|

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর

বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায়: আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাতাস, পানি, লোহা, খাদ্যদ্রব্য, বইপুস্তক, চক ইত্যাদি নানা রকম জিনিস বা পদার্থ ব্যবহার করি বা তাদের সংস্পর্শে আসি। এদের মধ্যে কোনোটি আছে মৌলিক পদার্থ, কোনোটি যৌগিক আবার কোনোটি আছে বিভিন্ন পদার্থের মিশ্রণ। এগুলোর মধ্যে সবকিছুই কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় পদার্থ।

বিভিন্ন পদার্থের প্রকৃতি ও গঠন বিভিন্ন রকম হলেও, সবই মূলত কয়েকটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণিকা দিয়ে গঠিত। এ সকল অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণিকাগুলোকে পরমাণু বলা হয়। পরমাণুসমূহ বিভাজনে স্থায়ী কণিকা ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন পাওয়া যায়। প্রতিটি পরমাণুতে সমান সংখ্যক ইলেকট্রন ও প্রোটন থাকে। প্রতিটি মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় শূন্যস্থান পূরণ কর

১. চিনি একটি ____ পদার্থ।
২. পানি হচ্ছে তরল কিন্তু অক্সিজেন এবং হাইড্রোজেন হচ্ছে ____।
৩. বাষ্পের উপস্থিতিতে লোহার মৌল অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ____ নামের যৌগ তৈরি করে।

৪. দুই বা ততোধিক পদার্থের একত্রে অবস্থান করাকে বলে ____।
৫. একটি মিশ্রণে দুই বা ততোধিক ভিন্ন পদার্থ থাকে যেগুলো ____ ভাবে যুক্ত নয়।
৬. রং, গন্ধ, ঘনত্ব, গলনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্ক এবং দ্রাব্যতা হলো ____ ধর্মের উদাহরণ।

৭. মৌলে শুধুমাত্র এক ধরনের ____ থাকে।
৮. মিশ্রণকে আমরা ____ ভাগে ভাগ করতে পারি।
৯. পদার্থ ____ নামে অত্যন্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত।

১০. পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক হলো ____।
১১. ব্রোমিন হলো ____ পদার্থ।
১২. আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং ____ ত্যাগ করি।

১৩. কার্বন মনোক্সাইডের সংকেত ___।
১৪. লবণ তৈরি হয় সোডিয়াম এবং ____ পরমাণু দিয়ে।
১৫. লবণের অণুগুলো এলোমেলোভাবে না থেকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ____ হিসেবে সাজানো থাকে।

১৬. সোডিয়ামকে সব সময় ____ ডুবিয়ে রাখতে হয়।
১৭. কাপড় ধোয়ার সোডার বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে ____।
১৮. চিনির সংকেত হচ্ছে ____।

উত্তর: ১. যৌগিক; ২. গ্যাস; ৬. মরিচা; ৪. মিশ্রণ; ৫. রাসায়নিক; ৬. ভৌত; ৭. পরমাণু; ৮. তিন; ৯. পরমাণু; ১০. পরমাণু: ১১. তরল; ১২. কার্বন ডাইঅক্সাইড; ১৩, CO; ১৪. ক্লোরিন; ১৫. কেলাস; ১৬. কেরোসিনে; ১৭. সোডিয়াম কার্বনেট, ১৮. C6H12O6.


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় সত্য/মিথ্যা নির্ণয়

১. বিশুদ্ধ লোহা মৌলিক পদার্থ।
২. অক্সিজেন মৌলিক পদার্থ।
৩. আমরা শ্বাস-প্রশ্বাসে অক্সিজেন গ্রহণ করি।

৪. পানিকে ভাঙলে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন পাওয়া যায়।
৫. লোহার মৌল অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা উৎপন্ন করে।
৬. বায়ু একটি মিশ্রণ।

৭. দ্রাব্যতা হলো ভৌত ধর্মের উদাহরণ।
৮. মৌলে একের অধিক পরমাণু থাকে।
৯. অক্সিজেনের অণুতে দুটি পরমাণু বিদ্যমান।

১০. অণু মুক্ত বা স্বাধীনভাবে থাকতে পারে না।
১১. মোট আবিষ্কৃত মৌলের সংখ্যা ১১২।
১২. প্রকৃতিতে পাওয়া যায় ৯৮টি মৌল।

১৩. সোনার ল্যাটিন নাম Aurum.
১৪. সোডিয়ামের প্রতীক Na.
১৫. পানির সংকেত H2O

১৬. ভয়ংকর বিষাক্ত গ্যাস CO
১৭. কার্বনের প্রতীক Cai

১৮. পাকস্থলীতে HCI থাকে।
১৯. সোডিয়াম ক্লোরাইডের সংকেত NaCl।
২০. কৃত্রিমভাবে আবিষ্কৃত মৌলের সংখ্যা ২২টি।

উত্তর : ১. সত্য, ২. মিথ্যা, ৩. ‘সত্য, ৪. মিথ্যা, ৫. সত্য, ৬. সত্য, ৭. সত্য, ৮. মিথ্যা, ৯. সত্য, ১০. মিথ্যা, ১১. মিথ্যা, ১২. সত্য, ১৩. সভ্য, ১৪. সত্য, ১৫. সত্য, ১৬. মিথ্যা, ১৭. মিথ্যা, ১৮. সত্য, ১৯. সত্য, ২০. মিথ্যা।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। লোহা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কী উৎপন্ন করে?
উত্তর: লোহা অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা বা ফেরিক অক্সাইড উৎপন্ন করে।

প্রশ্ন-২। মিশ্রণ কাকে বলে?
উত্তর: দুই বা ততোধিক পদার্থের একত্রে অবস্থান করাকে মিশ্রণ বলে।

প্রশ্ন-৩। বায়ু একটি মিশ্রণ কেন?
উত্তর: বায়ু একটি মিশ্রণ। কারণ বায়ুতে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড বা বাষ্প ইত্যাদির ন্যায় বিভিন্ন পদার্থ বিদ্যমান থাকে।

প্রশ্ন-৪। বিশুদ্ধ পদার্থ কী?
উত্তর: যে পদার্থ একটি উপাদান বা একটি যৌগ নিয়ে গঠিত তাকে বিশুদ্ধ পদার্থ বলে।

প্রশ্ন-৫। বিশুদ্ধ পদার্থ শনাক্ত করতে কোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে?
উত্তর: বিশৃদ্ধ পদার্থ শনাক্ত করতে ভৌত ধর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রশ্ন-৬। মিশ্রণ কত প্রকার কী কী?
উত্তর: মিশ্রণ তিন প্রকার। যথা- (i) বিভিন্ন মৌলের মিশ্রণ (ii) বিভিন্ন মৌল ও যৌগের মিশ্রণ (iii) বিভিন্ন যৌগের মিশ্রণ।

প্রশ্ন-৭। পরমাণু কী?
উত্তর: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক যা একটি মৌলের বৈশিষ্ট্য ধরে রাখে।

প্রশ্ন-৮। পদার্থ পরমাণু নামে অত্যন্ত ছোটো ছোটো কণা কে বলেছেন?
উত্তর: বিজ্ঞানী ডাল্টন।

প্রশ্ন-৯। মৌলের প্রতীক কীভাবে লেখা হয়।
উত্তর: সাধারণত প্রতীকগুলো মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের প্রথম একটি বা দুটি অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। দুটি অক্ষর দিয়ে প্রতীক প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রথমটি হবে বড় অক্ষরে এবং দ্বিতীয়টি ছোট অক্ষরে। যদি দুই বা দুইয়ের অধিক মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর একই হয়, তবে একটি মৌলকে নামের প্রথম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে প্রতিটি দুই অক্ষরে লেখা হয়।

প্রশ্ন-১০। সোডিয়াম এবং তামার ল্যাটিন নাম লেখ।
উত্তর: সোডিয়াম এবং তামার ল্যাটিন নাম হলো- Natrium এবং Cuprum.

প্রশ্ন-১১ (পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তর: বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO) এর পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে গ্রিন হাউস ইফেক্টের মাধ্যমে পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।

প্রশ্ন-১২। সোডিয়ামকে ফেরোসিমে ডুবিয়ে রাখা হয় কেন?
উত্তর: সোডিয়াম পরমাণুটি অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল একটি ধাতু। খোলা বাতাসে রাখলে এটিতে আগুন ধরে যেতে পারে, আবার পানির সাথে এটি ভয়ংকরভাবে বিক্রিয়া করে বলে সোডিয়ামকে সবসময় কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখা হয়।

প্রশ্ন-১৩। কাপড় ধোয়ার সোডার সংকেত দেখ।
উত্তর: কাপড় ধোয়ার সোডার সংকেত হলো Na2CO3. প্রশ্ন-১৪। Na2CO3 এর অণুতে মোট কতটি পরমাণু আছে? উত্তর: Na2CO3 এর অণুতে মোট পরমাণু আছে ৬টি।

প্রশ্ন-১৫। চিনির একটি অণু তৈরি হয়েছে কোন কোন পরমাণু দ্বারা?
উত্তর: চিনির সংকেত হলো C12H22O11. সুতরাং চিনির একটি অণু তৈরি হয়েছে কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন (O) পরমাণু দ্বারা।

প্রশ্ন-১৬। আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাক করার জন্য কোন এসিড থাকে?
উত্তর: আমাদের পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাক করার জন্য হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) থাকে।


বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১। পানিকে যৌগিক পদার্থ বলা হয় কেন? ধর্মাবলির আলোকে ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: পানি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন নামক ভিন্ন দুটি মৌলিক পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত। হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন বর্ণহীন ও গন্ধহীন গ্যাসীয় পদার্থ। আবার হাইড্রোচ্ছেন অক্সিজেনের উপস্থিতিতে আগুন দিলে নিজেই স্কুলে এবং অক্সিজেন কোনো কিছুকে ভুলতে সাহায্য করে কিন্তু নিজে জ্বলে না। অন্যদিকে পানি বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং সাধারণ অবস্থায় তরল। এছাড়া পানি কোনো কিছু ভুলতে সাহায্য করে না। অর্থাৎ পানির ধর্ম তার উপাদানগুলোর ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই মৌলিক পদার্থের ধর্ম থেকে ভিন্ন হওয়ায় পানিকে যৌগিক পদার্থ বলা হয়।

প্রশ্ন-২। বাজারের বোতলজাত আমের জুস রাসায়নিক অর্থে বিশুদ্ধ নয় কেন?
উত্তর: কোনো পদার্থ বিশুদ্ধ বলতে সেটি শুধু একটি উপাদান বা একটি যৌগ নিয়ে গঠিত পদার্থকে বুঝানো হয়। বাজারের বোতলজাত আমের জুসে উপাদান হিসেবে আমের রস ছাড়াও অন্যান্য উপাদানের উপস্থিতি রয়েছে। ফলে আমের জুসের মিশ্রণ দুই বা ততোধিক ভিন্ন পদার্থ থাকে যেগুলো রাসায়নিকভাবে মুক্ত নয়। অর্থাৎ এতে বিভিন্ন পদার্থ একত্রে মিশে থাকে। তাই বাজারের বোতলজাত আমের জুস রাসায়নিক অর্থে বিশুদ্ধ নয়।

প্রশ্ন-৩। তোমার বড় বোনের একটি নূপুর আছে যা রুপা দিয়ে তৈরি। Ag প্রতীক দিয়ে এর নামকরণ করা হয় কেন?
উত্তর: নতুন আবিষ্কৃত মৌলগুলোর পরিচয় জানতে নামকরণ প্রকাশ করা হয়। রূপা মৌলটি আবিষ্কারের পর বিভিন্ন অঞ্চলে রজত, চাঁদি বা সিলভার নামে প্রচার করা হতো। আবার প্রাচীনকালে এ মৌলটিকে আর্জেনটাম বলা হতো। মৌলটির নির্দিষ্ট কোনো নাম উল্লেখ না থাকায় বিজ্ঞানীদের দেওয়া অভিন্ন একটি নাম সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করে। মৌলের প্রতীক সাধারণত ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের প্রথম একটি বা দুটি অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। রুপা মৌলটির ল্যাটিন নাম Argentum শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ Ag প্রতীক হিসেবে নামকরণ করা হয়।

প্রশ্ন-৪। সোডিয়াম ও ক্লোরিন মৌল দুটি অত্যন্ত বিক্রিয়াশীল হওয়া সত্ত্বেও এদের দ্বারা গঠিত যৌগ কোনো বিপদ তৈরি করতে পারে না কেন?
উত্তর: সোডিয়াম খোলা বাতাসে রাখলে এটিতে আগুন ধরে যেতে পারে। আবার পানির সাথে এটি বিপজ্জনক বিক্রিয়া করে বলে কেরোসিনে ডুবিয়ে রাখতে হয়। একইভাবে ক্লোরিন খুবই বিক্রিয়াশীল এবং বিষাক্ত একটি গ্যাস। কিন্তু এ দুটি মৌল দ্বারা গঠিত যৌগ সোডিয়াম ক্লোরাইড যৌগের অণুগুলো এলোমেলোভাবে না থেকে সুসজ্জিত কেলাস বা ক্রিস্টাল হিসেবে শক্তভাবে আবদ্ধ থাকে। তাই সোডিয়াম ও ক্লোরিন মৌল দুটি যৌগ হতে মুক্ত হয়ে কোনো বিপদ তৈরি করতে পারে না।

প্রশ্ন-৫। হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও আমাদের পাকস্থলীর কোনো ক্ষতি করে না কেন?
উত্তর: হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড একটি বিপজ্জনক অ্যাসিড যা মানুষের ত্বকের সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে যায়। এ অ্যাসিডটি পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি পদার্থ। আমাদের পাকস্থলীর ভেতরের প্রাচীর এক বিশেষ ধরনের কোষ দ্বারা আবৃত থাকে। কোষগুলো মিউকাস ক্ষরণের মাধ্যমে পাকস্থলীর নিরাপদ স্তর তৈরি করে রাখে। তাই হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও কস্থলীর কোনো ক্ষতি করে না।

প্রশ্ন-৬। যৌগিক পদার্থ বিভিন্ন মৌলিক হয়। যৌগিক পদার্থ সোডিয়াম ক্লোরাই মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করা যায়। তোমার আশেপাশের বিভিন্ন পদার্থ পর্যবেক্ষণ করে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।
ক. তামা কোন ধরনের পদার্থ?
খ. নাইট্রোজেন কয়টি উপাদান দিয়ে তৈরি?
গ. তিনটি মৌলিক পদার্থের নাম লেখ।
ঘ. মরিচার বর্ণ কীরূপ?
ঙ. মঙ্গল গ্রহের রং লাল দেখায় কেন?
চ. দুটি মিশ্রণের উদাহরণ দাও।
ছ. মিশ্রণকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?

উত্তর:
ক. মৌলিক পদার্থ।
খ. একটি।
গ. লোহা, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন।
ঘ. লাল বা বাদামি।
ঙ. লালাভ ফেরিক অক্সাইডের উপস্থিতির কারণে।
চ. বায়ু, আমের জুস।
ছ. তিনভাগে।


🔰🔰 আরও দেখুন: ডিজিটাল প্রযুক্তি ৭ম শ্রেণি ৯ম অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় প্রশ্ন ও উত্তর” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।