|

৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩

৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩: প্রথমে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ অঞ্চলে কোন কোন ধরনের ফসল/উদ্ভিদের ফলন ভালো হয় তা অনুসন্ধান করবে। এই জন্য তারা সরাসরি কৃষিক্ষেত্র পরিদর্শন করতে পারে। এছাড়া বাবা-মা, প্রতিবেশী, বা কমিউনিটির সংশ্লিষ্ট মানুষ যেমন এলাকার কৃষিজীবী মানুষ বা নার্সারিতে কর্মরত আছেন এমন কারো কাছ থেকে তথ্য নিতে পারে। এরপর তারা ঐ এলাকার মাটি বা পরিবেশের কোন বৈশিষ্ট্যের জন্য নির্দিষ্ট ধরনের ফসল বা উদ্ভিদ এই এলাকায় বেশি জন্মে সে সম্পর্কে অনুসন্ধান করবে।

এছাড়া কীভাবে ভালো চারা নির্বাচন করতে হয়, পরিচর্যা করতে হয় সে বিষয়েও তথ্য অনুসন্ধান করবে। এই ধাপে এলাকার কোনো কৃষিজীবীকে ক্লাসে আমন্ত্রণ জানানো হবে যিনি অতিথি শিক্ষক হিসেবে তার নিজ অভিজ্ঞতা থেকে এই বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের ব্যাখ্যা করবেন। এই সকল আলোচনার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থী কৃত্রিম নির্বাচনের মাধ্যমে কীভাবে ফসল/উদ্ভিদের নতুন জাত সৃষ্টি হয়, বা অধিক উৎপাদনশীল জাতের ফলন বাড়ানো হয় এই বিষয়গুলো জানবে। ও এই আলোচনার সূত্র ধরে উদ্ভিদের প্রজাতির বৈচিত্র্য কীভাবে সৃষ্টি হয় সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রাকৃতিক নির্বাচন এবং তার প্রেক্ষাপট হিসেবে বিবর্তন ও অভিযোজন বিষয়ে ধারণা তৈরি করবে।

সবশেষে শিক্ষার্থীদের কাজ হবে সরাসরি কৃষিকাজে অংশ নিয়ে নিজেদের অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগানো। এই শিখন অভিজ্ঞতা শেষ হয়ে গেলেও তার এই কর্মকাণ্ড চালু থাকবে এবং শিক্ষক বছরের বিভিন্ন সময়ে তাদের নিজেদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দেবেন।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. জীববৈচিত্র্য কী?
উত্তর: উদ্ভিদ, প্রাণী, অণুজীবসহ সকল জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যই হলো জীববৈচিত্র্য।

প্রশ্ন-২. বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী পৃথিবীতে কত প্রজাতির জীব রয়েছে?
উত্তর: বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী পৃথিবীতে প্রায় ৮-১৪ মিলিয়ন (৮০-১৪০ লক্ষ) ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীব রয়েছে।

প্রশ্ন-৩. কত প্রজাতির জীব প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে?
উত্তর: ১.২ মিলিয়ন (১২ লক্ষ) প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪, অভিযোজন কী?
উত্তর: জীব তার পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকা ও বংশবৃদ্ধি করার জন্য, পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য যেসব কৌশল ও পদ্ধতি অনুসরণ করে তাই হলো অভিযোজন।

প্রশ্ন-৫. বিবর্তন কী?
উত্তর: দীর্ঘ সময় ধরে জীবের মধ্যে পরিবর্তন ঘটার প্রক্রিয়া হলো বিবর্তন।

প্রশ্ন-৬. প্রজনন কী?
উত্তর: কোনো জীব তার জীবদ্দশায় যে প্রক্রিয়ায় নিজের প্রতিরূপ সৃষ্টি করে তাই হলো প্রজনন

প্রশ্ন-৭. প্রজাতি কী?
উত্তর: একই গুণ ও বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন যেসব জীব নিজেদের মধ্যে সঠিকভাবে প্রজনন করে বংশবিস্তার করতে পারে সেই সকল জীব হলো একটি প্রজাতি (Species)

প্রশ্ন-৮. কীসের মাধ্যমে জীব তার প্রজাতিকে পরিবেশে বাঁচিয়ে রাখে?
উত্তর: প্রজননের মাধ্যমে জীব তার প্রজাতিকে পরিবেশে বাঁচিয়ে রাখে।

প্রশ্ন-৯. ৰাস্তুতন্ত্র কী?
উত্তর: বাস্তুতন্ত্র হচ্ছে জৈব, অজৈব পদার্থ ও বিভিন্ন জীবসমন্বিত এমন প্রাকৃতিক একক যেখানে বিভিন্ন জীবসমষ্টি পরস্পরের সাথে এবং তাদের পারিপার্শ্বিক জৈব ও অজৈব উপাদানের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে একটি জীবনধারা গড়ে তোলে।

প্রশ্ন-১০. পৃথিবীতে কয় ধরনের প্রধান বায়োম রয়েছে?
উত্তর: পৃথিবীতে পাঁচটি প্রধান ধরনের বায়োম রয়েছে।

প্রশ্ন-১১. জলজ বায়োম কী?
উত্তর: জলজ বায়োম হলো সমুদ্র, নদী, হ্রদ, হাওড়, বাওড়, জলাভূমি অঞ্চলের বায়োেম।

প্রশ্ন-১২. তৃণভূমি বায়োম কী?
উত্তর: তৃণভূমি বায়োম হলো বিশাল তৃণভূমি অঞ্চলের বায়োম, যেখানে বেশিরভাগ উদ্ভিদ হলো ঘাসজাতীয়।

প্রশ্ন-১৩. স্থানীয় প্রজাতি কী?
উত্তর: যেগুলো শুধু কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বিদ্যমান থাকে, অন্য কোথাও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকে না তারাই হলো স্থানীয় প্রজাতি।

প্রশ্ন-১৪. দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ ফ্লোরিস্টিক অঞ্চলে কত প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে?
উত্তর: দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ ফ্লোরিস্টিক অঞ্চলে প্রায় ৬২০০টি প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে।

প্রশ্ন-১৫. জীববৈচিত্র্যের হটস্পট কী?
উত্তর: যেসব অঞ্চলে স্থানীয় জীবের সংখ্যা অনেক বেশি থাকে সেসব অঞ্চলগুলোই হলো জীববৈচিত্র্যের হটম্পট (Hotspot)।

প্রশ্ন-১৬. গণনার মাধ্যমে কীভাবে জীববৈচিত্র্য পরিমাপ করা যায়?
উত্তর: গণনার মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য পরিমাপের উপায় হলো, একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে বসবাসকারী প্রজাতির মোট সংখ্যা গণনা করা।

প্রশ্ন-১৭. কোন ধরনের অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সবচেয়ে বেশি থাকে?
উত্তর: গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চল, যেখানে সারা বছর উষ্ণ থাকে, সেখানে সবচেয়ে বেশি জীববৈচিত্র্য রয়েছে।

প্রশ্ন-১৮. কোন ধরনের অঞ্চলে জীববৈচিত্র্য সবচেয়ে কম থাকে?
উত্তর: পাহাড়ের চূড়া এবং মরুভূমির মতো শুষ্ক অঞ্চলগুলোতে জীববৈচিত্র্য সবচেয়ে কম থাকে।

প্রশ্ন-১৯. আমাজন রেইন ফরেস্টে কত প্রজাতির উদ্ভিদ বাস করে?
উত্তর: আমাজন রেইন ফরেস্টে অন্তত ৪০,০০০ প্রজাতির বিভিন্ন উদ্ভিদ বাস করে।

প্রশ্ন-২০. প্রবাল প্রাচীরে কোন কোন জীব বাস করে?
উত্তর: প্রবাল প্রাচীরে ক্ষুদ্র সামুদ্রিক শৈবাল থেকে থেকে শুরু করে বড় হাঙর পর্যন্ত বাস করে।

প্রশ্ন-২১. জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের তথ্য কোথায় জমা থাকে?
উত্তর: সকল জীরের জিনে।

প্রশ্ন-২২. জীবকোষের কোথায় জিন থাকে?
উত্তর: নিউক্লিয়াসের ভেতরে।

প্রশ্ন-২৩. জেনেটিক বৈচিত্র্য দ্বারা কী পরিমাপ করা যায়?
উত্তর: জীববৈচিত্র্য।

প্রশ্ন-২৪. মানুষের জিনের সংখ্যা কত?
উত্তর: প্রায় ২৫,০০০।

প্রশ্ন-২৫. প্রতিটি জীব সঠিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য কীসের ওপর নির্ভরশীল?
উত্তর: প্রতিটি জীব সঠিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য তাদের আশেপাশের জড় উপাদান, যেমন- বাতাস, মাটি, পানি ইত্যাদি ছাড়াও অন্যান্য জীবের ওপর নির্ভরশীল।

প্রশ্ন-২৬. প্রাণীদের মল উদ্ভিদের কী কাজে লাগে?
উত্তর: প্রাণীরা যে মল ত্যাগ করে, তা সার তৈরি করে যা মাটিতে পুষ্টি ফেরত দেয় এবং আরও উদ্ভিদ জন্মাতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন-২৭. পৃথিবীর বিভিন্ন জীব প্রজাতি মানুষের জন্য কী ভূমিকা পালন করে?
উত্তর: পৃথিবীর বিভিন্ন জীব প্রজাতি খাদ্য, পোশাক এবং ওষুধ সহ নানা উপকরণ প্রদান করে যা মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রশ্ন-২৮. সিন্ধু-গঙ্গা সমতল ভূমি কী?
উত্তর: সিন্ধু-গঙ্গা সমতল ভূমি হলো একটি বিরাট উর্বর সমভূমি অঞ্চল যা পাকিস্তানের একটি অংশ, উত্তর ও পূর্ব ভারতের অধিকাংশ এবং প্রায় সম্পূর্ণ বাংলাদেশ জুড়ে অবস্থিত।

প্রশ্ন-২৯. সিন্ধু-গঙ্গা সমতল ভূমির নামকরণের কারণ কী?
উত্তর: সিন্ধু-গঙ্গা সমতল ভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সিন্ধু নদ ও গঙ্গা নদীর নামে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৩০. আমাদের দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু কেমন?
উত্তর: নাতিশীতোষ্ণ।

প্রশ্ন-৩১. বাংলাদেশের বনাঞ্চলগুলোতে কত প্রজাতির সপুষ্পক উদ্ভিদ পাওয়া যায়?
উত্তর: ৫০০০ এর অধিক।

প্রশ্ন-৩২. চট্টগ্রামের বনাঞ্চলে কত প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে?
উত্তর: প্রায় ২,২৬০ প্রজাতি।

প্রশ্ন-৩৩. বাংলাদেশে কত প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে?
উত্তর: ১৩২ প্রজাতি।

প্রশ্ন-৩৪. আমাদের দেশে কত প্রজাতির পাখি আছে?
উত্তর: ৫৭৮ প্রজাতি।

প্রশ্ন-৩৫. বাংলাদেশে কত প্রজাতির সরীসৃপ রয়েছে?
উত্তর: ১৫৪ প্রজাতির।

প্রশ্ন-৩৬. আমাদের দেশে কত প্রজাতির উভচর পাওয়া যায়?
উত্তর: ১৯ প্রজাতি।

প্রশ্ন-৩৭. জীববৈচিত্র্যের ঝুঁকির প্রধান কারণ কী?
উত্তর: জীববৈচিত্র্যের ঝুঁকির প্রধান কারণ হলো মানুষের দ্বারা ইচ্ছামতো জীববৈচিত্র্যের ব্যবহার এবং অন্যান্য পরিবেশ ধ্বংসকারী কর্মকাণ্ড।

প্রশ্ন-৩৮. প্রজাতি বিলুপ্তির পেছনে কী মূল ভূমিকা রাখছে?
উত্তর: দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রজাতি বিলুপ্তির পেছনে মূল ভূমিকা রাখছে।

প্রশ্ন-৩৯. কিছু বিজ্ঞানীরা আগামী শতাব্দীর মধ্যে পৃথিবীর কী পরিমাণ প্রজাতি নিশ্চিহ্ন হওয়ার অনুমান করছেন?
উত্তর: কিছু বিজ্ঞানীরা আগামী শতাব্দীর মধ্যে পৃথিবীর সমস্ত প্রজাতির অর্ধেক নিশ্চিহ্ন হওয়ার অনুমান করছেন।

প্রশ্ন-৪০. বাংলাদেশের কতটি প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন?
উত্তর: (IUCN) এর তথ্য মতে, বাংলাদেশের ২৩টি প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন।

প্রশ্ন-৪১. দেশের কতটি প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব বিপন্ন?
উত্তর: দেশের প্রায় ২৯টি প্রজাতির বন্যপ্রাণীর অস্তিত্ব বিপন্ন।

প্রশ্ন-৪২. জীবের নিরাপদ আবাসস্থল ধ্বংসের মূল কারণ কী?
উত্তর: জীবের নিরাপদ আবাসস্থল ধ্বংসের মূল কারণ হলো বনাঞ্চল উজার করে নগরায়ণ, খাদ্য ও বাসস্থানের সংস্থান, ওষুধ ও পরিধেয় বস্ত্রের উপাদান জোগাড় করা।

প্রশ্ন-৪৩. বাংলাদেশের কত প্রজাতির প্রাণী হুমকির সম্মুখীন?
উত্তর: বাংলাদেশের প্রায় ৩৯ টি প্রজাতির প্রাণী হুমকির সম্মুখীন।

প্রশ্ন-৪৪. বাংলাদেশে কতগুলো বৃক্ষ প্রজাতি বিপন্নপ্রায়?
উত্তর: বনবিজ্ঞানীগণের মতে, বাংলাদেশে ১২৫ টির মতো বৃক্ষ প্রজাতি বিপন্নপ্রায়।

প্রশ্ন-৪৫. বন্যপ্রাণী নিধন ও পাচার রোধে নতুন কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: বন্যপ্রাণী নিধন ও পাচার রোধে নতুন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৈরি করা হয়েছে।

প্রশ্ন-৪৬. জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আর কী প্রয়োজন?
উত্তর: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি প্রয়োজন মানুষের সচেতনতা।

প্রশ্ন-৪৭. বাংলাদেশ কোন সমতল ভূমির অংশ?
উত্তর: বাংলাদেশ সিন্ধু-গঙ্গা সমতল ভূমির অংশ।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ নমুনা প্রশ্ন

প্রশ্ন-১. তোমার এলাকার কোন ধরনের বৈশিষ্ট্যের জন্য তোমার তালিকার ফসলগুলো ভালো হয়?
উত্তর: আমার এলাকার মাটির ধরন ও আবহাওয়ার জন্য আমার তালিকা করা ফসলগুলো ভালো হয়।

প্রশ্ন-২. তোমার তালিকার সব ফসলই কি সারাবছর ভালো হয়?
উত্তর: না। আমার তালিকার সব ফসলই সারাবছর ভালো হয় না, কিছু ফসল গ্রীষ্মে ভালো হয়, কিছু বর্ষায় ভালো হয় আবার কিছু শীতকালে ভালো হয়।

প্রশ্ন-৩. যে কোনো ফসলই কি যেকোনো স্থানে ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে?
উত্তর: না। যেকোনো ফসলই যেকোনো স্থানে ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে না। একটি নির্দিষ্ট ফসল তাঁর উপযোগী একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে এবং নির্দিষ্ট জলবায়ুতে ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে।

প্রশ্ন-৪. পাকা ধানের পরিচর্যা কীভাবে করতে হয়?
উত্তর: ধান পাকার পর সে সকল পাখি ধান যায় সেগুলো তাড়ানোর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

প্রশ্ন-৫. কী দেখে বিজ্ঞানী হরিপদ কাপালী নতুন জাতের ধান আলাদা করতে পারলেন?
উত্তর: নতুন জাতের ধানের আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্য দেখে।

প্রশ্ন-৬. হরিপদ কাপালীর নতুন জাতের ধানের এই ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের তথ্য ধানের গাছের কোথায় থাকে?
উত্তর: ধান গাছের দেহকোষের নিউক্লিয়াসে থাকা জিনের ভেতর নতুন জাতের ধানের এই ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের তথ্য থাকে।

প্রশ্ন-৭. হরিপদ কাপালীর ধানক্ষেতে ধান গাছের যে ভিন্নতা দেখা গেছে এটা কী ধরনের বৈচিত্র্য?
উত্তর: হরিপদ কাপালীর ধানক্ষেতে ধান গাছের যে ভিন্নতা দেখা গেছে এটা জিনগত বা জেনেটিক বৈচিত্র্য, যা এক ধরনের জীববৈচিত্র্য।

প্রশ্ন-৮. তোমার এলাকায় ধান চাষ করলে এর ফলন খুবই ভালো হয়। কিন্তু তোমার বন্ধুর এলাকায় ধানের ফলন অতটা ভালো হয় না। ফলন খারাপ হওয়ার কারণ কী হতে পারে তা উল্লেখ করো।
উত্তর: আমার এলাকায় ধান চাষের ফলন ভালো হওয়ার কারণ হলো নদ-নদীর অববাহিকা, হাওর-বাঁওড় ও পলিবাহিত জমি থাকা। অন্যদিকে, আমার বন্ধুর এলাকা নদ-নদীর কাছাকাছি না হওয়ায় কিংবা পর্যাপ্ত পানি ও পলিযুক্ত জমি না থাকায় ধান চাষ করার পর এটি আশানুরূপ ফলন দিতে সক্ষম হয় না।

প্রশ্ন-৯. তোমাদের এলাকায় যে এত ভিন্ন ভিন্ন ফসল বা উদ্ভিদ জন্মায়, এ বিভিন্নতাকে কী বলে?
উত্তর: ভিন্ন ভিন্ন ফসল/উদ্ভিদ জন্মানোর ঘটনাটিকে এক ধরনের জীববৈচিত্র্য বলে।

প্রশ্ন-১০. নতুন প্রজাতির জীবের উদ্ভব কীভাবে ঘটে?
উত্তর: বিবর্তন ও অভিযোজনের ফলে নতুন প্রজাতির জীবের উদ্ভব হয়।

প্রশ্ন-১১. জমিতে ইউরিয়া সার ধাপে ধাপে বা উপরিপ্রয়োগ করো?
উত্তর: ফসলে নাইট্রোজেন নামক পুষ্টি উপাদান সরবরাহের জন্য ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হলে বিভিন্ন উপায়ে এ সারের অপচয় ঘটে ফলে মাটিতে স্থায়ী হয় না। তাই ফসলের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনমাফিক ধাপে ধাপে এ সার প্রয়োগ করতে হয়।

প্রশ্ন-১২. জাবড়া প্রয়োগ কী?
উত্তর: মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য শুকনা খড়, লতাপাতা কচুরিপানা ইত্যাদি দিয়ে মাটি ঢেকে দেওয়া হয়, যাকে জাবড়া প্রয়োগ বলা হয়।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণমূলক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন-১. তোমার এলাকায় একটি পুকুর আছে। এই পুকুরটিতে লক্ষ করে তুমি কিছু জীবদের বাসস্থান ও বৈচিত্র্যতা দেখতে পেলে। পুকুরসহ এই সকল জীবদের একত্রে কী গঠিত হয় তা দেখো।
উত্তর: পুকুরসহ এর আশেপাশের মাটি, পানি, পরিবেশ মিলে একত্রে বস্তুতন্ত্র গঠিত হয়।

প্রশ্ন-২, আমরা সাধারণত লাল গোলাপ দেখে থাকলেও ভিন্ন রঙের যেমন- সাদা, হালকা গোলাপি এমনকি কালো গোলাপও দেখে থাকি। সবগুলোই গোলাপ হওয়া সত্ত্বেও এই ভিন্নতা দেখতে পাওয়া যায় কেন?
উত্তর: একই প্রজাতির সব সদস্যের অধিকাংশ জিনই একই রকম। কিন্তু একই প্রজাতি হওয়া সত্ত্বেও কিছু কিছু জিন সদস্যভেদে ভিন্ন হয়, যার কারণে একই প্রজাতির ভেতর কিছু বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য দেখা যায়। এসব ভিন্ন জিনের কারণেই আমরা ভিন্ন ভিন্ন রং এর গোলাপ দেখতে পাই।

প্রশ্ন-৩. ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুর জেলার ৩৬টি গ্রাম জুড়ে প্রায় ৩১ হাজার একর জমির উপর গড়ে উঠেছে পেয়ারার রাজ্য। মৌসুমে এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার মণ পেয়ারা দেশের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে যায়। এ এলাকায় পেয়ারার ফলন ভালো হয় কেন?
উত্তর: ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুর নদীবিধৌত অঞ্চল হওয়ায় এখানে নদী ও খালের প্রাচুর্য বেশি। তাই এই এলাকা যথেষ্ট আর্দ্র, মাটি হালকা বেলে ও দো-আঁশ প্রকৃতির এবং এখানে পানি সেচ ও নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা আছে যা পেয়ারা চাষের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এ অঞ্চলে পেয়ারার ফলন ভালো হয়।

প্রশ্ন-৪ ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের সাধারণত শ্বাসমূল থাকে। এই ‘শ্বাসমূলগুলো উদ্ভিদের শ্বসন কাজ চালায়। অভিযোজনের মাধ্যমে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের শ্বাসমূল তৈরি হয়েছে কেন?
উত্তর: ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ কিছু কিছু দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য লবণাক্ত পানির নিচে থাকে, আবার কিছু সময় কাদায় নিমজ্জিত থাকে যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে। এই প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য বছরের পর বছর অভিযোজনের মাধ্যমে ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদে শ্বাসমূল সৃষ্টি হয়েছে। এই জন্য ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের শ্বাসমূল বের হয়ে মাটির উপরে উঠে আসে।

প্রশ্ন-৫. তোমাদের বাড়ির পুকুরটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ কর। সেখানে তুমি মাছ, ব্যাঙ ইত্যাদি প্রাণী যেমন দেখতে পাবে, তেমনি, জলজ উদ্ভিদও দেখতে পাবে। তোমার বাড়ির পুকুরের বাস্তুতন্ত্র ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: পুকুরে উৎপাদক হিসেবে থাকে শৈবাল ও অন্যান্য জলজ উদ্ভিদ। এরা নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে। পুকুরে ভাসমান ক্ষুদে পোকা, মশার শূককীট, অতিক্ষুদ্র প্রাণী এরা নিজেরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না, তাই এরা সরাসরি উৎপাদক ভক্ষণ করে বেঁচে থাকে। ছোট মাছ, ব্যাঙ, শোল, বোয়াল, ভেটকি ইত্যাদি বড় মাছ, বক-এরা পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে সর্বোচ্চ শ্রেণির খাদক হিসেবে অবস্থান করে। পুকুরে বহু ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া মৃতজীবী হিসেবে বাস করে। এরা জীবিত বা মৃত প্রাণীদের আক্রমণ করে এবং এদের পচিয়ে উৎপাদক শ্রেণির ব্যবহার উপযোগী ও জৈব ও অজৈব রাসায়নিক উপাদান সৃষ্টি করে। এছাড়াও পানি, সূর্যালোক, অক্সিজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি জড় উপাদানও পুকুরের বাস্তুতন্ত্রের অংশ।

প্রশ্ন-৬. জীবনধারণের জন্য মরুভূমি অঞ্চল খুব একটা সুবিধাজনক না হলেও এখানে গড়ে উঠে মরুভূমি বায়োেম। এ অঞ্চলের উদ্ভিদ পানি বেশি অপচয় করে না এবং এদের বৃদ্ধিও কম। প্রাণীগুলোর মধ্যেও প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার মত কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। তোমার মতে একটি মরুভূমির বায়োমের উপাদানগুলো কী কী?
উত্তর: শুষ্ক বায়ুমণ্ডল, দিনে প্রচণ্ড উষ্ণতা ও প্রখর সূর্যালোকে মরুভূমি অঞ্চলের প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য। এখানে সবুজ উদ্ভিদের সমাবেশ খুবই কম। অধিকাংশই ক্যাকটাস ও কণ্টক যুক্ত গুগ্ম | জাতীয় উদ্ভিদ, কিছু তৃণ জাতীয় উদ্ভিদ এবং খেজুর বাবলা প্রভৃতি বৃক্ষ রয়েছে। খাদকদের মধ্যে উট পাখি, ইঁদুর ও কীটপতঙ্গ উল্লেখযোগ্য। এরা জঙ্গল জাতীয় আবহাওয়ায় বাস করতে পারে। মরুভূমির উট উদ্ভিদ কাণ্ডের নরম শাখাপ্রশাখা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। খুব অল্প সংখ্যক সবুজ উদ্ভিদ এবং মৃত জৈব পদার্থের অপ্রতুলতার দরুন একটি মরুভূমির বাস্তুতন্ত্রের বিয়োজকের পরিমাণ খুবই কম। কিন্তু তাপসহ্যকারী প্রকৃতির ছত্রাক এবং ব্যাকটেরিয়া বিয়োজকের ভূমিকা গ্রহণ করে।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ পর্যবেক্ষণমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. জমির ক্রমশ বেড়ে চলা লবণাত্ততা আর ঝড়ের প্রভাবে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৃষক দিলীপ চন্দ্র তফাদারের জন্য ধান চাষ ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছিল। এ অবস্থা কাটাতে তিনি পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে পাওয়া জ্ঞান কাজে লাগালেন। তিনি বিলুপ্তপ্রায় স্থানীয় জাতের কিছু ধান সংগ্রহ করে সংকরায়ন পদ্ধতিতে উদ্ভাবন করলেন নতুন এক জাত। এর নাম দিলেন চারুলতা, যা লবণাস্ত মাটি, জলাবদ্ধতা, সেই সঙ্গে ঝড়ের বিরুদ্ধেও ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে।

ক. তোমার পঠিত হরিপদ কাপালীর সাথে দিলীপ চন্দ্র তফাদারের কোনো মিল খুঁজে পাও কি?
খ. দিলীপ চন্দ্র তফাদার যে প্রক্রিয়ায় নতুন জাতের ধান আবষ্কিার করলেন তার ধাপগুলো কি?

১ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. হরিপদ কাপালী এবং দিলীপ চন্দ্র তফাদার উভয়ই বিজ্ঞানমনস্ক কৃষক। হরিপদ কাপালী উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান উদ্ভাবন করেন এবং দিলীপ চন্দ্র তফাদার লবণাক্ত মাটি, জলাবদ্ধতা সহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন করেন। তাই হরিপদ কাপালীর সাথে দিলীপ চন্দ্র তফাদারের মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

খ. দিলীপ চন্দ্র তফাদারের নতুন ধান আবিষ্কারের ধাপগুলো নিম্নরূপ: প্রথমে তিনি লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো সমস্যাগুলো চিহ্নিত করলেন। উপকূলীয় বিরূপ পরিবেশে অভিযোজিত এমন বিলুপ্তপ্রায় কিছু জাতের ধান সংগ্রহ করলেন এবং এদের সংকরায়ন ঘটিয়ে নতুন জাতের উদ্ভব ঘটালেন। নতুন ধান রোপণ করে পর্যবেক্ষণ করলেন যে এগুলো প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকে কি না। দেখা গেলো, রোপিত নতুন ধানগুলো লবণাক্ত মাটি, জলাবদ্ধতা, সেই সঙ্গে ঝড়ের বিরুদ্ধেও ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে। এইভাবেই তিনি নতুন জাতের ধান আবিষ্কার করলেন।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ প্রয়োগমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. তুমি তোমার বাসার ছাদবাগানে অথবা আঙিনায় নতুন গাছ লাগাবে বলে মনস্থির করেছ। সেই সাথে তুমি জানতে পারলে ভালো গাছ পাওয়ার প্রথম ও সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে ভালো চারা নির্বাচন। গাছ লাগানোর জন্য এই সকল ভালো চারা তুমি কিভাবে বাছাই করবে?

উত্তর: নিচের পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করলে আমি গাছের জন্য ভালো চারা নির্বাচন করতে পারব। ধাপগুলো নিম্নরূপ-
১. নার্সারিতে একই জাতের বিভিন্ন চারাগাছ থাকে। কিন্তু সবগুলোর বৃদ্ধি সমান হয় না। তাই যে গাছটির বৃদ্ধি ভালো হয়েছে এমন গাছটি নিতে হবে।
২. গাছের পাতা সবুজ ও সতেজ কিনা তা লক্ষ করতে হবে।

৩. চারা গাছের গোড়া সবল ও মোটা কিনা দেখে নিতে হবে।
৪. চারাগাছ কেনার সময় ভালো করে দেখতে হবে গাছটি রোগাক্রান্ত কি না। যেমন পাতা শুকনো কি না, কুঁকড়ানো কি না, পাতার উপর নিচে কোনো পোকামাকড় আছে কি না এবং কোনো দাগ আছে কি না তাও ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

প্রশ্ন-২. মুনিয়া তার বাড়ির ছাদে টমেটোর চারা লাগানোর সিদ্ধান্ত নিল। সে নার্সারি থেকে টমেটোর চারা কিনে আনল।

ক. সে কীভাবে ভালো চারা বাছাই করবে?
খ. কীভাবে সে ফসলটির পরিচর্যা করবে?

২ নং প্রশ্নের উত্তর

ক. ভালো চারা পেতে বীজ পুষ্ট, রোগ ও পোকামাকড় মুক্ত হতে হবে। তাই চারা বাছাই করার ক্ষেত্রে বীজ শোধণ ঠিকমতো করা হয়েছিল কি না তা জানতে হবে। চারাটি রোগাক্রান্ত কিনা, পাতা অতিরিক্ত শুকনো কিনা, কুকড়ানো কিনা, পাতার উপর নিচে কোনো পোকামাকড় আছে কিনা, চারাতে কাণ্ড বা পাতায় কোনো দাগ আছে কিনা চারা ভাঙ্গা কিনা, চারার শিকড় অক্ষুণ্ণ আছে কিনা, এ সকল জিনিস বিবেচনায় রেখে টমেটোর চারা বাছাই করতে হবে। টমেটো চারা অবশ্যই সজীব ও সতেজ হতে হবে।

খ. টমেটো গাছ পরিচর্যার ক্ষেত্রে মাটি তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। মাটি দোআঁশ হবে এবং হালকা গোবর সার মিশিয়ে নিতে হবে। হালকা করে খুঁড়ে রাখা গর্তে চারা পুঁতে দিতে হবে। এরপর চারপাশে থাকা মাটি দিয়ে চাপ দিয়ে পরিমিত পরিমাণে পানি দিতে হবে। অনেক সময় গাছের চারপাশের মাটি শক্ত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে কোদাল দিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে। এতে করে শিকড় ভালোভাবে দাড়াতে পারবে এবং পরে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারবে। আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সার প্রয়োগ করতে হবে পরিমাণমতো। তারপর টমেটো গাছ যখন বড় হতে শুরু করবে তখন প্রতিটি গাছ আলাদাভাবে খুঁটি দিয়ে বেঁধে দিতে বিভিন্ন ধরনের রোগের ও পোকামাকড়ের আক্রমণ দেখা দিলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। এরপর যখন ফলগুলো রং পরিবর্তন হওয়া শুরু হবে তখন সেগুলো সংগ্রহ করতে হবে।


৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩ মৌখিক প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন-১. কোন মাটি ধান চাষের জন্য উপযোগী নয়?
উত্তর: কংকর ও বেলেমাটি।

প্রশ্ন-২. গমের তিনটি জাতের নাম হলো?
উত্তর: কাঞ্চন, আকবর, প্রতিভা।

প্রশ্ন-৩. মসুরডাল কোন মৌসুমে চাষ করা হয়?
উত্তর: রবি মৌসুমে বা শীতকালে চাষ করা হয়।

প্রশ্ন-৪, সান্তানা কোন ফসলের একটি জাত?
উত্তর: গোল আলু।

প্রশ্ন-৫. সারা বছর চাষ করা যায় এমন কয়েকটি ফসলের নাম বলো?
উত্তর: ধান, ভুট্টা, টমেটো।


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বিজ্ঞান ১ম অধ্যায় ২০২৩” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।