সোজা হয়।

কিন্তু হঠাৎ পাতা- স্পর্শ করলে কোষ থেকে পানি বের হয়ে যায়। এর ফলে ফোলা কোষসমূহ চুপসে যায় এবং লজ্জাবতী পাতার ডাঁটা নিচের দিকে নুয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে সকল পাতার কোষে এই প্রভাব পড়ে এবং সব পাতা নুয়ে পড়ে। গাছের যে অনুভূতি আছে বা গাছ যে সংবেদনশীল তা লজ্জাবতী গাছের উদাহরণ থেকে বুঝা যায়।

প্রশ্ন-৪। জীবের স্বাভাবিক প্রজনন ও বৃদ্ধির জন্য স্বাভাবিক কোষ বিভাজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: জীবের বৃদ্ধির জন্য তার কোষের বিভাজন অভ্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবের দেহকোষ যে প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজ্য এবং জননকোষ তৈরি হবার প্রক্রিয়াকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলে। কোষ বিভাজন অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত একটি প্রক্রিয়া।

সংখ্যাগত ও গুণগত উভয় দিক থেকে স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন কোষ হওয়া জরুরি। যদি কোনো কোষ অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিভাজনের মাধ্যমে সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়, তখন তা জীবের জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে সক্ষম। মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি থেকে দুটি, দুটি থেকে চারটি এভাবে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সংখ্যা বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়ায় একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে, কোষগুলোর মৃত্যু ঘটে।

এভাবে জীবের কোষের সংখ্যার একটি ভারসাম্য বজায় থাকে। কিন্তু কোনো কারণে কোষের মৃত্যু না ঘটলে, অথবা নতুন নতুন কোষ তৈরি হতে থাকলে, শরীরে টিউমার সৃষ্টি হয় যা এক পর্যায়ে ক্যান্সারের রূপ ধারণ করে। আবার মিওসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় জনন কোষ তৈরি হয়। জনন কোষে নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম বিদ্যমান থাকে। যদি কোন কারণে কোষে স্বাভাবিকতার থেকে বেশি বা কম ক্রোমোজোম বিদ্যমান থাকে, তবে এসকল জনন কোষ থেকে অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সন্তান জন্ম গ্রহণ করবে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, জীবের স্বাভাবিক প্রজনন ও বৃদ্ধির জন্য স্বাভাবিক কোষ বিভাজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৪র্থ অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।