|

৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ – বিশ্লেষণমূলক লেখা

৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ: এ পরিচ্ছেদে বিশ্লেষণমূলক লেখা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। সাধারণত যেসকল রচনায় বিবরণ ও তথ্যের উপর ভিত্তি করে মত প্রকাশ করা হয়, সেগুলোকে বিশ্লেষণমূলক লেখা বলে। কোনো বিষয়কে ভালোভাবে জানতে কিংবা কোনো বিষয়ের ওপর যুক্তিনিষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য মতামত পেতে বিশ্লেষণমূলক লেখার গুরুত্ব অনেক।

পরিচ্ছেদটিতে তাই বিশ্লেষণমূলক লেখার ধারণার পাশাপাশি এ ধরনের লেখার নমুনা হিসেবে ‘কত কাল ধরে’ রচনাটি উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিচ্ছেদটি পড়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্লেষণমূলক লেখা সম্পর্কে ধারণা লাভের পাশাপাশি এ ধরনের লেখা রচনায়ও আগ্রহী হবে।


লেখক সম্পর্কে জেনে নাও

‘কত কাল ধরে’ রচনার লেখক আনিসুজ্জামান। তিনি ১৯৩৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২০ সালে মারা যান। তাঁর লেখা বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য”, “স্বরূপের সন্ধানে’, ‘বিপুলা পৃথিবী’ ইত্যাদি।

মূলবক্তব্য

আনিসুজ্জামানের লেখা ‘কত কাল ধরে’ রচনায় বাংলাদেশের ইতিহাস ও এদেশের মানুষের জীবনযাত্রার কথা বর্ণিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, এদেশের ইতিহাস আড়াই হাজার বছর বা তারও বেশি সময়ের পুরোনো। তেইশ-চব্বিশ শ বছর আগে যখন রাজা-রাজড়ারা এলেন, তখন থেকে শুরু হলো এদেশের ইতিহাস লেখা। প্রাচীনকালে পুরুষেরা পরত ধুতি-চাদর আর মেয়েরা শাড়ি-ওড়না।

সাধারণ লোকের জুতা পরার সামর্থ্য ছিল না তাই তারা কাঠের খড়ম পরত। সোনার অলংকার পরার সুযোগ পেত শুধু ধনীরা। মাছ-ভাত- তরিতরকারি-দুধ-ঘি ইত্যাদি ছিল সেকালের বাঙালির প্রিয় খাদ্য। ইলিশ মাছ ছিল বেশি প্রিয়। কুস্তি ছিল সেকালের পুরুষদের অত্যন্ত প্রিয় খেলা, নারীদের ছিল সাঁতার। জলপথই ছিল যাতায়াতের প্রধান পথ, তবে স্থলপথও ছিল। বেশির ভাগ লোকই থাকত কাঁচা বাড়িতে। সেকালেও সাধারণ মানুষ স্বপ্ন দেখত— সরু চালের সাদা গরম ভাতের। একালেও তারা তাই দেখছে।


বিশ্লেষণমূলক লেখার ধারণা

শিক্ষার বিস্তার ও রুচির পরিবর্তনের কারণে মানুষ যুক্তিনিষ্ঠ রচনার প্রতি ক্রমেই আকৃষ্ট হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য লেখার পাশাপাশি বিশ্লেষণধর্মী রচনাও পাঠকসমাজে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। বস্তুত, নানা বিষয়ে তথ্য ও বিবরণীর পর্যালোচনার ভিত্তিতে মতামত দিয়ে এ ধরনের রচনা লেখা হয়। তাই এ ধরনের লেখাকে বিশ্লেষণমূলক লেখা বলে।

তবে এ ধরনের রচনা কেবল তথ্যবহুলই হয় না, বরং তাতে সৃজনশীলতার পাশাপাশি কোনো বিষয়ে যুক্তিনির্ভর ও বাস্তবসম্মত পর্যবেক্ষণও থাকে। ফলে এ ধরনের রচনা নির্দিষ্ট বিষয়ে পাঠককে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে আসতে সাহায্য করে। এ কারণে শিক্ষিত সমাজে দিন দিন বিশ্লেষণমূলক রচনার চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্লেষণমূলক লেখা দুই প্রকার। যথা— ক. তথ্য বিশ্লেষণমূলক লেখা; খ. উপাত্ত বিশ্লেষণমূলক লেখা।

বিশ্লেষণমূলক লেখার বৈশিষ্ট্য

বিশ্লেষণমূলক লেখার প্রধান শর্তই হলো এ ধরনের লেখাকে যৌক্তিক, তথ্যপূর্ণ ও বিশ্লেষণ নির্ভর হতে হবে। অর্থাৎ এ ধরনের লেখায় সুনির্দিষ্ট তথ্য ও বিবরণকে পর্যবেক্ষণ করে সেখান থেকে প্রাপ্ত ধারণাকে প্রকাশ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে লেখাটিতে প্রয়োজনীয় তথ্য পর্যালোচনা করে এক বা একাধিক যৌক্তিক সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে। বিশ্লেষণমূলক লেখার বেশকিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো হলো-

  • এ ধরনের লেখায় যুক্তিনির্ভর ও বিশ্লেষণমূলক আলোচনা বা মতামত প্রাধান্য পায়।
  • বিশ্লেষণমূলক লেখায় প্রয়োজনে তথ্য-উপাত্ত বা ছক ও সারণি ব্যবহার করা হয়।
  • এ ধরনের লেখায় সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর পর্যালোচনা, মতামত, বা প্রতিক্রিয়া থাকে।
  • এ ধরনের লেখায় ব্যক্তিগত মতামতের সুযোগ কম থাকে।
  • বিশ্লেষণমূলক লেখা দুই রকমের হয়ে থাকে। ১. তথ্য বিশ্লেষণমূলক ও ২. উপাত্ত বিশ্লেষণমূলক।
  • বিশ্লেষণমূলক লেখায় মতামত নেওয়া হয় তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে।

বিশ্লেষণমূলক লেখা রচনার উপায়

বিশ্লেষণমূলক লেখা রচনার জন্য কেবল সৃজনশীলতা ও লিখন দক্ষতাই পর্যাপ্ত নয়। এ ধরনের লেখার জন্য লেখকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান থাকতে হবে। সেই সঙ্গে তাকে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ করতে হবে। এর বাইরে নিজের বক্তব্য বিষয় অর্থাৎ লেখক কী বলতে চাইছেন সে বিষয়েও তার স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

প্রয়োজনানুসারে উপযুক্ত তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে যৌক্তিক পর্যালোচনার মধ্য দিয়ে। রচনাটি পরিণতির দিকে অগ্রসর হবে। আর তা হতে হবে সৃজনশীল ও অভিনব উপস্থাপন শৈলীর মধ্য দিয়ে। কেননা, সৃজনশীলতা ও রসবোধ যেকোনো রচনার প্রাণ।

কোন ধরনের লেখাকে আমরা বিশ্লেষণমূলক লেখা বলব

যেসব লেখার বক্তব্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য মতামত বা সিদ্ধান্তে আসার প্রয়াস লক্ষ করা যায়, সেসব লেখাকে আমরা বিশ্লেষণমূলক লেখা বলতে পারি।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যে লেখায় তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে যৌক্তিক পর্যালোচনার মাধ্যমে কোনো সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর মতামত প্রদান করা হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: বিশ্লেষণমূলক লেখা।

প্রশ্ন-২. বিশ্লেষণমূলক লেখা কত প্রকার?
উত্তর: ২ প্রকার।

প্রশ্ন-৩. বিশ্লেষণমূলক লেখা রচনার জন্য লেখকের কী থাকা আবশ্যক?
উত্তর: বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান।

প্রশ্ন-৪. সৃজনশীলতা ও রসবোধ যেকোনো রচনার কী?
উত্তর: প্রাণ।

প্রশ্ন-৫. কোন ধরনের রচনায় ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের সুযোগ কম?
উত্তর: বিশ্লেষণমূলক রচনায়।

প্রশ্ন-৬. কোন ধরনের রচনায় তথ্য-উপাত্ত বা হক ও সারণি ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: বিশ্লেষণধর্মী রচনায়।


শিখন অভিজ্ঞতা ১২: বিশ্লেষণমূলক লেখা

ক. এই রচনাটি কোন বিষয় নিয়ে লেখা?
উত্তর: রচনাটি বাঙালি জাতির ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে লেখা।

খ. এই লেখা থেকে কয়েকটি বিশ্লেষণমূলক বাক্য খুঁজে বের করো।
উত্তর: ১) আলো-আঁধারের খেলায় অনেক পুরোনো কথা ঢাকা পড়েছে।
২) লোকজন নিজেরাই যুক্তি পরামর্শ করে কাজ করত, চাষ করত, ঘর বাঁধত, দেশ চালাত।
৩) কত লোক-লস্কর বহাল করা হলো কত ব্যবস্থা, কত নিয়মকানুন দেখা দিলো।
৪) মৌর্য-গুপ্ত, পাল সেন, পাঠান-মোগল, কোম্পানি-রানি এদের কাল শেষ হয়েছে।
৫) একজন লিখছেন সমৃদ্ধির কথা, বিলাসের কথা, আনন্দের কথা। আরেকজন ছবি আঁকছেন নিদারুণ অভাবের, জ্বালাময় দারিদ্র্যের, অপরিসীম বেদনার।

গ. বিবরণমূলক লেখার সঙ্গে এই লেখাটির কী কী মিল বা পার্থক্য আছে?
উত্তর: বিবরণমূলক লেখার সঙ্গে এই লেখার মিল ও ‘অমিল দুইই আছে। বিবরণমূলক লেখায় যেমন তথ্যবহুল বর্ণনা থাকে, এখানেও তেমনটি লক্ষ করা যায়। তবে অমিল হলো বিবরণমূলক লেখায় বিশ্লেষণ থাকে না, আর এই লেখাটা হচ্ছে বিশ্লেষণধর্মী।

ঘ. তথ্যমূলক লেখার সঙ্গে এই লেখাটির কী কী মিল বা পার্থক্য আছে?
উত্তর: তথ্যমূলক লেখার সঙ্গে এই লেখার বড়ো মিল হচ্ছে দুই ধরনের লেখাই বিবরণের মাধ্যমে লিখিত। আবার তথ্যমূলক লেখায় যেখানে তথ্যই প্রধান, এ লেখায়ও নানা রকম তথ্য দেওয়া আছে। তবে অমিল এই যে, তথ্যমূলক লেখায় যেখানে তথ্যই দেওয়া থাকে, এই লেখায় তথ্যের পাশাপাশি তথ্যের বিশ্লেষণও রয়েছে।

ঙ. এই লেখার ওপর তোমার মতামত দাও।
উত্তর: এই লেখাটি একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা। এই লেখায় আমরা বাঙালি জাতির ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতির নানা পরিচয় পাই। বিশ্লেষণাত্মক ভঙ্গিতে ইতিহাসের ধারা পরিবর্তন, সমাজের বিকাশ এবং সংস্কৃতির বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জানতে পারি।


প্রাশ্ন. ‘কত কাল ধরে’ রচনায় লেখক যা বলেছেন, তা নিজের ভাষায় বলো এবং নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তর: বাংলাদেশের প্রায় আড়াই হাজার বছরের বেশি সময়ের ইতিহাসের অনেক কিছুই আমাদের অজানা। এককালে পৃথিবীতে সাধারণ মানুষের গুরুত্ব অনেক বেশি থাকলেও রাজাদের আগমনের পর তাঁরা হয়ে গেলেন ইতিহাসের নায়ক। তবুও সেই প্রজাদের ইতিহাস কিছু কিছু জানা যায়। তখনকার সময়ে পুরুষেরা পরত ধুতি, মেয়েরা পরত শাড়ি।

জুতা পরত শুধু যোদ্ধা বা পাহারাদারেরা। আর সাধারণ লোকেরা কাঠের খড়ম পরত। ছেলেরাও লম্বা চুল রাখত, মেয়েরা তাদের চুলে বেণি বা খোঁপা করত, পা রাঙাত আলতা দিয়ে আর চোখে পরত কাজল। ছেলে- মেয়ে উভয়েই বিভিন্ন ধরনের গয়না পরত। তখনকার দিনে বাঙালিদের প্রধান খাদ্য ছিল ভাত। ভালো খাবারের মধ্যে ছিল গরম ভাতের সঙ্গে ঘি, পাটশাক আর মৌরলা মাছ। ছেলেরা ছিল শিকারপ্রিয়।

আর মেয়েরা সাঁতার দিতে ও বাগান করতে পছন্দ করত। যাতায়াতের মাধ্যম ছিল নৌকা, গরুর গাড়ি, ডুলি ও পালকি। তাদের বাড়িগুলো ছিল বাঁশ ও মাটির তৈরি। শুধু ধনী লোকদের বাড়ি হতো ইট-কাঠের। দেশে রাজার শাসন থাকায় সকলের জীবনযাত্রা একরকম হয়নি। কবি-সাহিত্যিকদের বর্ণনায় একই সমাজের ভিন্ন চিত্র ফুটে উঠেছে। রাজার শাসন চলে গেলেও একই সমাজের দুই রূপের কথা শুধু প্রাচীনকালেই না, বর্তমানকালের কবি-সাহিত্যিকদের রচনাতেও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।


৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ বড় প্রশ্ন

প্রশ্ন ০১: বিশ্লেষণমূলক লেখা কাকে বলে? বিশ্লেষণমূলক লেখার কৌশল আলোচনা করো।
উত্তর: যে লেখায় তথ্য-উপাত্তের পর্যালোচনা করে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে যৌক্তিক মতামত তুলে ধরা হয়, তাকে বিশ্লেষণমূলক লেখা বলে।
বিশ্লেষণমূলক লেখার কৌশল: একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা রচনা করতে গেলে যে বিষয়ের ওপর লেখাটি রচিত হবে তার সম্পর্কে লেখকের সম্যক ধারণা থাকতে হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য, ছক, উপাত্ত ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে সেই বিষয়ে কোনো মতামত দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে তথ্য বলতে শুধু সংখ্যাগত তথ্য হবে এমন নয়।

যেকোনো একটি খবরও একটি তথ্য হতে পারে। প্রাপ্ত তথ্যসমূহের গভীর পর্যালোচনা করে একটি বিশ্লেষণমূলক লেখা রচনা করা যাবে। যেমন কেউ যদি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পর্কে একটি বিশ্লেষণমূলক রচনা লিখতে চায়, তাহলে প্রথমে রাশিয়ার ইতিহাস সম্পর্কে জানার প্রয়োজন হবে। তারপর প্রাপ্ত তথ্যসমূহ থেকে এই যুদ্ধের গতি- প্রকৃতি নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী রচনা লেখা যাবে।

প্রশ্ন ০২: বিশ্লেষণমূলক লেখায় কোন কোন বিষয় বিবেচনায় নিতে হয়?
উত্তর: বিশ্লেষণমূলক লেখায় যেসব বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিতে হয় তার তালিকা নিম্নরূপ:
i. সুনির্দিষ্ট বিষয়ে লেখা হচ্ছে কি না।
ii. সুনির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে লেখকের যথেষ্ট জ্ঞান আছে কি না।
iii. তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে কি না।

iv. তথ্যসমূহের উৎস নির্ভরযোগ্য কি না।
v. লেখায় যুক্তির প্রকাশ ঘটেছে কি না।
vi. লেখক নিজের সৃজনশীলতা প্রকাশ করতে পেরেছেন কি না।
vii. লেখক তাঁর পর্যবেক্ষণক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছেন কি না, ইত্যাদি।

প্রশ্ন ০৩: ‘কত কাল ধরে’ রচনায় বিশ্লেষণমূলক লেখার বৈশিষ্ট্যের প্রতিফলন ঘটেছে কি? কীভাবে তা লেখো।
উত্তর: ‘কত কাল ধরে’ রচনাটিতে প্রাচীন বাংলার সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া রচনাটিতে তথ্য উপস্থাপনের পাশাপাশি সেগুলোর বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এভাবে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে রচনাটিতে প্রাচীন বাংলার সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সে বিবেচনায় ‘কত কাল ধরে’ রচনাটিতে বিশ্লেষণমূলক লেখার সকল বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

প্রশ্ন ০৪: কত কাল ধরে’ রচনাটি পড়ার আগে প্রাচীন বাঙালির জীবনযাত্রা সম্পর্কে কি তোমার কোনো ধারণা ছিল? থাকলে সে সম্পর্কে লেখো।
উত্তর: ‘কত কাল ধরে’ রচনাটি পড়ার আগে আমি প্রাচীনকালে বাঙালির জীবন যাত্রা কেমন ছিল সে সম্পর্কে আমার এক বড়ো আপার কাছে গল্প শুনেছি। সেখান থেকে আমার যে ধরনের ধারণা জন্মেছিল তার কয়েকটি হলো-
i. শুধু রাজা ও বণিক শ্রেণি ছাড়া প্রায় সবাই গরিব ছিল।

ii. বিদ্যা অর্জন শুধু ধনীদের দখলে ছিল।
iii. মানুষ তখন বংশপরম্পরায় একই ধরনের কাজ করে যেত।
iv. চিকিৎসক হিসেবে বৈদ্য, কবিরাজদের আধিপত্য বেশি ছিল।
v. মানুষ ভূত, প্রেত, পরি ইত্যাদি জিনিসে খুব বিশ্বাস করত।
vi. পুকুর, খাল, বিল, নদীতে প্রচুর মাছ পাওয়া যেত।


আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ২য় পরিচ্ছেদ – শব্দের গঠন
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ – শব্দের অর্থ
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ – যতিচিহ্ন
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৫ম পরিচ্ছেদ – বাক্য

আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৪র্থ অধ্যায় – চারপাশের লেখার সাথে পরিচিত হই
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – প্রায়োগিক লেখা
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ২য় পরিচ্ছেদ – বিবরণমূলক লেখা
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ – তথ্যমূলক লেখা
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৬ষ্ঠ অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ: গান


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বাংলা ৫ম অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।