|

৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৫ম পরিচ্ছেদ – বাক্য

৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৫ম পরিচ্ছেদ: লক্ষ করলে দেখা যায়, বিভিন্নরকম ছোটো ছোটো কথার মাধ্যমে আমরা একটি কথোপকথন সম্পন্ন করি। অর্থাৎ নির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে এমন ছোটো ছোটো কথার সমন্বয়ে কথোপকথন বা আলোচনা করা হয়। কথোপকথনের সময় ব্যবহৃত এসকল ছোটো ছোটো কথাকেই বাক্য বলা হয়।

ভাষিক যোগাযোগ মূলত এই বাক্যের ওপর নির্ভরশীল। কেননা, শব্দ ব্যবহার করে কিছু কিছু অর্থ প্রকাশ করা গেলেও তাতে পরিপূর্ণ ভাব প্রকাশ করা যায় না। কথা বলা বা আলোচনার জন্য তাই বাক্যের যথাযথ ব্যবহার করা অপরিহার্য। আলোচ্য অধ্যায়টিতে তাই বাক্যের ধারণা, গঠনশৈলী ও ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।


বাক্য

ভাষার মূল উপকরণ বাক্য এবং বাক্যের মৌলিক উপাদান শব্দ। এক বা একাধিক শব্দ দিয়ে গঠিত পূর্ণ অর্থবোধক ভাষিক একককে বাক্য বলে। অর্থাৎ, যে সুবিন্যস্ত শব্দসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বাক্য বলে। বাক্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। এদিক থেকে বাক্যের একক হচ্ছে পদ। গঠনগত দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন রকমের। সেগুলো হলো: ১. সরল বাক্য; ২. জটিল বাক্য; ৩. যৌগিক বাক্য।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যে সুবিন্যস্ত শব্দসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার মনোভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে কী বলে?
উত্তর: বাক্য।

প্রশ্ন-২. ভাষার মূল উপকরণ কী?
উত্তর: বাক্য।

প্রশ্ন-৩. বাক্যের মৌলিক উপাদান কী?
উত্তর: শব্দ।

প্রশ্ন-৪. বাক্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে কী বলে?
উত্তর: পদ।

প্রশ্ন-৫. বাক্যের একক কী?
উত্তর: পদ।

প্রশ্ন-৬. গঠন অনুসারে বাংলা বাক্যকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর: তিন ভাগে।

প্রশ্ন-৭. যে বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে কোন বাক্য বলে?
উত্তর: সরল বাক্য।

প্রশ্ন-৮. কোনো বাক্য একটি স্বাধীন খণ্ড বাক্য এবং এক বা একাধিক অধীন খণ্ড বাক্য নিয়ে গঠিত হলে তাকে কোন বাক্য বলে।
উত্তর: জটিল বা মিশ্র বাক্য।

প্রশ্ন-৯. দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য যখন যোজক দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠিত হয় তখন তাকে কোন বাক্য বলে?
উত্তর: যৌগিক বাক্য।

প্রশ্ন-১০. ‘অঘ্য’, ‘কিন্তু’, ‘এবং’ শব্দগুলো বাক্যে কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: যোজক হিসেবে।


প্রশ্ন: শব্দের শ্রেণি বলতে কী বোঝো? কত প্রকার ও কী কী? উদাহরণসহ লেখো।

উত্তর: ব্যাকরণগত অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে যে কয় ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে তাদের শব্দের শ্রেণি বলে। শব্দের শ্রেণি মোট আট প্রকার। যথা:

ক. বিশেষ্য: যে শব্দশ্রেণি দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য বলে। যেমন: থালা, বাটি, ঢাকা ইত্যাদি।
খ. সর্বনাম: বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয় তাকে সর্বনাম বলে। সর্বনাম সাধারণত পূর্বে ব্যবহৃত বিশেষ্যের প্রতিনিধিত্বকারী শব্দ হিসেবে কাজ করে। যেমন: অবনি সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। সে নিয়মিত স্কুলে যায়।

গ. বিশেষণ: যে শব্দশ্রেণি দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়ার দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ পায় তাকে বিশেষণ বলে। যেমন: নীল পরি।
ঘ. ক্রিয়া: যে শব্দশ্রেণি দ্বারা কোনোকিছু করা, থাকা, হওয়া, ঘটা ইত্যাদি বোঝায় তাকে ক্রিয়া বলে। যেমন: নিজাম কাঁদছে।

ঙ. ক্রিয়াবিশেষণ: যে শব্দ বাক্যের ক্রিয়াকে বিশেষিত করে তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। যেমন: বাসটি দ্রুত চলতে শুরু করল।
চ. যোজক: যে শব্দ একটি বাক্যাংশের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যাংশ অথবা বাক্যের একটি শব্দের সঙ্গে অন্য একটি শব্দের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকে যোজক বলে। যেমন: তুমি খাবে আর আবির পড়বে।

ছ. অনুসর্গ: যে শব্দ কখনো স্বাধীনরূপে আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে তাকে অনুসর্গ বলে। যেমন: ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না।
জ. আবেগ শব্দ: যে শব্দ মনের বিশেষ ভাব বা আবেগ প্রকাশে সহায়তা করে তাকে আবেগ শব্দ বলে। যেমন: বাহ! সে তো আজ ভালোই খেলছে।


প্রশ্ন: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ, অনুসর্গ, যোজক, আবেগ— এই আট শ্রেণির শব্দ চিহ্নি করো।

আমরা সোনার তরী বা আগুন মোহনা’ নামে কয়েক শ বছরের পুরোনো অনেক বড়ো একটা নৌকা দেখতে গেলাম। এরপর যে কুয়ার জন্য কুয়াকাটার নামকরণ হয়েছে, সেই কুয়া দেখলাম। এরপর সন্ধ্যার আগে আমরা সূর্যাস্ত দেখতে সমুদ্রসৈকতে গেলাম। সূর্যাস্ত দেখে মনে হলো পানির মধ্যে রক্তাক্ত সূর্যটা ডুবে গেল।

সেদিন জ্যোৎস্না রাত ছিল। একদিকে সমুদ্র, অন্যদিকে ঝাউবনের সারি আর তার সাথে জ্যোৎস্নার এমন অপরূপ মিতালি যেন স্বপ্নের জগতে নিয়ে গেল। আহ! কী অপূর্ব স্নিগ্ধ রাত। সৈকতে হাঁটাহাঁটি করতে করতে কখন যে রাত আটটা বেজে গেল টেরই পেলাম না। সৈকতের পাশ ঘেঁষে বিভিন্ন ধরনের দোকান বসেছে। দোকানিকে বলে আমরা ঝিনুকের ওপর নাম লিখিয়ে প্রত্যেকে একটা করে ঝিনুক কিনলাম। এরপর বড়ো একটা টুনা মাছ কিনে বারবিকিউ করলাম। খাওয়া শেষে হোটেলে ফিরে এলাম।

উত্তর:
বিশেষ্য – সোনার তরী, আগুন, মোহনা, নৌকা, সমুদ্র, রাত, সৈকতের দোকান, নামকরণ।
সর্বনাম – আমরা, তার। বিশেষণ – পুরোনো, অপূর্ব, রক্তাক্ত, বড়ো।
ক্রিয়া – দেখতে গেলাম, হয়েছে, দেখলাম, ডুবে গেল, ছিল, কিনলাম, করলাম।

ক্রিয়াবিশেষণ – না, করতে করতে, কখন, বলে, আগে।
অনুসর্গ – দিকে, থেকে, জন্য।
যোজক – আর, যেন।
আবেগ – আহ।


প্রশ্ন: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, যোজক শব্দ খুঁজে লেখো।

সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী। নিয়তির ভুলেই যেন এক কেরানির পরিবারে তার জন্ম হয়েছে। তার ছিল না কোনো আনন্দ, কোনো আশা। পরিচিত হওয়ার প্রশংসা পাওয়ার, প্রেমলাভ করার এবং কোনো ধনী অথবা বিশিষ্ট লোকের সঙ্গে বিবাহিত হওয়ার কোনো উপায় তার ছিল না। তাই শিক্ষা পরিষদ আপিসের সামান্য এক কেরানির সঙ্গে বিবাহ সে স্বীকার করে নিয়েছিল।

উত্তর:
বিশেষ্য – তরুণী, কেরানি, জন্ম, আনন্দ, আশা, বিশেষ্য, ধনী, পরিষদ, পরিবারে।
সর্বনাম – সে, তাই, তার।
বিশেষণ – পরিচিত, সুন্দরী, বিশিষ্ট, বিবাহিত, সামান্য।
যোজক – যেন, এবং না, সঙ্গে, অথবা।


প্রশ্ন: নিচের অনুচ্ছেদ থেকে বিবৃতিবাচক, প্রশ্নবাচক, অনুজ্ঞাবাচক ও আবেগবাচক—– এই চার ধরনের বাক্য চিহ্নিত করো।

এক ছিল বুড়ো আর এক বুড়ি। একদিন বুড়ো বুড়িকে বলল, ‘বুড়ি, ক’টা পিঠে করে দে। আমি ততক্ষণে ঘোড়া রেজে জুতে ফেলি। বুড়ি জিজ্ঞেস করল, মাছ ধরতে যাবে? অনেক মাছ ধরল বুড়ো। একেবারে মাছে ভরা স্লেজ। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ দেখে এক শিয়াল; পুঁটলির মতো গুটিয়ে রাস্তায় শুয়ে। মেজ থেকে নেমে বুড়ো গেল শিয়ালের কাছে, শিয়াল কিন্তু একটুও নড়ে না, মড়ার মতো পড়ে রইল। ‘

কপাল ভালো! বুড়িটার গরম কোর্টের কলার করা যাবে খাসা! এই ভেবে বুড়ো শিয়ালটাকে ঢেজে চাপাল, নিজে চলল আগে আগে। শিয়াল দেখল এই সুযোগ। চুপি চুপি স্নেজ থেকে একটি একটি করে মাছ ঘুড়ে ফেলতে লাগল। একটার পর একটা ফেলে আর ফেলে। সব মাছ ফেলা হয়ে গেল। শিয়ালও হুট করে নেম গেল। বাড়িতে পৌঁছেই বুড়ো চিৎকার করে বুড়িকে ডাকল।

বউ, তোর জন্য একটা জিনিস এনেছি। বুড়ি বুড়োর কাছে জানতে চাইল, কী জিনিস এনেছ? বুড়ো বলল, তোর কোর্টের কলারের জন্য একটা চমৎকার জিনিস এনেছি। বুড়ি তো স্নেজের কাছে গিয়ে দেখে কিছুই নেই, মাছ না, কলার না, একেবারে ফাঁকা। বুড়ির সেকি বকুনি। ওরে আহাম্মক, ওরে মুখপোড়া, আমাকে নিয়ে রগড়!’ বুড়োর তখন খেয়াল হলো, শিয়ালটা তো তাহলে মরা ছিল না। ভারি আফসোস হলো, কিন্তু কী আর করা! যা হওয়ার সে তো হয়ে গেছে।

উত্তর:
বিবৃতিবাচক বাক্য– এক ছিল বুড়ো আর এক বুড়ি। আমি ততক্ষণে ঘোঁড়া ঢেজে জুতে ফেলি। অনেক মাছ ধরল বুড়ো। একেবারে মাছে ভরা স্লেজ। শিয়াল দেখল এই সুযোগ। চুপি চুপি স্লেজ থেকে একটি একটি করে মাছ ছুড়ে ফেলতে লাগল। একটার পর একটা, ফেলে আর ফেলে। সব মাছ ফেলা হয়ে গেল। শিয়ালও হুট করে নেম গেল।

প্রশ্নবাচক বাক্য– বুড়ি জিজ্ঞেস করল, মাছ ধরতে যাবে? বুড়ি বুড়োর কাছে জানতে চাইল, কী জিনিস এনেছ?
অনুজ্ঞাবাচক বাক্য— একদিন বুড়ো বুড়িকে বলল, “বুড়ি, ক’টা পিঠে করে দে। বাড়িতে পৌছেই বুড়ো চিৎকার করে বুড়িকে ডাকল। বউ, তোর জন্য একটা জিনিস এনেছি।’
আবেগবাচক বাক্য– কপাল ভালো! বুড়িটার গরম কোর্টের কলার করা যাবে খাসা! ভারি আফসোস হলো, কিন্তু কী আর করা! ‘ওরে আহাম্মক, ওরে মুখপোড়া, আমাকে নিয়ে রগড়!’


প্রশ্ন: কোনো একটি বিষয় নিয়ে ১০০ শব্দের মধ্যে একটি অনুচ্ছেদ লেখো। লেখা হয়ে গেলে সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দগুলো খুঁজে বের করো।

আমাদের বাড়ির মেনিবিড়ালটা বেশ হৃষ্টপুষ্ট। সবার আদরে ও প্রশ্রয়ে সে এমনি বেপরোয়া হয়েছে যে নির্ভয়ে পড়ার টেবিল, শোওয়ার ঘর, রান্নাঘর সর্বত্র যাতায়াত করে। কাজ কর্ম নেই, চিন্তাভাবনা নেই পাপপুণ্যের হিসাব নেই, সারাক্ষণ শুধু ঘুম আর ঘুম। সবার কোলেপিঠে, আদরে আদরে বেশ রয়েছে। আর এদিকে আমি, যে কিনা বাড়ির ছোটো মেয়ে, তার কোনো কদর নেই! না হয় পরীক্ষায় ফেল করেছি, তাতে কী এমন দোষ হলো।

আমার প্রিয় মাছভাজা, গোরুর দুধের পায়েস সবই ওই লক্ষ্মীছাড়া বেআদব মেনিটাকেই দিতে হবে। আমি সকলের এঁটো বাসনকোসন ধোব আর বেহায়া মেনিটা থাকবে ভদ্রলোকের মতো। মা-বাবা বলেন, আমি নাকি হিংসুটে, মেনিকে সহ্যই করতে পারি না, ওর সাথে নাকি আমার সাপে নেউলে সম্পর্ক। আচ্ছা তোমরাই বলো, ওই মেনিটাও তো কোনেদিন বই-খাতা-কলম ছুঁয়েও দেখে না, তাহলে মা-বাবা ওকেই কেন এত ভালোবাসে? আমার ইচ্ছা করে মেনিটাকে অনেক দূরে তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, সাত সমুদ্র পার করে কোথাও রেখে আসি।

উত্তর: খৃষ্টপুষ্ট, বেপরোয়া, নির্ভয়ে পড়ার টেবিল, শোওয়ার ঘর, রান্নাঘর, কাজকর্ম পাপপুণ্যের কোলেপিঠে মাছভাজা, গোরুর দুধের, লক্ষ্মীছাড়া, বেআদব, বাসনকোসন, ভদ্রলোকের, মা-বাবা, সাপে নেউলে, বই-খাতা-কলম, মা-বাবা, তেপান্তরের, সাত সমুদ্র।


প্রশ্ন: যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে ১০০ শব্দের মধ্যে একটি অনুচ্ছেদ লিখে উপসর্গের মাধ্যমে গঠিত শব্দগুলো নিচে দাগ দাও।

উত্তর: দেখতে দেখতে পেরিয়ে এলাম জীবনের ষাটটি বসন্ত। কোনো দায়িত্ব নেই, কাজ নেই, অখণ্ড অবসর। ক্ষণে ক্ষণে আনমনা হয়ে যাই। মনটা বড়ো আনচান করে, মনে পড়ে ছেলেবেলার কত কথা। অজ-পাড়া গাঁয়ে ছিল আমাদের বাড়ি। ভরদুপুরে মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে কত অকাজ করেছি। অতিচালাক সতীর্ঘদের সঙ্গে মিলে প্রতিদিন প্রতিবেশীদের ওপর করেছি কত অত্যাচার। দলবেঁধে এর গাছের কদবেল, ওর বাড়ির পাতিলেবু, পাতিহাঁস, রামছাগল চুরি করে খেয়েছি। আমাদের এই দস্যু দলের অধিপতি ছিলাম আমি।

নিখুঁত লা-জওয়াব ছিল আমাদের প্রতিটি দস্যুবৃত্তির পরিকল্পনা। আজ জীবনের এই শেষবেলায় এসে একে একে মনে পড়ে যাচ্ছে অতিক্রম করে আসা সেইসব নিরেট মধুর অপকীর্তি গুলো। যদি আর একবার ফিরে যেতে পারতাম সেই অজমূর্খ বয়সটাতে, সেই ছায়া-সুশীতল পুকুরের অথই জলে যদি আর একটি বার ঝাপিয়ে দু’চোখ লাল করে মায়ের চোখ এড়িয়ে চুপি চুপি ঘরে ঢুকতে পারতাম! হায়! সেইসব দিনগুলো এখন যেন অতিপ্রাকৃত মনে হয়।


আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – ধ্বনির উচ্চারণ
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ২য় পরিচ্ছেদ – শব্দের উচ্চারণ
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – শব্দের শ্রেণি ও বাক্যের শ্রেণি
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ২য় পরিচ্ছেদ – শব্দের গঠন
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৩য় পরিচ্ছেদ – শব্দের অর্থ
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৪র্থ পরিচ্ছেদ – যতিচিহ্ন


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ৫ম পরিচ্ছেদ” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।