|

৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ: গান

৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ: গান মানুষের আবেগ প্রকাশের শুদ্ধতম মাধ্যম। অনেকটা কবিতার মতোই গানও অলঙ্কারসমৃদ্ধ বাণী বিশেষ। গান এক ধরনের শ্রবণযোগ্য শিল্প যা সুসংবদ্ধ শব্দ ও সুরের সমন্বয়ে মানুষের হৃদয়ে আনন্দ রস সৃষ্টি করে। নির্দিষ্ট সুর, তাল ও লয়ে উচ্চারিত ছন্দোবদ্ধ রচনা হলো গান।


‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানের প্রাসঙ্গিক আলোচনা

কবি সম্পর্কিত তথ্য: কাজী নজরুল ইসলাম ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৭৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি। বিদ্রোহী কবি হিসেবেও তাঁর পরিচিতি আছে। তাঁর লেখা ‘চল্‌ চল্‌ চল্‌’ গানটি বাংলাদেশের রণসংগীত। তিনি নানা বিষয় নিয়ে গান লিখেছেন এবং সেসব গানে নতুন নতুন সুর দিয়েছেন। এছাড়া তিনি গল্প-উপন্যাস-প্রবন্ধ ও নাটক লিখেছেন।

৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ
৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ

মূলবক্তব্য: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানটিতে নবীন-কিশোর-তরুণদের প্রাণ-চাঞ্চল্যের বিষয়টি প্রধান হয়ে ফুটে উঠেছে। কিশোর- তরুণেরা ঝড়ের মতো বাধাহীন এবং ঝরনার মতো চঞ্চল। তারা যেন বিধাতার মতো ভয়হীন এবং প্রকৃতির মতো সহজ। আকাশের মতো বিশাল, মরুভূমির বেদুইনের মতো চারদিকে ঘুরে বেড়ায়। তারা রাজার আইনের ধার ধারে না। তারা উত্তাল, মাঠের মতো উদার, পাহাড়ের মতো অটল এবং আকাশের পাখির মতো স্বাধীনচেতা। সবসময় হাসি আর গানে উচ্ছ্বল। চঞ্চল চিত্তে সামনের দিকে এগিয়ে চলাই তাদের ধর্ম। আলোচ্য গানের মাধ্যমে কবি জাতীয় জীবনে এমন প্রাণচাঞ্চল্যই কামনা করেন।


৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ

গান

কবিতার মতো গানও অলংকারসমৃদ্ধ বাণীবিশেষ। গান এক ধরনের শ্রবণযোগ্য শিল্প, যা সুসংবদ্ধ শব্দ ও সুরের সমন্বয়ে মানুষের হৃদয়ে আনন্দ রস সৃষ্টি করে। অন্যভাবে বলা যায়, নির্দিষ্ট সুর, তাল ও লয়ে উচ্চারিত ছন্দোবদ্ধ রচনাই হলো গান। অর্থাৎ, সুর করে গাওয়া কথাকে গান বলে। গান দ্বারা গীত, বাদ্য, নৃত্য এই তিনটি বিষয়ের সমাবেশকে বোঝানো হয়। গানের মধ্যে বিশেষ কোনো আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ পায়।

গান যিনি রচনা করেন তাঁকে গীতিকার বলে। গীতিকাররা গানের কথাকে কবিতার মতো করে লেখেন। কথা অনুযায়ী গানের নানা রকম নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন— পল্লিগীতি, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, লালনগীতি ইত্যাদি।

গানের কথায় নানা রকম সুর থাকে। সুর হলো কন্ঠের ওঠা-নামা। আর এই সুরের একককে বলা হয় স্বর। এই দ্বর আবার ৭টি। যথা— সা রে গা মা পা ধা নি । যিনি গানে সুর দেন তাঁকে সুরকার বলে।

গানে নানা রকম তাল থাকে। গানের সুর ও তাল ঠিক রাখার জন্য অনেক বাদ্যযন্ত্র বাজানো হয়, যেমন— হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, তানপুরা, গিটার, বাঁশি ইত্যাদি। আর যিনি গানের কথা, সুর, তাল মেনে গান পরিবেশন করেন তাঁকে বলা হয় শিল্পী বা গায়ক।

গানের বৈশিষ্ট্য

• গান কোনো একটি ভাব বা বিষয় নিয়ে রচিত হয়।
• গানে এক লাইনের সঙ্গে পরের লাইনের শেষ শব্দে মিল থাকে। তবে কোনো একটি লাইন গানের মধ্যে বারবার ফিরে আসে।
• গান মূলত গাওয়ার জন্য লেখা হয়।
• কথা, সুর ও গায়কির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় গান।
• গানের ৪টি অংশ। স্থায়ী, অন্তরা, সঞ্চারী ও আভোগ।
• গানের তিনটি সাধারণ সুর ভিন্ন ভিন্ন হয়। সেগুলো হলো স্থায়ী, অন্তরা ও সঞ্চারী।
• গানের সুর ও তাল ঠিক রাখার জন্য নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

গান রচনার কৌশল

• কোন বিষয়ের ওপর গান লেখা হবে তা প্রথমে নির্দিষ্ট করে নিতে হবে।
• এক লাইনের সঙ্গে অন্য লাইনের মিল থাকতে হবে। তাই লাইনের শেষে মিল শব্দ ব্যবহার করতে হবে।
• সুর ও তাল দিয়ে গানটি গাওয়া যাচ্ছে কি না, তা খেয়াল করতে হবে।
• গান রচনায় কোন শব্দ ব্যবহার করা হবে তা ভেবে ঠিক করতে হবে।
• কখনো কখনো আগে সুর ঠিক করে গানের কথা লেখা হয়।

গানের প্রকারভেদ

বাংলা গান প্রথমত দুই প্রকার। ১. শাস্ত্রীয় সংগীত ২. লঘু সংগীত বা দেশীয় সংগীত।

১. শাস্ত্রীয় সংগীত: শাস্ত্রের নিয়মনীতি মেনে যে সংগীত রচিত হয় তাকে শাস্ত্রীয় সংগীত বলে। এ সংগীতকে উচ্চাঙ্গ সংগীত, রাগ সংগীত, ধ্রুপদি সংগীত বা শুদ্ধ সংগীত বলা হয়। খেয়াল, ঠুমরি, টপ্পা, তারানা ইত্যাদি শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্তর্ভুক্ত। শাস্ত্রীয় সংগীত আবার দুই প্রকার। যেমন: ক. হিন্দুস্তানি সংগীত পদ্ধতি; খ. কর্ণাটকি সংগীত পদ্ধতি।

২. লঘু সংগীত বা দেশীয় সংগীত: উচ্চাঙ্গনির্ভর গানগুলোর বাইরে দ্বিতীয় শ্রেণিভুক্ত লঘু সংগীত বা আমাদের দেশীয় কিছু গানের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক। যেমন: আধুনিক, পল্লিগীতি, ভাটিয়ালি, জারি গান, সারি গান, ধামাইল, ভাওয়াইয়া, গম্ভীরা, কীর্তন ইত্যাদি গান লঘু সংগীত নামে পরিচিত। তবে ব্যান্ড ও হিপহপ গানগুলো আমাদের দেশীয় না হলেও লঘু সংগীতের অন্তর্ভুক্ত।

৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. গানের লেখককে কী বলা হয়?
উত্তর: গীতিকার।

প্রশ্ন-২. গানের সুর ও তাল ঠিক রাখার জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র।

প্রশ্ন-৩. গানের মধ্যে কী প্রকাশ পায়?
উত্তর: বিশেষ আবেগ বা অনুভূতি।

প্রশ্ন-৪. যিনি গান পরিবেশন করেন তাঁকে কী বলা হয়?
উত্তর: গায়ক বা শিল্পী।

প্রশ্ন-৫. গান পরিবেশনে কণ্ঠের ওঠা-নামাকে কী বলে?
উত্তর: সুর।

প্রশ্ন-৭. যিনি গানে সুর দেন তাঁকে কী বলে?
উত্তর: সুরকার।

প্রশ্ন-৮. গায়ককে কী মেনে গান পরিবেশন করতে হয়?
উত্তর: কথা, সুর ও তাল।


৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ এর পাঠ্যবই এর প্রশ্ন

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা গানটি পড়ে তুমি কী বুঝতে পারলে তা নিচে লেখো।

উত্তর: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানটিতে কাজী নজরুল ইসলাম নবীন কিশোর-তরুণদের প্রাণ-চাঞ্চল্যের গুণগান গেয়েছেন। তিনি নিজেকেও নবীন প্রাণের দলে ভেবেছেন। তিনি তুলে ধরেছেন কিশোর-তরুণেরা ঝড়ের মতো উদ্দাম, করনার মতো চঞ্চল। ভয়হীন বিধাতা ও প্রকৃতির মতো পরিপূর্ণ। তারা বিশাল আকাশের মতো বাধাহীন, মরু যাযাবর বেদুইনদের মতো ভ্রমণপিপাসু।

তারা আইনের উর্ধ্বে, কোনো শাসন তাদের বেঁধে রাখতে পারে না। তারা স্বাধীন ও মুক্ত। সিন্ধু নদের জোয়ারের মতো উত্তাল, ঝরনার মতো উদ্দাম, মাঠের মতো প্রাণখোলা, পাহাড়ের মতো অটল, পাখির মতো স্বাধীনচেতা, হাসি গানে উচ্ছ্বসিত। তারা বনভূমির মতো ঘন সবুজ, সাগরের মতো অস্ফুট মধুর ধ্বনি এবং বাধাহীন স্রোতের মতো মুক্তমনা। কবি তরুণদের জয়গান গাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় জীবনের উন্নয়নে প্রাণোঞ্চল, নির্ভীক ও আপসহীন মানসিকতা প্রত্যাশা করেছেন।


৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ বড় প্রশ্ন

প্রশ্ন ০১: তুমি কোন ধরনের গান শুনতে পছন্দ করো? তোমার পছন্দের যেকোনো একটি গান সম্পর্কে লেখো।
উত্তর: আমি সব ধরনের গানই শুনে থাকি। তবে রবীন্দ্রসংগীত শুনতে আমার খুব ভালো লাগে। রবীন্দ্রসংগীতের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ জীবন দর্শন খুঁজে পাওয়া যায়, এছাড়া এর সুরের কারণে রবীন্দ্রসংগীত শুনতে আমি পছন্দ করি। আমার পছন্দের একটি গান হলো ‘ও আমার দেশের মাটি’।

গানটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। গানটিতে স্বদেশের মধ্যেই বিশ্বের রূপ দেখতে পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি দেখানো হয়েছে মাতৃভূমি মাতৃরূপে কীভাবে আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে থাকে। একই সঙ্গে মাতৃভূমির জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করার আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। মাধুর্যপূর্ণ সুর ও বাণীতে দেশের প্রতি মমত্ববোধ প্রকাশের কারণেই এটি আমার প্রিয় গান।

প্রশ্ন ০২: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানটি পড়ে বুঝে নিয়ে দুটি দলে ভাগ হও। এরপর গানটি কেমন বুঝতে পেরেছ তা যাচাই করার জন্য এক দল আরেক দলকে নিচের প্রশ্নগুলো করো এবং উত্তর দাও।

ক. ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ এটি গান না কবিতা?
উত্তর: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ একটি গান।

খ. এই গানে কাদেরকে উদ্দাম ও চঞ্চল বলা হয়েছে?
উত্তর: কবি নবীন প্রাণ কিশোর-তরুণদের উদ্দাম ও চঞ্চল বলেছেন।

গ. এ গানে কোন বিষয়টি প্রধান হয়ে ফুটে উঠেছে।
উত্তর: নবীন-কিশোর-তরুণদের প্রাণ-ধর্ম ও প্রাণ-চাঞ্চল্যের বিষয়টি এ গানে প্রধান হয়ে ফুটে উঠেছে।

ঘ. কিশোর-তরুণদের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
উত্তর: কিশোর-তরুণেরা ঝড়ের মতো বাধাহীন এবং ঝরনার মতো চঞ্চল। তারা বিধাতার মতো ভয়হীন এবং প্রকৃতির মতো সহজ। আকাশের মতো বিশাল মরুভূমির বেদুইনের মতো চারদিকে ঘুরে বেড়ায়। রাজার আইনের মতো তারা উত্তাল, মাঠের মতো উদার, পাহাড়ের মতো অটল এবং স্বাধীনচেতা। সবসময় হাসি আর গানে উচ্ছ্বল, এবং সাগরের মতো কলকল। চঞ্চল চিত্তে এগিয়ে চলাই তাদের ধর্ম।

প্রশ্ন ০৩: ঝঞ্ঝা কী? ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানটি পড়ে যক্ষা সম্পর্কে গীতিকার যা বোঝাতে চেয়েছেন তা লেখো।
উত্তর: ‘ঝঞ্ঝা’ মানে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম গানটিতে গীতিকার ঝঞ্ঝার রূপকে তারুণ্যের মধ্যে বিরাজমান বন্ধনহীন দুর্দমনীয় শক্তি ও ভয়হীনতাকে বুঝিয়েছেন। ঝড় শুধু ধ্বংসই করে না; বরং ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে পুরোনো, জীর্ণ যা কিছু আছে তার সব ভাসিয়ে দিয়ে যায়। ঝড়ের তাণ্ডবের পর সব আবার নতুন করে সৃষ্টি হয়। গীতিকার তার গানে ঝড়ের প্রলয়ংকরী রূপের শৃঙ্খলমুক্ত ও বন্ধনমুক্ত করার গুণের কথাই আমাদের বোঝাতে চেয়েছেন। নতুন কিছু সৃষ্টি করতে গেলে ঝড়ের মতো উদ্দাম হতে হয়, ঝড় তার সামনে আসা সমস্ত বাধাকে মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। গীতিকার তরুণদের মধ্যেও সেই শক্তির উপস্থিতি টের পেয়েছেন।

প্রশ্ন ০৪: প্রদত্ত শব্দগুলোর একই অর্থযুক্ত শব্দ ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গান থেকে খুঁজে বের করে দেখো।
ক. ঝড়, খ, মাঠ, ণ, সাগর, ঘ. পদ্ম, ঙ. পর্বত।
উত্তর: ক. ঝড় – ঝঞ্ঝা; খ. মাঠ – প্রান্তর; গ, সাগর – দরিয়া; ঘ. পদ্ম— শতদল; ঙ. পর্বত – মহীধর

প্রশ্ন ৫: একটি গানের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকতে হয় তা লেখো।
উত্তর: গানের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন:
• গান কোনো একটি ভাব বা বিষয় নিয়ে রচিত হয়।
• গান তাল দিয়ে পড়া যায়।
• গানে এক লাইনের সঙ্গে পরের লাইনের শেষ শব্দে মিল থাকে। তবে কোনো একটি লাইন গানের মধ্যে বারবার ফিরে আসে।

• গান মূলত গাওয়ার জন্য লেখা হয়।
• কথা, সুর ও গায়কির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয় গান।
• গানের ৪টি অংশ। স্থায়ী, অন্তরা, সঞ্চারী ও আভোগ।
• গানের তিনটি সাধারণ সুর ভিন্ন ভিন্ন হয়। সেগুলো হলো স্থায়ী, অন্তরা ও সঞ্চারী।
• গানের সুর ও তাল ঠিক রাখার জন্য নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
• গানের লেখককে বলা হয় গীতিকার। যিনি সুর দেন তাঁকে বলা হয় সুরকার আর যিনি গেয়ে শোনান তিনি হলেন গায়ক।

প্রশ্ন ০৬: ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ রচনাটিকে গান কেন বলব? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর: একটি রচনাকে গান বলার জন্য যে সকল বৈশিষ্ট্যর প্রয়োজন হয়, তার প্রায় সবকটিই ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ রচনাটিতে বিরাজমান। যেমন গান কোনো একটি ভাব বা বিষয় নিয়ে রচিত হয়। ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ গানটিও তারুণ্যের শক্তিকে নিয়ে রচিত।

গান তাল দিয়ে পড়া যায়, এই রচনাটিও তাল দিয়ে পড়া যায়। এ গানের গীতিকার কাজী নজরুল ইসলাম। গানটির সুর ও তাল ঠিক রাখার জন্য নানা বাদ্যযন্ত্র ব্যবহৃত হয়। ‘মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম’ রচনাটির বৈশিষ্ট্য গানের সকল বৈশিষ্ট্য গানের সকল বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিলে যায়। তাই এই রচনাটিকে আমরা গান বলব।


আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ – যতিচিহ্ন
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৫ম পরিচ্ছেদ – বাক্য
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৪র্থ অধ্যায় – চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।