|

৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – শব্দের শ্রেণি ও বাক্যের শ্রেণি

৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ: আমরা কথা বলার সময় যে বাক্য ব্যবহার করি তাতে বিভিন্ন ধরনের শব্দ থাকে। সেসব শব্দের কোনোটি দিয়ে নাম বোঝায়, কোনোটি দিয়ে দোষ বা গুণ বোঝায়, আবার কোনোটি দিয়ে কাজ বোঝায়। এরকম নানা ধরনের শব্দের সমন্বয়েই বাক্য তৈরি হয়, যা ব্যবহার করে আমরা কথা বলি। ভাষায় ব্যবহৃত এমন নানা ধরনের শব্দকে শব্দশ্রেণি বলে। মনের ভাব পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে গেলে এসকল শব্দশ্রেণির যথাযথ প্রয়োগ অত্যন্ত জরুরি। এ পরিচ্ছেদে তাই বিভিন্ন ধরনের শব্দ এবং সেগুলোর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।


৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ

শব্দ-শ্রেণির ধারণা

সাজেদ হারিকেনটা নাড়িয়ে দেখে তেল নেই একটুও তাতে।’ বাক্যটিতে প্রতিটি শব্দ কোনো না কোনো ধরনের উপযোগিতার প্রকাশ করছে। এর সবগুলোর উপযোগিতা আবার একরকম নয়। কোন শব্দ কী ধরনের ভূমিকা পালন করছে, তা নিচের অংশ থেকে বুঝতে পারবে।

সাজেদ – একটি ছেলের নাম।
হারিকেন – একটি বস্তুর নাম।
নাড়িয়ে দেখে – কাজ বোঝাচ্ছে।
তেল – বস্তুর নাম।
নেই – অবস্থা বোঝাচ্ছে।
একটুও – পরিমাণ বোঝাচ্ছে।
তাতে – নামের পরিবর্তে ব্যবহৃত শব্দ বোঝাচ্ছে।

বাক্যে ব্যবহৃত প্রতিটি শব্দ এ ধরনের কোনো না কোনো কাজ বোঝায়। তবে শব্দ যখন বাক্য গঠন করে তখন শব্দের সঙ্গে কোনো না কোনো বিভক্তি যুক্ত হয়। বিভক্তিযুক্ত শব্দকে বলা হয় পদ। যেসব পদে বিভক্তি বোঝা যায় না সেখানে শূন্য বিভক্তি যুক্ত রয়েছে ধরা হয়। ব্যাকরণ অনুসারে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দ বা পদের ভূমিকা ও বৈশিষ্ট্য আট রকমের হতে পারে। সেই অনুযায়ী বাংলা ভাষায় শব্দ শ্রেণিকে আট ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ১. বিশেষ্য, ২. সর্বনাম, ৩. বিশেষণ, ৪. ক্রিয়া, ৫. ক্রিয়াবিশেষণ, ৬. অনুসর্গ, ৭. যোজক, ৮. আবেগ শব্দ।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যখন কোনো শব্দ বাক্য গঠন করে, তখন তার সঙ্গে কী যুক্ত হয়?
উত্তর: বিভক্তি।

প্রশ্ন-২. বিভক্তিযুক্ত শব্দকে কী বলা হয়?
উত্তর: পদ।

প্রশ্ন-৩. যেসব পদে বিভক্তি বোঝা যায় না, সেখানে কোন বিভক্তি যুক্ত রয়েছে বলে ধরা হয়?
উত্তর: শূন্য বিভক্তি

প্রশ্ন-৪. বাংলা ভাষায় কত প্রকার শব্দের শ্রেণি রয়েছে?
উত্তর: আট প্রকার।


১. বিশেষ্য

“একবার চাচার সঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে হামিদ বিশাল একটা রুই মাছ ধরেছিল।” এ বাক্যে যেসব শব্দ আছে তার মধ্যে কিছু শব্দ আছে যেগুলো কোনো-না-কোনোকিছুর নাম বোঝাচ্ছে। ব্যাকরণে কোনোকিছুর নাম বোঝায় এ ধরনের শব্দকে বলা হয় বিশেষ্য। ভাষায় ব্যবহৃত যে শব্দ কোনোকিছুর নাম বোঝায় তাকে বিশেষ্য বলে। যেমন: নজরুল, বাঘ, ঢাকা, ইট, ভোজন, সততা, কুরআন, গীতাঞ্জলি, অগ্নি-বীণা, মেঘনা, দিল্লি, গ্রহ, গাছ, নদী, শহর, তারুণ্য, মমতা, সততা, জনতা, সমিতি, দর্শন ইত্যাদি।

পাঠ মূলায়ন

প্রশ্ন-১. ভাষায় ব্যবহৃত যে শব্দ কোনোকিছুর নাম বোঝায় তাকে কী বলে?
উত্তর: বিশেষ্য।

প্রশ্ন-২. “‘মানুষ’, ‘পশু’, ‘বাঙালি’, ‘নদী’ শব্দগুলো কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর: বিশেষ্য।

প্রশ্ন-৩. ‘অগ্নি-বীণা’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর: বিশেষ্য।

প্রশ্ন-৪. দুটি বিশেষ্যবাচক শব্দ লেখো।
উত্তর: সততা, সমিতি।


২. সর্বনাম

“ইমা খুব ভালো মেয়ে। ইমা প্রতিদিন স্কুলে যায়। ইমা বাড়িতে তার মায়ের কাজে সাহায্য করে। ইমার ব্যবহারে সবাই খুব খুশি।’ এভাবে না লিখে যদি এভাবে লিখি ‘ইমা খুব ভালো মেয়ে। সে প্রতিদিন স্কুলে যায়। সে বাড়িতে তার মায়ের কাজে সাহায্য করে। তার ব্যবহারে সবাই খুব খুশি।’

তাহলে কোনটি ভালো শোনায়? নিশ্চয় দ্বিতীয় অংশটি। কারণ প্রথম বাক্যের শুরুতে ‘ইমা’ শব্দটি বারবার ব্যবহার করার কারণে বাক্যের সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় অংশে দ্বিতীয় বাক্য থেকে ইমা শব্দটি বারবার ব্যবহার না করে বিকল্প শব্দ দেওয়ায় এটি শ্রুতিমধুর শোনাচ্ছে। এখানে ‘ইমা’ বিশেষ্য পদ এবং ইমার পরিবর্তে ব্যবহৃত ‘সে, তার’ হলো সর্বনাম পদ।

যে পদ কোনো বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। যেমন: মুনিরা দাবা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে। তার জন্য স্কুলের সবাই গর্বিত।’ এখানে দ্বিতীয় বাক্যের ‘তার’ প্রথম বাক্যের মুনিরাকে বোঝাচ্ছে। তাই ‘তার’ একটি সর্বনাম। এ জাতীয় পদ বিশেষ্য, বিশেষ্যগুচ্ছ কিংবা বিশেষ্যস্থানীয় বাক্যাংশ বা বাক্যের বদলে বসে। যেমন: তুমি, তোমার, তোমাকে, আপনি, স্থাপনার, আপনাকে, তুই, তোর, তোকে, কিংবা সে, তার, তাকে, তিনি, তাঁর, তাঁকে ইত্যাদি।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যে পদ কোনো বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলে?
উত্তর: সর্বনাম পদ।

প্রশ্ন-২. ইমা, মুনিরা ইত্যাদি নাম শব্দের পরিবর্তে কোন সর্বনাম ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: সে বা তার।

প্রশ্ন-৩. তুমি তোমার, আপনি, আপনাকে, তুই, তোর, তোকে, সে, তার ইত্যাদি শব্দগুলো কোন শব্দশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
উত্তর: সর্বনাম।

প্রশ্ন-৪. ‘তাকে আমি চিনি’- এখানে সর্বনাম পদ কোনটি?
উত্তর: তাকে।


৩. বিশেষণ

কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য-নির্দেশক এ ধরনের শব্দকে বলা হয় বিশেষণ। যে শব্দ বিশেষ্য বা অন্য শব্দের বৈশিষ্ট্য যেমন গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি নির্দেশ করে তাকে বিশেষণ বলে। যেমন: নীল আকাশ, লাল গোলাপ, প্রথম স্থান, পাঁচ কেজি, দশ টাকা, তাজা মাছ, দশ শতাংশ জমি, দেড় হাজার, সিকি পথ, বেলে মাটি, ষোলোই ডিসেম্বর। বিশেষণ শব্দ সাধারণত বিশেষ্য শব্দের আগে বসে। তবে কখনো কখনো বিশেষণ শব্দ বিশেষ্যের পরেও বসতে পারে। যেমন: ছেলেটা হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছে।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যে শব্দ বিশেষ্য বা অন্য শব্দের বৈশিষ্ট্য যেমন গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি নির্দেশ করে তাকে কী বলে?
উত্তর: বিশেষণ।

প্রশ্ন-২. বিশেষণ শব্দ সাধারণত বিশেষ্য শব্দের কোথায় বসে?
উত্তর: আগে।

প্রশ্ন-৩. লাল গোলাপ”- এখানে বিশেষণ শব্দ কোনটি?
উত্তর: লাল।

প্রশ্ন-৪. ‘পাঁচ কেজি’- এখানে ‘পাঁচ’ কোন শ্রেণির শব্দের উদাহরণ।
উত্তর: বিশেষণ।

প্রশ্ন-৫. ‘প্রৌঢ়া ঠান্ডা পানি খেয়ে তৃপ্ত’- বাক্যটিতে ‘ঠাণ্ডা’ শব্দটি কোন শব্দকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছে?
উত্তর: পানি।


৪. ক্রিয়া

আবু বড়শি দিয়ে মাছ ধরছে।
তিনু বিপদে পড়ে কাঁদছে।
সে নৌকার খোলের মধ্যে শুয়েছিল।

ওপরের বাক্য তিনটিতে ধরছে, কাঁদছে, শুয়েছিল— এ তিনটি শব্দ কোনো-না-কোনো কাজ করা, ঘটা বা হওয়া বোঝাচ্ছে। বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে ক্রিয়া বলে।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা কী করে বা কর্তার কী ঘটে বা হয়, তা নির্দেশ করা হয় যেসব শব্দ দিয়ে সেগুলোকে কী বলে?
উত্তর: ক্রিয়া।

প্রশ্ন-২. ভাবপ্রকাশের দিক থেকে ক্রিয়া কত প্রকার?
উত্তর: দুই প্রকার।

প্রশ্ন-৩. যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থগত পূর্ণতা দেয় তাকে কী বলে?
উত্তর: সমাপিকা ক্রিয়া।

প্রশ্ন-৪. যে ক্রিয়া বাক্যের অর্থ ও গঠনগত পূর্ণতা দেয় না তাকে কী বলে?
উত্তর: অসমাপিকা ক্রিয়া।


৫. ক্রিয়াবিশেষণ

তমাল দ্রুত দৌড়ায়।
মিতা সকালে গান গায়।
লোকটি চিৎকার করছে।

ওপরের বাক্যগুলো লক্ষ করলে দেখা যাচ্ছে ‘দ্রুত’, ‘সকালে’, ‘চিৎকার’ শব্দগুলো ‘দৌড়ায়’, ‘গায়’ ও ‘করছে’ ক্রিয়ার অবস্থা নির্দেশ করছে। এগুলোকে বলা হয় ক্রিয়াবিশেষণ। অর্থাৎ, যে শব্দ ক্রিয়ার অবস্থা, সময় ইত্যাদি নির্দেশ করে, তাকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে। আবার, অন্যভাবে বলা যায় বিশেষণের পরের পদটি যদি ক্রিয়া হয় তবে সেই বিশেষণকে ক্রিয়াবিশেষণ বলে।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যে শব্দ ক্রিয়ার অবস্থা, সময় ইত্যাদি নির্দেশ করে, তাকে কী বলে?
উত্তর: ক্রিয়াবিশেষণ।

প্রশ্ন-২. বিশেষণের পরের পদটি যদি ক্রিয়া হয় তবে সেই বিশেষণকে কী বলে?
উত্তর: ক্রিয়াবিশেষণ।

প্রশ্ন-৩. একটি ক্রিয়াবিশেষণের উদাহরণ দাও।
উত্তর: মেয়েটি সকালে গান করে।

প্রশ্ন-৪. ‘লোকটি চিৎকার করছে। এখানে কোন শব্দটি ক্রিয়াবিশেষণ?
উত্তর: চিৎকার।


৬. অনুসর্গ

লাঠি দিয়ে সাপটি মারো।
সে কাজ ছাড়া কিছু বোঝে না।
কোন পর্যন্ত পড়েছ?

ওপরের বাক্যগুলো লক্ষ করো। এখানে ‘দিয়ে’, ‘ছাড়া’, ‘পর্যন্ত’ শব্দগুলো যথাক্রমে ‘লাঠি’, ‘কাজ’ ও ‘কোন’ শব্দগুলোকে ক্রিয়াপদের সঙ্গে সম্পর্কিত করে তুলেছে। এরূপ সহায়ক বৈশিষ্ট্যের কারণে দিয়ে ছাড়া পর্যন্ত শব্দগুলোকে বলা হয় অনুসর্গ। অর্থাৎ যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে। অনুসর্গ ওই পদের বিভক্তির কাজ করে। এদের পরসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়ও বলা হয়ে থাকে।

অনুসর্গের সঙ্গে অন্য কোনো বিভক্তি, প্রত্যয় কিংবা উপসর্গ যুক্ত হয় না বলে এগুলোর রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো: অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, ওপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দরুন, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে পর্যন্ত, পানে, পাশে, পেছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভেতরে, মতো, মধ্যে, মাঝে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে কী বলে?
উত্তর: অনুসর্গ।

প্রশ্ন-২. অনুসর্গের অন্য নাম কী?
উত্তর: পরসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়।

প্রশ্ন-৩. ‘সে কাজ ছাড়া কিছু বোঝে না। এখানে ‘ছাড়া’ শব্দটি কোন শব্দশ্রেণির উদাহরণ?
উত্তর; অনুসর্গ।

প্রশ্ন-৪. ‘তোমার দ্বারা এ কাজ হবে না’- এখানে কোন শব্দটি অনুসর্গ?
উত্তর: দ্বারা।


৭. যোজক

রাতুল ও মিতুল এই কাজটি করেছে।
এত পড়লাম কিন্তু পরীক্ষায় ভালো করতে পারলাম না।
তিনি বিজ্ঞান অথচ সৎ ব্যক্তি নন।

ওপরের বাক্যগুলো লক্ষ করলে দেখা যায়— ‘ও’, ‘কিন্তু’, ‘অথচ’ শব্দগুলো বাক্যের অন্য পদগুলোকে যথাক্রমে সংযোজন, বিয়োজন, সংকোচন ঘটিয়েছে। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে এগুলোকে যোজক বলা হয়। অর্থাৎ, যে শব্দ বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য একটি শব্দের বা একটি পদের সঙ্গে আরেকটি পদের বা বাক্যের একটি বর্ণের সঙ্গে আরেকটি বর্গের সংযোজন, বিয়োজন, সংকোচন ঘটায় সে শব্দকে যোজক বলে।

আরও সহজভাবে বললে, শব্দ বা বাক্যের অংশকে যুক্ত করে যেসব শব্দ, সেগুলোকে যোজক বলে। যেমন- ও, এবং আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কিন্তু, কারণ, তবে ইত্যাদি। যোজকের মাধ্যমে একাধিক শব্দ পদবন্ধ, বাক্য সংযোজিত বা সম্পর্কিত হয়।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. শব্দ বা বাক্যের অংশকে যুক্ত করে যেসব শব্দ, সেগুলোকে কী বলে?
উত্তর: যোজক।

প্রশ্ন-২. যোজকের মাধ্যমে একাধিক শব্দ কী হয়?
উত্তর: পদবন্ধ।

প্রশ্ন-৩. যোজকের মাধ্যমে একাধিক বাক্য কী হয়?
উত্তর: সংযোজিত বা সম্পর্কিত।

প্রশ্ন-৪. ও, এবং, আর, অথবা, তবু, সুতরাং, কিন্তু, কারণ, তবে ইত্যাদি কীসের উদাহরণ?
উত্তর: যোগকের।

প্রশ্ন-৫. ‘ছেলেটি গরিব কিন্তু মেধাবী এখানে যোজক কোনটি?
উত্তর: কিন্তু।


আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – ধ্বনির উচ্চারণ
আরও দেখুন: ৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ২য় পরিচ্ছেদ – শব্দের উচ্চারণ


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বাংলা ৩য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।