|

৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ – ধ্বনির উচ্চারণ

৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ: সাধারণভাবে যেকোনো ধরনের আওয়াজকেই ধ্বনি বলা হয়। যেমন: মানুষের হাসি বা কান্না, পাখির কল-কাকলি, সাগরের গর্জন, বৃষ্টির শব্দ ইত্যাদি। কিন্তু ব্যাকরণে ধ্বনি বলতে কণ্ঠ্যধ্বনি বা বাগ্‌ধ্বনিকেই বোঝায়। অর্থাৎ শব্দকে বিশ্লেষণ করলে ভাষার যে ক্ষুদ্রতম একক পাওয়া যায় তাই ধ্বনি। একার্থে বলতে গেলে শব্দ হলো বিভিন্ন ধরনের ধ্বনির সমষ্টি।

লক্ষ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের সব অঞ্চলের মানুষ একই উচ্চারণে কথা বলে না। তাই অঞ্চলভেদে মানুষের উচ্চারণও আলাদা হয়ে যায়। আর ধ্বনিগত এই পরিবর্তনের কারণেই সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার। ফলে ধ্বনি ও উচ্চারণের পার্থক্যের জন্য আঞ্চলিক ভাষা সব অঞ্চলের মানুষের কাছে বোধগম্য হয় না। এ সমস্যা সমাধানের জন্য ধ্বনির উচ্চারণ ঠিক করতে ভাষার প্রমিত রীতির অনুশীলন অত্যন্ত জরুরি।


৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ

ব্যক্তিক পরিসর

ব্যক্তিক পরিসর হলো কোনো মানুষের ব্যক্তিগত সীমানা। এটি ব্যক্তির নিরাপত্তা ও যোগাযোগের সীমানা। একে ব্যক্তির চারপাশের অদৃশ্য সীমানাও বলা যায়। তবে সার্বিকভাবে ব্যক্তিক পরিসর বলতে আমরা ব্যক্তিগত কথা বলা বা আলোচনার জায়গাকে বুঝি। ব্যক্তিক পরিসরে সাধারণত মানুষ ঘনিষ্ঠজন বা কাছের মানুষদের সঙ্গে কথা বলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের পরিসরে অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা হয়ে থাকে। তবে ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক, পরিবেশ-পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ব্যক্তিক পরিসরের ধরন ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

সামাজিক পরিসর

সাধারণভাবে সমাজের মানুষদের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক ও প্রভাবকে সামাজিক পরিসর বলা যায়। সামাজিক পরিসর অনেকাংশে কোনো মানুষের সামাজিক অবস্থান ও যোগাযোগের ওপর নির্ভর করে। এ ধরনের পরিসরে সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ ও সামষ্টিক সার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি প্রাধান্য পায়। সামাজিক পরিসর সবসময়ই আনুষ্ঠানিক হয়ে থাকে। তবে সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির বিকাশে সামাজিক পরিসরের গুরুত্ব অপরিসীম।

আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতি

সাধারণভাবে আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতি হলো এমন পরিস্থিতি, যেখানে পার্সোনাল স্পেস বা ব্যক্তিগত আচরণ ও মতামতের সুযোগ থাকে না। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশে আমাদের আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। আনুষ্ঠানিক পরিস্থিতিতে এই পরিস্থিতির আমেজ এবং মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি মেনে আমাদের কথা বলতে হয়।

ধ্বনির উচ্চারণ

বাংলা ধ্বনি উচ্চারণে বাপ্রত্যঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও উচ্চারণের স্থান ও প্রকৃতি, বায়ুপ্রবাহের মাত্রা, জিভের কম্পনমাত্রার নিরিখে ধ্বনির উচ্চারণ বদলে যায়। এর বাইরে জিভের উচ্চতা, অবস্থান ও ঠোঁটের উম্মুক্তির ওপর ভিত্তি করেও ধ্বনির বৈচিত্র্যময় উচ্চারণ হয়। তাছাড়া শব্দভেদেও ধ্বনির উচ্চারণ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। ধ্বনিবিজ্ঞানীরা উচ্চারণ স্থানের ওপর ভিত্তি করে স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোর বিভিন্ন নাম দিয়েছেন।

ভাষার রূপবৈচিত্র্য ও বাংলা ভাষা

যেকোনো ভাষারই দুটি প্রধান রূপ দেখা যায়। যথা- ১. মৌখিক বা কথ্য ভাষা; ২. লৈখিক বা লেখ্য ভাষা।
প্রতিটি ভাষার মৌখিক রূপই তার আদি রূপ। সাধারণত লৈখিক ভাষা মৌখিক ভাষারই লিখিত রূপ। ভাষার লিখিত রূপ এসেছে অনেক পরে। পৃথিবীতে এমন অনেক ভাষা আছে যেগুলোর লৈখিক রূপ নেই। শিশুরা সহজেই মৌখিক ভাষা আয়ত্ত করতে পারে। কিন্তু লৈখিক ভাষা শেখার জন্য তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে হয়। মুখের ভাষার পরিবর্তন হয় দ্রুত। পক্ষান্তরে, লৈখিক ভাষার পরিবর্তন হয় অনেক ধীরগতিতে। বাংলা ভাষার রূপবৈচিত্র্য বিশ্লেষণ করলে মৌখিক ও লৈখিক দুটি রূপই দেখা যায়।

১. মৌখিক বা কথ্য ভাষা

সাধারণভাবে মানুষ জীবনযাত্রার সর্বক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যবহার করে, তাকেই মৌখিক বা কথ্য ভাষা, বলা হয়। মৌখিক ভাষাকে দুটো প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। যথা— ক. আঞ্চলিক কথ্য রীতি বা উপভাষা; খ. আদর্শ কথ্য রীতি বা কথ্য প্রমিত।

ক. আঞ্চলিক কথ্য রীতি বা উপভাষা

অঞ্চলভেদে ভাষার যে পার্থক্য বা রূপবৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয়, তাকেই আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়।

খ. আদর্শ কথ্য রীতি বা কথ্য প্রমিত

আঞ্চলিক উপভাষার যে সীমাবদ্ধতা তা ছোটো ছোটো অঞ্চল কিংবা সম্প্রদায়, বিশেষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ভাষিক অঞ্চল বা সম্প্রদায়-নির্বিশেষে সবার জন্য তা বোধগম্য বা মান্য হয় না। সেজন্য কোনো অঞ্চলে প্রচলিত আঞ্চলিক সামাজিক উপভাষাগুলোর ওপরে সর্বজনমান্য একটি আদর্শ ভাষার অবয়ব গড়ে ওঠে। দেশের শিক্ষিত সম্প্রদায় এ আদর্শ ভাষাতেই ভাবের আদানপ্রদান ও প্রশাসনিক কাজকর্ম সম্পাদন করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের উপভাষার উপাদানের সমন্বয়ে শিষ্টজনের ব্যবহৃত এ ভাষাই আদর্শ কথ্য রীতি বা কথ্য প্রমিত।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. মৌখিক ভাষাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তর: মৌখিক ভাষাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

প্রশ্ন-২ অঞ্চলভেদে ভাষার যে পার্থক্য বা রূপবৈচিত্র্য পরিলক্ষিত হয় তাকে কোন ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়?
উত্তর: উপভাষা বা আঞ্চলিক ভাষা।

প্রশ্ন-৩. সাধারণভাবে মানুষ জীবনযাত্রার সর্বক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যবহার করে তাকে কোন ভাষা বলা হয়?
উত্তর: মৌখিক বা কথ্য ভাষা।

প্রশ্ন-৪. বেতার-টিভিতে, বক্তৃতামঞ্চে, আলোচনা সভায় কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: প্রমিত বাংলা।

প্রশ্ন-৫. শিশুকাল থেকে প্রাকৃতিক নিয়মে অর্জিত হয় কোন ভাষা?
উত্তর: উপভাষা।

প্রশ্ন-৬. কোন ভাষা রীতির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আছে?
উত্তর: আদর্শ কথ্য রীতির।

প্রশ্ন-৭. কোন ভাষা রীতি সকল অঞ্চলের মানুষের কাছেই গ্রহণযোগ্য?
উত্তর: আদর্শ কথ্য রীতি।

প্রশ্ন-৮. সংবাদপত্রে প্রকাশনায়, পাঠ্য বইয়ে ও সরকারি কাজে কোন রীতির প্রয়োগ ক্রমেই বাড়ছে?
উত্তর: আদর্শ কথ্য রীতির।


২. লৈখিক বা লেখ্য রূপ

‘লেখ্য’ শব্দটি এসেছে লেখা থেকে। ভাষার যে রূপে আমরা লিখি বা সাহিত্য রচনা করি, তাকে ভাষার লৈখিক বা লেখ্য রূপ বলে। লেখ্য রূপ দুই প্রকার। যথা— ক. সাধু রীতি; খ. প্রমিত রীতি

ক. সাধু রীতি

বাংলা ভাষার সংস্কৃত-ঘেঁষা লৈখিক রীতিকে বলা হয় সাধুভাষা। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগ ছিল কাব্যনির্ভর। মধ্যযুগে কিছু চিঠিপত্র, দলিল-দস্তাবেজে গদ্যের ব্যবহার দেখা গেলেও তা ছিল খুবই সীমিত। ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর গদ্যাকারে গ্রন্থ প্রণয়নের প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৮০০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজকে কেন্দ্র করে গদ্যচর্চা শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে সমাজের শিক্ষিত ও শিষ্টজনের ব্যবহৃত ভাষাকে আশ্রয় করে গদ্যচর্চার সূচনা হয়। এভাবে উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের যে লিখিত রূপ গড়ে ওঠে, তা-ই সাধুভাষা।

মৌখিক রীতি হিসেবে এর ব্যবহার নেই। সাধুভাষার রূপ সুস্থিত ধরনের। এজন্যই তা দীর্ঘকাল ধরে বাংলা সাহিত্য রচনার নির্ভরযোগ্য লৈখিক বাহন হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সাধু রীতি কথাবার্তায় ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনো কিছু পাঠ্যবইয়ে, ভাবগম্ভীর প্রবন্ধে এবং কোনো কোনো সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা উপসম্পাদকীয় পাতায় সাধু রীতির ব্যবহার দেখা যায়। সাধুভাষা সম্পর্কে বলা যায়, উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের যে লিখিত রূপ গড়ে ওঠে, তার নাম দেওয়া হয় সাধুভাষা।

খ. প্রমিত রীতি

প্রমিত ভাষা শিষ্ট-মার্জিত মৌখিক ভাষা। এটি বাঙালির মৌখিক ভাব বিনিময়ের মান্য ও প্রমিত মাধ্যম। বর্তমানে প্রমিত ভাষা লৈখিক ভাষা হিসেবে সাধুভাষার জায়গায় নিজের আসন পাকা করে নিয়েছে। আধুনিক বাঙালির মুখের জীবন্ত ভাষাই এ ভাষারীতির উদ্ভব ও বিকাশের ভিত্তিভূমি। এ ভাষার শব্দরূপ, ক্রিয়ারূপ, বাক্য গঠন ইত্যাদি সংস্কৃত-ঘেঁষা নয় । ভাষার প্রমিত রীতিকে নির্দেশ করা চলে এভাবে- শিক্ষিত বাঙালি সমাজে ব্যবহৃত ভাষার মার্জিত আদর্শ কথ্য রীতি এবং মান লেখ্য রীতি হিসেবে স্বীকৃত ভাষা রীতিই হলো প্রমিত রীতি।

সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে, পশ্চিমবঙ্গে ও প্রবাসী বাংলাভাষী সম্প্রদায়ের মধ্যে সাহিত্য রচনায় বক্তৃতা-ভাষণে, বিজ্ঞপ্তি-বিবৃতিতে, পত্রপত্রিকায়, বেতার-টিভিতে, পাঠ্যবই ও শিক্ষাব্যবস্থায় প্রমিত ভাষার ব্যবহার প্রায় অবিকল্পভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কাজে চলিত ভাষায় দক্ষতা অর্জন এখন সবার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. শিক্ষিত বাঙালি সমাজে ব্যবহৃত ভাষার মার্জিত আদর্শ কথ্য রীতি এবং মান লেখ্য রীতি হিসেবে স্বীকৃত ভাষা রীতিকে কী বলে?
উত্তর: ভাষার প্রমিত রীতি।

প্রশ্ন-২. ভাষার যে রূপে আমরা লিখি বা সাহিত্য রচনা করি তাকে ভাষার কোন রূপ বলা হয়।
উত্তর: ভাষার লৈখিক বা লেখ্য রূপ।

প্রশ্ন-৩. ভাষার লেখ্য রূপ কত প্রকার?
উত্তর: ভাষার লেখ্য রূপ দুই প্রকার।

প্রশ্ন-৪. বাংলা ভাষার সংস্কৃত-ঘেঁষা লৈখিক রীতিকে কী বলা হয়?
উত্তর: সাধুভাষা।

প্রশ্ন-৫. ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়মের অনুসারী কোন ভাষা রীতি?
উত্তর: সাধু রীতি।

প্রশ্ন-৬. পদবিন্যাসরীতি সুনির্দিষ্ট ও সুনিয়ন্ত্রিত কোন ভাষা রীতির?
উত্তর: সাধু রীতি।

প্রশ্ন-৭. ভাষার কোন রীতি পরিবর্তনশীল?
উত্তর: প্রমিত রীতি।


ধ্বনির প্রমিত উচ্চারণ

বাংলা ধ্বনি উচ্চারণে বাপ্রত্যঙ্গের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চারণের মুখ্য বাপ্রত্যঙ্গ, উচ্চারণের স্থান, প্রকৃতি, বায়ুপ্রবাহ, জিভের কম্পনমাত্রা নানা বিচারে ধ্বনি উচ্চারণের প্রকৃতি বদলে যায়। জিভের উচ্চতা, অবস্থান ও ঠোঁটের উন্মুক্তির ওপর ভিত্তি করে ধ্বনির বৈচিত্র্যময় উচ্চারণ হয়। শব্দভেদে ধ্বনির উচ্চারণ ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

পাঠ মূল্যায়ন

প্রশ্ন-১. স্বরতন্ত্রীতে কাঁপন লেগে যেসকল ধ্বনি উচ্চারিত হয় সেগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: ঘোষ ধ্বনি।

প্রশ্ন-২. কিছু ধ্বনি উচ্চারণের সময় ধ্বনিষ্ঠার কম কাঁপে, সেগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: অঘোষ ধ্বনি।

প্রশ্ন-৩. যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের স্বল্পতা থাকে তাকে কী উত্তর: ঘোষ ধ্বনি।
উত্তর: অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

প্রশ্ন-৪, প্রবল চাপে শ্বাসবায়ুকে বাধামুক্ত করে যেসকল ধ্বনি উচ্চারিত হয় সেগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: মহাপ্রাণ ধ্বনি।

প্রশ্ন-৫. শ্বাসবায়ুর বাধামুক্তির প্রাবল্য অনুযায়ী ক্, গ্, ছ্, জ্, ট্‌ এগুলো কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর: অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

প্রশ্ন-৬. ঘোষতা অনুযায়ী গ, ঘ, ঙ, জ় এগুলো কোন ধরনের ধ্বনি হতে পারে?
উত্তর: ঘোষ ধ্বনি।

প্রশ্ন-৭. অ-এর উচ্চারণ কয় ধরনের?
উত্তর: অ-এর উচ্চারণ দুই ধরনের হতে পারে।


🔰🔰 আরও দেখুন: বিজ্ঞান অনুসন্ধানী পাঠ ৭ম শ্রেণি অধ্যায় ১৪ প্রশ্ন ও উত্তর


আশাকরি “৭ম শ্রেণির বাংলা ২য় অধ্যায় ১ম পরিচ্ছেদ” আর্টিকেল টি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমাদের কোন আপডেট মিস না করতে ফলো করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজ ও সাবক্রাইব করতে পারেন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল।